“কুড়িয়ে পাওয়া ছায়া – ইসরাত জাহান” has been added to your cart.
View cartNew25% Off


Highlights:কেউ কেউ নিরন্তন হেঁটে চলে। চলতে চলতে মুখোমুখি হয় অগুনতি মানুষের। যাদের ছায়া দীর্ঘ অথবা হ্রস্ব। ছায়া পেরিয়ে ঐসব মানুষের প্রকৃত নাগাল পাওয়ার চেষ্টাও থেমে থাকে না।
প্রাগৈতিহাসিকের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে সে-ই সন্ধান মানিক বন্দোপাধ্যায়ই হয়তো শুরু করেছিলেন। এরপর আরও অনেকেই ঐ পথ অনুসরণ করেছে। দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তিতে কখনও কখনও ছায়ার ওপারের মানুষকে অস্বীকারও করা হয়েছে। ঘোষিত হয়েছে, ‘থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার।’ অন্ধকারের ফ্রেমে যদিও এভাবেই তারা অবয়বহীন থেকেছে, তবু লীন হয়ে যায়নি।
‘কুড়িয়ে পাওয়া ছায়া’ সেইসব অবয়বহীন মানুষের গল্প, যেখানে গল্প নির্মাণে অন্ধকার মূখ্য হয়ে উঠলেও আলোকে অস্বীকার করা হয়নি।
Kuriye Pauya Chaya - Israt Jahan
25% Off


Highlights:সম্পর্কে জড়ানোর জন্য অভিকর্ষ বলের কোনোই দোষ নেই।
— আলবার্ট আইনস্টাইনক
কথাটি হয়তো এই মহান বিজ্ঞানী মজার ছলে বলেছিলেন। আসলে একজন মানুষ জন্মের পর ধীরে ধীরে তার কাছের মানুষগুলোকে চিনতে শুরু করে। তারপর সে দূরের সম্পর্কগুলোকে জানার চেষ্টা করে। কাছে দূরের এই যোজন বিয়োজনের পারস্পরিক ক্রিয়ার রসায়নে একটা সময় হয়তো কোনো সম্পর্ক মধুময় হয়ে ওঠে, কখনো বা তিক্ত। আবার এই তিক্ত সম্পর্ক সৃষ্টির নিয়ামক হয় মানুষের লোভ, শঠতা ও অহংকার। মাঝেমাঝে কিছু সম্পর্ক সামাজিক বিধিনিষেধের গোলকধাঁধায় পড়ে আবার নিষিদ্ধও ঘোষিত হয়। সেই সম্পর্কেগুলোর হয়তো কোনো নামও হয় না। অথচ নামহীন এমন সম্পর্কের ভার সারা জীবন মনে ভেতরেই থেকে যায়।
মানুষের বৈচিত্র্যময় আন্তঃসম্পর্কের পাপপুণ্যের পরিধি বিশ্লেষণ করে লেখক ‘নিমপাতার পাকোড়া নিষিদ্ধ আলিঙ্গন’ গল্পগ্রন্থে সেইসব নিষিদ্ধ সম্পর্কগুলোকেই আলিঙ্গনের চেষ্টা করেছেন। শুধু মানবিক সম্পর্কের পূর্বাপর অন্বেষণ নয়, সামাজিক অবক্ষয় আর বিচ্ছিন্নতাও এই গল্পগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
Nimpatar Pakorar Nishiddho Alingon