ভ্রমণকাহিনী

ভ্রমণকাহিনী
Show:
Filter
25% Off

রোড টু পামির : ইতিহাস ও আদিম প্রকৃতি যেখানে মিশেছে – এলিজা বিনতে এলাহী

Highlights:

ভ্রমণ তাঁর নেশা। বেরিয়ে পড়েন যখন-তখন। কখনও সপরিবারে, কখনও সবান্ধব, কখনও শুধু নিজের সঙ্গে। তাঁর আকর্ষণের বিষয় ইতিহাস। সম্প্রতি ভ্রমণ করে ফিরেছেন পৃথিবীর ছাদখ্যাত পামির মালভূমির এমাথা-ওমাথা।
মধ্যএশিয়ার দেশ তাজিকিস্থানের পামির মালভূমির পুরো অঞ্চলটির নাম গর্নো-বাদাখশান প্রদেশ। স্থানীয়রা বলেন পামির হাইওয়ে। যুগে যুগে বণিক, তীর্থযাত্রী, রাজবন্দি, প্রত্নসন্ধানী অভিযাত্রীদলের রেশমপথ। তাজিকিস্থানের ৪৫ ভাগ স্থান জুড়ে রয়েছে এই পাহাড়ি অঞ্চল। ১০ দিনের রোড ট্রিপে তিনি ভ্রমণ করেছেন তাজিকিস্থানের ৪টি ঐতিহাসিক শহর আর পামির মালভূমির ৪টি জেলা। তাছাড়াও এই রোড ট্রিপে কত ছোটো-ছোটো শহর, গ্রাম, পার্বত্য অঞ্চল ছুঁয়ে গেছেন, খানিক থেমেছেন তার ইয়ত্তা নেই।
তাজিকিস্থানের প্রাচীন ইতিহাস, পামির মালভূমির আদিম প্রকৃতি, প্রাচীন বণিকদের রেশমপথ, মানুষ, সংস্কৃতি, খ্যাদাভাস, জীবন- সব মিলেমিশে বাংলাদেশি ভ্রমণকারী এলিজা বিনতে এলাহী রচনা করেছেন মধ্যএশিয়ার প্রাচীন রাজপথ ভ্রমণের এক আকরগ্রন্থ ‘রোড টু পামির’।

Rode To Pamir : Itihas O Adim Prokriti Jekhane Misheche - Eliza Binte Elahi

$ 4.73
25% Off

তানযানিয়ার হৃদয় হতে – ফাতিমা জাহান

Highlights:

আফ্রিকা মহাদেশ নামটি শুনলেই অনেকের মনে আসে রঙিন পোশাক আর ভারী ভারী গয়না পরিহিত আদিবাসী মানুষ, ভয়ংকর জঙ্গল বা মরুভূমি। কারো মনে আসে রঙিন হস্তশিল্পের বিশাল ভাণ্ডার, কেউ কেউ মনে করেন সেখানে গেলে তাল তাল হীরের সন্ধান পাওয়া যাবে। কেউ-বা মনে করেন বিস্তীর্ণ ভূমিতে বিভিন্ন পশুপাখির আবাসস্থল। কেউ আবার মনে করেন বঞ্চিত, শোষিত, অবদমিত, বিভাজিত এক মানবসমাজ।
আসলে আফ্রিকার প্রকৃতি, জনসাধারণের জীবনযাপন কেমন তা নিরীক্ষা করতেই লেখক ভ্রমণ করেছেন আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ। বাইরে থেকে ঝলমলে মনে হলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, তাদের বেদনা-বঞ্চনা লেখক তুলে ধরেছেন এই ভ্রমণকাহিনিতে।
আফ্রিকা বিখ্যাত নিজস্ব বনভূমিতে পশুপাখির অভয়ারণ্য বানিয়ে সংরক্ষণের জন্য। তানযানিয়ার মতো বৈচিত্র্যময় দেশে তাই লেখকের পদচারণা থেমে থাকেনি সেইসব শ্বাপদসংকুল জঙ্গলেও। সেখানকার আদিবাসী মানুষ কিংবা আধুনিক শহরের মানুষের জীবনযাত্রার ছবি উঠে এসেছে লেখকের কলমে।
তানযানিয়ার গুপ্তধন কোনো হীরে বা দামি খনিজের খনিতে লুকিয়ে নেই, লুকিয়ে আছে এর শান্ত ও অসামান্য সুন্দর বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জের মাঝে। পান্না সবুজ জল আর জলের অদ্ভুত-অজানা জগতে লেখকের হাত ধরে অনেক অজানা দুয়ার খুলে গিয়েছে।
তানযানিয়া আফ্রিকার গড়পড়তার একটি দেশ নয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ, রঙিন পোশাকে আবৃত অতিথিপরায়ণ মানুষের হাসিমুখ, পশুপাখির নির্ভয় আবাসস্থল, সমুদ্রসৈকতের ঐশ্বর্য, নিখাদ আনন্দে মুখর নৃত্যগীত, হস্তশিল্পের অবারিত সম্ভারের সাথে লেখক নিজ দায়িত্বে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

Tanzaniar Hridoy Hotey by Fatima Jahan

$ 5.12
25% Off

পূর্ব আফ্রিকার তিনকাহন – এলিজা বিনতে এলাহী

Highlights:

রহস্য ও বৈচিত্র্যের মহাদেশ আফ্রিকা! দীর্ঘ এক পথ চলে গেছে দেশ হতে দেশান্তরে! সেই রহস্যে মোড়া ভূখণ্ডের প্রতিটি অঞ্চলের প্রাচীন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভৌগলিক বৈচিত্র্য  যে কোন ভ্রমণকারী ও ভবঘুরের আগ্রহের স্থান।

“পূর্বআফ্রিকার তিনকাহন” একজন বাংলাদেশী নারী ভ্রমণকারীর পূর্ব আফ্রিকার তিন দেশ – কেনিয়া, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা’র ভ্রমণ আখ্যান। লেখক পথ চলতে চলতে প্রাচীন ইতিহাসের মুখোমুখি হয়েছেন, দেখেছেন নানা জনপদ, জানবার চেস্টা করেছেন তাদের সংস্কৃতি, বুঝতে চেয়েছেন নানাবিধ ভাষার রহস্য। সেই সব আবেগ, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি, স্বীকারোক্তি ও কৈফিয়তের হিসেবনিকেশ নিয়েই আবর্তিত “পূর্বআফ্রিকার তিনকাহন” ।

Purbaafricar Tinkahon by Eliza Binte Elahi

$ 5.74
35% Off

লখনউনামা- ফাতিমা জাহান

Highlights:

ভ্রমণ আমার কাছে কোন সাধারণ ব্যাপার নয়। মানুষ যেমন হীরে জহরত সংগ্রহ করে বা নতুন নতুন গাড়ি বাড়ির নেশা করে, ভ্রমণ আমার কাছে তেমনই এক নেশা। দিন পেরোয়, অভিজ্ঞতা বাড়ে কিন্তু এই নেশা থাকে আনকোরা।
ভাষা শেখার ব্যাপারে দুর্বলতা আমার আজন্ম কালের। দক্ষিণ ভারতে বহু বছর ধরে বসবাস করার সুবাদে বিভিন্ন ভাষার সাথে পরিচয় হতে হয়ই। এখানকার স্থানীয় ভাষা কাণ্ণাড়, আর মুসলমানদের ভাষা উর্দু। বিভিন্ন ভাষাভাষী বন্ধুবান্ধবের সুবাদে তাদের বৈঠকখানার মেজাজ জানা হয়েছে বেশ। হিন্দি, কাণ্ণাড়, তামিলের সাথে সাথে ঘুরে আসার সুযোগ হয়েছে উর্দু, ফারসির শের শায়েরী, মুশায়েরার জগত থেকে। এই কবিতা, গযলের এক সময়কার জমজমাট পীঠস্থান ছিল ভারতের লখনউ নগর। লখনউ আমি গিয়েছি চার বার। প্রথমবার গিয়ে মনে হয়েছিল সব কিছু দেখা হয়নি, তাই দ্বিতীয় বার যাওয়া। এরপর নেশা আর কাটেনা। নবাবদের হাত ধরে ইরান থেকে আসা পারস্য সংস্কৃতি, ইমারত, রসনার টানে এমনকি অতিমারির সময়ও চলে গিয়েছিলাম লখনউ। খুঁজে বের করেছিলাম লখনউ শাসন করে যাওয়া এগারো জন নবাবের রওযা এবং তাঁদের দ্বারা নির্মিত ইমারত, বাজার, লোকালয়। বেশিরভাগ ভবনের অস্তিত্ব এখন নেই বা কেউ আর সেসবে আগ্রহ দেখায়না।
ভারত উপমহাদেশে পারস্য সংস্কৃতির প্রচলন হয়েছে লখনউ এর নবাবদের হাত ধরে। আদব কায়দা, শায়েরী, গযলের সাথে সাথে নবাবগণ সাথে করে এনেছিলেন বিরিয়ানি, পরোটা, নানা পদের মিষ্টান্ন। ঘুরি ওড়ানো, পশুপাখির লড়াইয়ের মতো শৌখিন খেলাধুলার প্রচলন করেছিলেন লখনউ এর নবাবগণ। অখণ্ড ভারতে বিভিন্ন রাগরাগিণীকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেছিলেন এঁরাই সর্বপ্রথম।
এতবার লখনউ ভ্রমণের পরও কোথায় যেন কি বাকি থেকে যায়। মনে হয় গোমতী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই নগরকে আজ আর কদর করছেনা কেউ আগের মতোন, নেই আগের সেই ঝংকার, প্রাণের আকুতি। তবুও আসফি মসজিদের সিড়িতে বসে থেকে আমি শান্তি পেয়েছি, ছত্তর মঞ্জিলের কোল ছুঁয়ে থাকা গোমতী নদীর স্থিরতা আমাকে ভাবিয়েছে, বড় ইমামবাড়ার ছাদে দাঁড়িয়ে থেকে সত্যি সত্যিই লবঙ্গ মোটিফের শরীর থেকে আমি সুগন্ধ পেয়েছি।
লখনউ এর কয়েকজন মানুষ কখনোই আমার মন থেকে মুছে যাবেনা। লখনউ নিয়ে টুকরো টুকরো লেখার ব্যাপারে ইতিহাসবিদ আশফাক খান এবং নবাবের বংশধর শেহযাদি মনযিলাত ফাতিমার অবদান অনস্বীকার্য। যে আদর আপ্যায়ন আমি লখনউবাসীর কাছ থেকে পেয়েছি তা ভুলতে গেলে নিজেকেই ভুলে যেতে হবে। এ শহর আমার নিঃশ্বাসে মিশে আছে।
লখনউ আমার কাছে এক ভালোবাসার নাম, বার বার দেখার পরও না ফুরানো ভালোবাসা।

-ফাতিমা জাহান
লখনউ, ভারত
২৪/০১/২০২১

লখনউনামা - Luchnownama

$ 6.50
25% Off

ভারতে কয়েকদিন

Highlights:

ভূমিকা

বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ার হোসেন বাদল চিকিৎসার জন্যে কিছুদিন আগে দক্ষিণ ভারতের ভেলোর শহরে গিয়েছিলেন। সাথে ছিলেন তার আজীবন সহযাত্রী, সহযোদ্ধা আমাদের প্রিয় সুলতানা ভাবী। বাদল ভাই ভাবীর সাথে নানান জায়গার ছবি তুলছেন আর তাৎক্ষণিক অভিজ্ঞতা লিখে পোস্ট দিচ্ছেন। আমিও মজা করে কমেন্ট করে যাচ্ছি সেইসব পোস্টে। প্রথমদিকে সাদামাটা পোস্ট ভেবেই গভীরে তেমন ঢোকার চেষ্টা করিনি। কিন্তু সময় যতোই যেতে থাকে পোস্টগুলো আমাকে চুম্বকের মতো টানতে থাকে। একসময়ে অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে বাদল ভাইয়ের ভ্রমণবৃত্তান্তের অপেক্ষায় থাকি, কখন তিনি পোস্ট দিবেন, কখন সেই আখ্যানগুলো পড়বো। অবস্থা যখন এমন পর্যায়ে একদিন বলেই ফেললাম যে লেখাগুলোকে মলাটবদ্ধ করলে একটি ভালো বই হতে পারে। উপযাচক হয়ে এটাও বললাম যে যদি কখনো লেখাগুলো মলাটবদ্ধ হয় আমিই লিখবো এর মুখবন্ধ।
বলেতো দিয়েছি কিন্তু তখন কি আর জানতাম যে এই গুরুদায়িত্ব আমার ঘাড়েই চাপবে! সেদিন হঠাৎই বাদল ভাইয়ের ফোন, ‘কমরেড, ভারতে কয়েকদিন নামের বইটি আসছে আগামী বইমেলায়। ভূমিকা কিন্তু আপনাকেই লিখতে হবে।’ আমিতো সপ্তম আসমান থেকে পড়লাম একেবারে জমিতে।
যাইহোক, সচরাচর ভ্রমণকাহিনী বলতে আমরা যা বুঝি আনোয়ার হোসেন বাদল এর ‘ভারতে কয়েকদিন’ সে অর্থে কিন্তু কোনো ভ্রমণকাহিনী নয়। বরং এটি হচ্ছে সাদা চোখে দেখা সাদামাটা অভিজ্ঞতার এক নির্মোহ বিবরণ, কিছু জানা কথা, কিছু অজানা তথ্যের প্রকাশ।
বইটি এমন সহজ-সরল ভাষায় লিখিত যে—পড়ার সময় মনে হতে পারে পাঠক বই পড়ছেন না বরং লেখকের সাথে সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতের নানান শহর। নিজের চোখেই পাঠক দেখছেন ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্য, স্থাপনা আর বিচিত্র প্রকৃতি।
আলোচ্য বইটিতে পাঠকের পরিচয় ঘটবে ভারতের ঐতিহাসিক শহর কোলকাতা, তৃতীয় বৃহত্তম শহর দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই আর ভেলোরের ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্পসংস্কৃতি ও স্থাপত্যকর্মের সাথে।
বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অমরকীর্তি হিসেবে স্বীকৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

কবি হানিফ মোহাম্মদ
তালেপুর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

ভারতে কয়েকদিন

$ 1.85
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart

Shopping cart is empty!

Continue Shopping