টোপন হত্যা রহস্য – পার্থসারথি
মেধাবী ছাত্র টোপন হত্যা রহস্য বিখ্যাত গোয়েন্দা চিনুদার ওপর ন্যস্ত হতেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন; আমি নিশ্চিত এটা খুন! ভূতের ভয়ে মৃত্যু বলে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ যেখানে হাত গুটিয়ে নিয়ে তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। চিনুদার ওপর তদন্তের ভার ন্যস্ত হতেই পুলিশ বিভাগও নড়েচড়ে বসে। টোপন হত্যা রহস্য উন্মোচন করতে নেমে চিনুদা বুঝতে পারেন এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে বিশাল চক্রান্তের বিস্তৃত জাল। ভেবেছিলেন খুব সহজেই এর সমাধান করে ফেলবেন কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সকল কুশীলব চিনুদাকে একেবারে শেষ করে দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। চিনুদা অবাক হয়ে যান- এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাহলে কী এমন রহস্য লুকিয়ে আছে! টোপন একজন সাধারণ ছাত্র, তাহলে? গোয়েন্দা চিনুদা বেশ সিরিয়াস হয়ে যান। পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে নামেন। রাতের অন্ধকারে কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলা করে বসে ভাগ্যিস পিস্তলটা সাথে ছিল নয়তো নির্ঘাত মৃত্যু ছিল। নিজেরা নিরাপদ থাকতে তদন্তের ধারায় আধুনিক প্রযুক্তি করার পরও হামলার শিকার হন! তবুও দমে যাননি তুখোড় গোয়েন্দা চিনুদা! বিস্তৃত করেন অপরাধীদের ধরার অভিনব সব দুর্দান্ত ফাঁদ।
একের পর এক অপরাধী ধরা পড়তে থাকে আর সকলের কপালে ভাঁজ পড়তে থাকে যাদেরকে কেউ কল্পনাও করেনি! ভূতের ভয়ে মৃত্যু অথচ বাঘা বাঘা সব অপরাধীরা গোয়েন্দা চিনুদার পাতা ফাঁদে আটকা পড়ে! এই খুনের সাথে ঘরের লোক জড়িত! সবাই হতবাক! টোপনের আসল খুনি কে তবে? সকল নাটকীয়তার বেড়াজাল ভেঙে গোয়েন্দা চিনুদা বের করে আনেন আসল মাস্টারমাইন্ড ও প্রকৃত খুনিকে। কে সেই খুনি? জানতে পড়ুন টানটান উত্তেজনায় ভরপুর, এক বসায় পড়ে শেষ করার মতো গোয়েন্দা উপন্যাস ‘টোপন হত্যা রহস্য’!
Topon Hotya Rahasya - Parthasarathi
বহতা জীবনের বাঁকে – পার্থসারথি
মানুষের জীবন এবং সংসারে প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে নানান ঘটনা। এসব ঘটনা কখনও দুঃখের, কষ্টের, হাসির অথবা সুখের। মানুষের জীবনপট যেন একটা পুরো আকাশ। ক্ষণে ক্ষণে বদলাচ্ছে তার রূপ-সৌন্দর্য এবং প্রেক্ষাপট। মানুষের জীবন যেন আকাশের প্রতিচ্ছবি; এই রোদ এই বৃষ্টি। বয়ে চলা মানব জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত নিয়েই এই উপন্যাস।
কীভাবে বদলে যাচ্ছে চিরচেনা মানুগুলো ও তাদের জীবন। সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে সমাজের ধরণ-ধারা ও কাঠামো। এই উপন্যাসের সময়কাল গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত বিস্তৃত। ঐ সময়কার সমাজ, জীবনধারা, ধর্মীয় গতিধারায় মানুষের পদচারণা, মানুষের জীবন ধারার গতিময়তা, প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা, কেমন ছিল সেই সময়কার দুরন্ত শৈশব সবই ছুঁয়েছে এই উপন্যাস।
বহুদিনকার চেনা-জানা মানুষগুলো মুহূর্তেই কীভাবে বদলে যায়। আবার কেউ কেউ ভালোবাসার সূতোয় বেঁধে সবাইকে আগলে রাখে। একজন মা শত প্রতিকূল পরিবেশেও কীভাবে সত্যিকারের মা হয়ে ওঠেন, রয়েছে তার অপূর্ব-বাস্তব উপস্থাপন। একজন মা অসীম প্রতিকূলতার মাঝেও কীভাবে সন্তান জন্ম দেন, লালন করেন এবং বুকের ভেতর আগলে রাখেন। মায়ের সান্নিধ্যে, অনুশাসনে, ভালোবাসায় বেড়ে ওঠা জীবন সবই প্রস্ফুটিত এই উপন্যাসে। গত শতাব্দীতে ফেলে আসা আমাদের প্রবাহমান জীবনের প্রতিচ্ছবি এই উপন্যাস। দুরন্ত শৈশবকালের ফেলে আসা ঘুড়ির নাটাই বলে দেবে কেমন ছিলাম আর এখন কেমন আছি। কেমন সমাজ ছিল, অনুভূতি ছিল, ছিল ভালোলাগা সবই আছে এই উপন্যাসের বাঁকে বাঁকে।
Bahata Jiboner Bake by Parthasarathi



