Description
সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে এ প্রজন্মের অনন্য নাম কাদের পলাশ। তিনি একাধারে কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, লোক সংস্কৃতি গবেষক, গীতিকার, সম্পাদক, সংগঠক এবং মাঠ পর্যায়ের তুখোড় সংবাদকর্মী। কিশোর বয়সে লেখালেখির হাতেখড়ি হলেও তার সাহিত্যকর্ম পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ ২০০৭ সালে। একই বছর সাংবাদিকতায় পথ চলা শুরু হলেও ২০০৯ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে টেলিভিশনে সাংবাদিকতা শুরু করেন। বর্তমানে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৯-২০২৪ পর্যন্ত দৈনিক শপথ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক বর্তমানে পত্রিকাটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সাল থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাব ও টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। কাদের পলাশ ২০২২ ও ২০২৪ সালের গঠিত সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর-এর এডহক কমিটির সদস্য। সম্প্রতি সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর-এর মহাপরিচালক পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সাহিত্যচর্চা ও সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন করেন। (২০১৫-২০১৭) চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃক পরিচালিত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ বছর শিক্ষকতা করেন। তিনি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কাদের পলাশ চাঁদপুর শহরে স্থায়ী বসবাস করলেও তার পৈত্রিক বাড়ি কচুয়ার বাসাবাড়িয়া গ্রামে। তার লেখা গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ হয়েছে ৯টি। ‘অন্য করিডোরের ফুল’ কাদের পলাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
গল্পগ্রন্থ : দীর্ঘশ্বাসের শব্দ (২০১৭), ইচ্ছেরা উড়ে গেছে (২০১৯), মেঘ উড়ে যাওয়ার পর (২০২৪)। কাব্যগ্রন্থ : স্মৃতির স্লোগান (২০২১)। উপন্যাস : রোদে পোড়া পালিশ (২০২২)। গবেষণা/সম্পাদনা : যাপনে উদযাপনে ইলিশ (২০১৯), বিরুদ্ধ স্রোতের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (২০২০), বিস্মৃতির চাঁদপুর (২০২০), দেড়শ বছরের সাংবাদিকতা ও চাঁদপুর (২০২৩), চাঁদপুরের সংস্কৃতি লোককথা ও অন্যান্য (২০২৪), চাঁদপুরে টেলিভিশন সাংবাদিকতার চার দশক (২০২৫)।
























There are no reviews yet.