ক্ষমা মাহমুদ

ক্ষমা মাহমুদ

জন্ম যশোর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। শিক্ষক মা ও মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক বাবার সন্তান হিসাবে ছোট থেকেই একটা সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বেড়ে উঠেছেন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে পেশাগত জীবন শুরু করলেও কর্পোরেট জীবন একেবারেই টানেনি। বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক সংস্থায় কাজ করেছেন দীর্ঘদিন, সেই সূত্রে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ গ্রামীণ অঞ্চল ও বস্তিবাসী সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সংস্পর্শে যাওয়ার ও তাদের জীবনকে নানাভাবে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে। পাশাপাশি এক দশকের বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ বেতারে সংবাদ পাঠক হিসাবেও কাজ করে যাচ্ছেন।

ছাত্রজীবনে নানাবিধ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকলেও পরবর্তীতে পেশাগত ও ব্যক্তিজীবনে ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে বর্তমানে ছোটগল্পের মাধ্যমে আবারও লেখালেখির জগতে বিচরণ শুরু করেছেন। দুই বাংলার বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায় নিয়মিত তার ছোটগল্প ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত হচ্ছে।

এটি তার প্রথম গল্পগ্রন্থ।

ক্ষমা মাহমুদ
Show:
Filter
25% Off

কুনাফার শহরে – ক্ষমা মাহমুদ

Highlights:

ভ্রমণকাহিনি কেবল কোনো জায়গার প্রকৃতি বা রূপ বর্ণনাই নয়, তার সঙ্গে অনুপান হিসেবে থাকতে হয় জায়গাটার ইতিহাস-ঐতিহ্য, মানুষ এবং তাদের জীবনযাপনের সুলুক-সন্ধানও। তবে তথ্য বা ইতিহাসের অনুপাত কতখানি হবে, তারও রয়েছে কিছু অলিখিত হিসাব। তথ্য-উপাত্ত এবং সাহিত্যরসের ভারসাম্য রক্ষা করে একটা উপাদেয় ভ্রমণবৃত্তান্ত উপস্থাপন করার ক্ষমতা একজন কুশলী ভ্রমণলেখকের বিরল গুণ। এই বইতে এসব উপাদান ও রসে জারিত সাতটি ভ্রমণগল্প পাঠককে নিয়ে যাবে জর্ডানের ইতিহাসের অলিগলিতে যেখানে থমকে আছে হাজার বছর আগের সময়, যার পরতে পরতে পাওয়া যাবে নানান জানা-অজানা তথ্য।
গ্রেকো-রোমান সময়ে জর্ডানের রাজধানী আম্মানের নাম ছিল ফিলাডেলফিয়া, আরব দেশ হলেও জর্ডানে যে একসময় গ্রিক রোমানদের জবরদস্ত উপস্থিতি ছিল-সেসব নিদর্শনের সুস্বাদু বর্ণনা ও ইতিহাস পাওয়া যাবে এই বইতে। নরম হলুদ গমের মতো মিঠে রোদমাখা আরাম পাওয়া যাবে ওয়াদিরাম মরুভূমিতে যাযাবর বেদুইনদের ঘরবাড়ি আর জীবনযাত্রার অনুপুঙ্খ বর্ণনায়। আবার পাওয়া যাবে একই মরুভূমিতে তাঁবুর ভেতর রাতের তারা দেখে রাত কাটানোর বিরল অভিজ্ঞতাও। প্রাচীন রূপকথার মতো অবিশ্বাস্য সুন্দর পাথুরে নগরী পেত্রার ভেতর ফারাও রাজাদের ধন ভান্ডারের দরজাও যেন খুলে যাবে বর্ণনার মুনশীয়ানায়। জর্ডানের মৃত সাগরের জীবন্ত বর্ণনার সঙ্গে এই সাগরটি সম্পর্কে বহু মিথ ভেঙে দিয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি বর্তমান যুগের বাণিজ্য-আগ্রাসনে এই বিচিত্র সাগর যে ক্রমে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে লেখকের উদ্বেগের আভাসও পাওয়া যাবে এই বইতে।

Kunafar Shahore - Khama Mahmud

$ 5.16
25% Off

সমুদ্রের কাছে দুঃখ জমা রাখি – ক্ষমা মাহমুদ

Highlights:

ক্ষমা মাহমুদ মানুষের জীবনের কাহিনী শিল্পে বুনন করেন। বুনতে বুনতে সেই কাহিনীর কথা গল্পে বয়ান করেন।এভাবেই তার অন্তর্গতবোধ এবং জীবনাভিজ্ঞতা গোটা এক একটা জীবন হয়ে কাহিনীর শরীরে লেপ্টে গল্প হয়ে ওঠে। শিল্প সৃজনে এখানেই তিনি একান্ত নিজস্ব। নিজের পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে ব্যক্তি ক্ষমা তখনই শিল্পী হয়ে ওঠেন, যখন তীব্র অ‌নুভূতি, অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে খোলা চোখে দেখা পৃথিবীটা শিল্প হয়ে মন ও মননের জগতে ঠাঁই করে নেয়। তার শিল্প ভুবনে ভীড় করা মানুষগুলোর মধ্যে বারবার কথা কয়ে ওঠে প্রধাণত নারী । শিল্পী ক্ষমা নারীর কথাই ভাবেন বেশি; দেখেন-দেখাতে চান নর নারীর পারস্পরিক যোগ-বিয়োগের নির্মাণ-বিনির্মাণের জগত। সবশেষে,ভাবেন, নারী কী তবে জাগতিক, মনোদৈহিক শেকলে সম্মোহিত এক সত্ত্বা-ই শুধু? যে কেবল জীবনের চারপাশে ঘুরে বেড়ায় জীবনের স্বাদ-সাধ স্পর্শ করার কী এক বাসনায়! সেই আকাঙক্ষার বিচিত্র জীবনকথার সারৎসার নিয়েই তার সৃষ্টিকথা ‘সমুদ্রের কাছে দুঃখ জমা রাখি!’ যে সঞ্চিত বেদনায় শেষপর্যন্ত ব্যক্তির সকল প্রত্যাশা-প্রয়াস ছাপিয়ে সত্য হয়ে সামনে দাঁড়ায়, হলুদ খামে অন্তরীণ অপার এক জীবনবোধ! সে মৃদু হেসে বলে, হে মহাজীবন, আমিই সত্য!

সমুদ্রের কাছে দুঃখ জমা রাখি - Samudrer Kache Dukkho Joma Rakhi

$ 2.91
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart

Shopping cart is empty!

Continue Shopping