Description






$ 3.53 $ 4.71


| Weight | 0.295 kg |
|---|---|
| Published Year |
একটা বিড়াল ছানা
কিভাবে সবার মন জয় করে একটা পরিবারের সদস্য হিসাবে নিজেকে মানিয়ে নেয় তাই প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এই গল্পে।
ক্লাস সিক্স পড়ুয়া নীলার বাবা বাদামী রংয়ের ঠোঙায় করে কদম ফুলের মত একমুঠ পরিমান বিড়ালছানা নিয়ে এলেন। সেই সুন্দর বিড়ালছানার মজার মজার সব কান্ডকারখানা এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। বিড়ালের নামকরণ বিশ্লেষণ, মেহমান মুদ্রাদোষ বশতঃ পা নাড়লেই পাক্কা শিকারীর মত বিড়ালছানার সেই পা জাপটে ধরা, বিড়ালের উলের বল নিয়ে খেলা, ক্যালকুলেটর টিপে ভিতরের সংখ্যাগুলোর নড়াচড়া অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখা ইত্যাদি খুটিনাটি কিছুই বাদ পড়ে নি লেখিকার চোখ থেকে। একজন শিশুর চোখেই তিনি পুরো বিষয়টা দেখেছেন।
ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সুদীর্ঘ কাল চাকরি করার সুবাদে মজার মজার অভিজ্ঞতা তিনি প্রায়ই শেয়ার করেন। লেখিকা বাচ্চাদের চাইল্ড সাইকোলজি বেশ ভালো ভাবেই বুঝেন। গল্প লিখতে গেলে একজন শিশুর চোখেই বিষয়টা দেখার চেষ্টা করেন।
বিড়াল ছানা স্ন্যাফার
একটা কুঁড়েঘরের সামনে অবশেষে এসে থামে তনু। মানে ওকে থামানো হয়। চোখ মেলে দেখে-ওই কুঁড়েঘরের দরজায় বসে আছে অদ্ভুত এক মানুষ। তিনটে মাথা তার। তিনটি মাথাই দেখতে একই রকমের। মুখ ভর্তি সাদা দাঁড়ি। ভীষণ ভয় করে তনুর এমন অদ্ভুত মানুষ দেখে। তখন তিনটি মাথা একই সঙ্গে তনুকে লক্ষ্য করে বলে ওঠে,
‘ভয় পেয়ো না। আমিও তোমাদের মতোই মানুষ। তবে একটু আলাদা। আমি জানি তুমি তনু। তুমি গান জানো। নাচতে জানো ভালো। তুমি ভালো মেয়ে। তোমাকে আমিই এনেছি। আমার নিঃশ্বাসের বাতাসই তোমাকে টেনে এনেছে। ভয় নেই। তোমার কোন ক্ষতি করবো না’।
লোকটার কথা শুনে ভয়টা একটু কমে তনুর। বলে,
‘কিন্তু কেন? আমাকে তোমার কী দরকার? আমি বাড়ি যাবো। আমাকে যেতে দাও। সন্ধ্যা নেমে আসছে। বাবা, মা আমার জন্য ভাবছে।’ তিন মাথার লোকটি হেসে বলে,
‘তুমি তো এখন যেতে পারবে না মা। আমার কাজ আগে শেষ হোক। তার পরেই তোমার ছুটি।’ তনু জানতে চায়,
‘কী কাজ তোমার? না করলে কী করবে?’ তিন মাথা লোক গম্ভীর হয়ে বলে,
‘কাজটা খুব সহজ। চেষ্টা করলেই পারবে। এক জাদুকর অনেক দিন আগে আমাকে এখানে রেখে গেছে। তার কথা শুনিনি বলেই আমার এই অবস্থা।
Tin Mathar Sei Manushta by Raahman Wahid
তো গল্পটা কী? দাদু শাকিলকে বলেছিলেন- একটা মস্ত বড়ো ভূত প্রতি মঙ্গলবার রাত ঠিক বারোটায় এসে এই দুটো খেজুর গাছের মাথার ওপর দুদিকে দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর লম্বা হাত বাড়িয়ে সবাইকে ডাকে বন্ধু হওয়ার জন্য। কার বুকে এত সাহস যে, ভূতের বন্ধু হবে? কেউ ওর ধারে কাছেও যায় না। তখন ভূতটার খুব রাগ হয়। সে তখন হাত দুটোকে লম্বা বানিয়ে ফেলে আর যাকে সামনে পায় তাকেই ধরার চেষ্টা করে। দাদু আবার এসব ভূতে-টুতে ভয় পান না। তিনি লম্বা একটা তলোয়ার নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন ওই হাত দুটোকে কেটে ফেলার জন্যে। যেই না দাদু হাত দুটোকে কাটতে যান, অমনি ভূতটা ভয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। এভাবেই চলছিল। কিন্তু দাদুটা বছর খানেক আগে হঠাৎ করে মারা গেলেন। তারপর থেকে আবারো সেই ভূত সেই মঙ্গলবার রাত বারোটায় একইভাবে দুই গাছের ওপর দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর ডাকে। কেউ দেখতে পায়, কেউ পায় না। কিন্তু ওই রাতে সবারই গা ছমছম করে ভয়ে। মাঠের দিকে কারো ঘরের জানালাই তখন খোলা থাকে না। এই হলো গল্পটা। অনু যতই শুনছিল ততই ভয়ে ঘামছিল। পরীক্ষায় এত যে ভালো রেজাল্ট করেছে সে- ভুলেই গেল সেটা। বাড়ি ফিরেও কিছুতেই ভয়টাকে তাড়াতে পারে না। ভয়ের কথাটা কাউকে বলতেও পারছে না সে। সবাই ওকে ভীতু বলবে- সেই লজ্জায়।
Khejur Gache Vuter Pa - Raahman Wahid, খেজুর গাছে ভূতের পা - রাহাম ওয়াহিদ
এখানে স্বাভাবিক কিছু নেই, আছে পাওয়া-না পাওয়ার হাহাকার, টানাপোড়েন। জায়গাটার নাম দৌলতদিয়া। এখানকার একটি মেয়ে তারা। অন্য সবার মতোই টিকে থাকতে গিয়ে ওর জীবনেও আছে কিছু দুর্বিনীত সংগ্রাম। এর মাঝে ছেলের জন্ম দেয় মেয়েটি, শুরু হয় নতুন টানাপোড়েন। এত সংগ্রাম-লড়াইয়ের মাঝেও ছেলের মানুষ হওয়ার স্বপ্নে মেয়েটি মরিয়া হয়ে ওঠে। জীবনে যা অবশিষ্ট ছিল সেটুকুও বিসর্জন দিতে একবিন্দু পিছপা হয় না। ছেলেকে পড়াতে গিয়ে কারও পায়ে পড়তেই দ্বিধা করেনি।
ছেলেটিও মেধাবী। মায়ের বুকের লালিত স্বপ্ন এবং সমাজের দশজনের সহায়তায় ছেলেটি বিদেশে গিয়ে লেখাপড়ার শেষ ধাপ পিএইচডি-ও খুব সাফল্যের সঙ্গে অতিক্রম করে। দেশে ফিরে এসে ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। মায়ের দোয়া ও নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ছেলেটি হয়ে ওঠে সমাজের মূর্তিমান গর্ব। তবে ছেলেটির ভেতরে ছিল আত্মসম্মানবোধের ভীষণ ঘাটতি। অধিকারের সঙ্গে প্রাপ্তিকে গুলিয়ে ফেলতে ওর সময় লাগে না। একে ওকে ডিঙিয়ে সবকিছু কেড়ে নিতে ছেলেটি ভিড়ে যায় আত্মসম্মানহীন এক শিক্ষক চক্রের সঙ্গে। প্রাপ্তির আনন্দে বুঁদ হয়ে পড়ে থাকা ছেলেটির পক্ষে বোঝা সম্ভব হয় না শিক্ষার সুউচ্চ সম্মান।
গল্পের শেষে বলা যাচ্ছে না দৌলতদিয়ার মেয়েটি নিজের জীবনে সফল নাকি ব্যর্থ। স্বাভাবিক জীবনে গিয়ে ওর ছেলেটি মানুষের মতো মানুষ হবে এই ছিল একমাত্র চাওয়া। সফলতা আর চাওয়া-পাওয়ার হিসাবটা এড়িয়ে যেতে পারলে নির্দ্বিধায় বলা যায় মেয়েটি ছিল একজন মা, একজন পার্থিব নারীর একমাত্র অপার্থিব পরিচয়।
Maa by Bilekasaa
শিশুদের জন্য সহজ সরল ভাষায় লেখা বিভিন্ন দেশ ও জাতির ১০ টি রূপকথা উপকথা শ্রেণির গল্প রয়েছে বইটিতে। ‘তিন হাজার সোনার মোহর’ গল্পে পারস্য দেশের এক গরীব জেলের বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে পারস্যের শাহ খসরু তিন হাজার সোনার মোহর জেলেকে পুরস্কৃত করেন।
‘ মায়ের হাসি’ আফ্রিকার এবং ‘সারসের পা কেন লম্বা’ উত্তর আমেরিকার উপকথা। ‘স্কীর গল্প’ ফিনল্যান্ডের উপকথা। ‘এক যে ছিল ডাইনী’ গল্পে দুষ্টু শীত বুড়িকে পরাজিত করে প্রকৃতিতে বসন্ত আগমনের গল্প। ‘হাতি কি বোকা’ এক চালাক খরগোসের কাছে এক দুষ্টু হাতির পরাজয়ের গল্প। ‘সমুদ্রের পানি লোনা কেন’ হিংসা ও লোভীর পরিণতি যে ভালো হয় না, এ তারই গল্প। কাজ না করে সারাদিন মজা করে বেড়ালে তার ভবিষ্যৎ যে ভালো হয় না ‘কুটুসের গান’ পড়ে তোমরা তা বুঝতে পারবে। আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে একটি বাসের আত্মত্যাগের গল্প ‘একটি বাস ও শিপুর গল্প’। প্রতিটি গল্পে শিক্ষনীয় বার্তা আছে, যা শিশুদের মানবিক গুণ বিকশিত হতে সহায়তা করবে।
Teen Hajar Sonar Mohor by Ansar Uddin Ahmed
বইটির সকল গল্প বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ইতোপূর্বে প্রকাশিত। শিশু, কালের কণ্ঠ, ইত্তেফাক প্রভৃতি পত্রিকায়। সবগুলি গল্পে মানুষের সাথে অন্য প্রাণীর নানাবিধ সম্পর্ক, বিশেষত বন্ধুত্বের সম্পর্ক দেখাবার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্য প্রাণীদের কাছাকাছি যেতে পারলে, কিংবা তাদের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে পারলে, তারাও মানুষের অনেক কাছের বন্ধু হতে পারে। সেটা বোঝাবার চেষ্টাও এখানে আছে। প্রতিটি গল্পে ফুল, পরি এবং প্রজাপতি কোনো না কোনোভাবে রয়েছে। তাই বইটির এই নাম দেয়া। তবে এক্কেবারে ঐ নামে কোনো গল্প এই বইয়ে নেই। এই গল্পগুলি পড়ে কখনো মনে হতে পারে, হয়তো কোনো রূপকথার গল্প। আসলে তা নয়। এগুলি নিছক রূপকথা নয়। ছোটোরা যখন পড়বে, তাই সম্ভব হলে বড়োরা তাদের বুঝিয়ে দেবে গল্পে কী বলতে চেয়েছে এবং এখানে আসল গল্পটি কী কিংবা সমস্যা কোথায়। সেই আলোচনায়, টিকে থাকবে আমাদের আর শিশুদের কল্পনা। সবার ভবিষ্যৎ। একটি সুন্দর পৃথিবী স্বপ্নময় হয়ে উঠবে সকলের ভালোবাসায়।
Ful, Pori ar Projapoti - Shah Nister Jahan
ছোটদের যেমন বড় হতে ইচ্ছে করে, বড়দেরও তেমন ছোট হতে ইচ্ছে করে। আসলে প্রতিটি বড় মানুষের মাঝেই ছোট একটি মানুষ থাকে। কিন্তু বড় মানুষেরা সহজে তাদের ভেতর থাকা সেই ছোট মানুষটাকে বাইরে আনতে চায় না। তবে একটি পরিবেশে পড়ে গেলে ঠিকই বড় মানুষের ভেতরের ছোট মানুষটি অবলীলায় বাইরে চলে আসে। বিশেষ করে বড়রা যখন ছোটদের কাছে আসে। তখন তাদের মনে হয়, আবার সবকিছু ছোটদের চোখে দেখতে! ছোটদের চোখে দেখা এই পৃথিবীটা যেমন নির্মল, তেমনি স্বচ্ছ আর রঙিন। মনে হয় ছোটদের চোখের দৃষ্টিটা ধরে রাখতে পারলে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর লাগত। বড়রা চাইলে নিজের জীবন থেকে ছুটি নিয়ে চলে যেতে পারে ছোটদের জীবনে। বলতে গেলে বড়দের জন্যেই এই বইটি! তবে বইটি পড়ে ছোটরাও আনন্দ পেতে পারে, যদি বইটি পড়ার সময় ওর পাশে বড় কেউ থাকে। আরো ভালো হয়, যদি বড় কেউ বইটা পড়ে ছোটদের শোনায়, তখন চাইলে গল্পগুলো নিজের মত করে ছোটদের বুঝিয়েও দিতে পারে।
আমাদের মিনু - Amader Minu
১৯৫২ থেকে ১৯৭১ আমরা বাঙালিরা চরম চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে পেয়েছি লাল-সবুজ পতাকা। বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটি স্থান করে নিয়েছে সগৌরবে। যাঁদের নিঃস্বার্থ অবদানের জন্য আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি তাঁদের ঋণ কখনো শোধ হবার নয়। তাঁদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। আমার এই বইটি লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো গল্পের মাধ্যমে সেই মহান ব্যক্তিদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার ঘটনা, ভাষা আন্দোলন, গণ আন্দোলন, পঁচিশে মার্চ, তাদের জন্য নির্মিত শহিদ মিনার, স্মৃতিসৌধ আরো নানান ঘটনা পাঠকের কাছে তুলে ধরা। আশা করছি ছোটো-বড়ো সকল পাঠকের গল্পগুলো ভালো লাগবে।
Ei Reen Shodh Hobe Na - Jonaki Dutta
তখন আমি ক্লাস সেভেনে। একটি ছেলের সাথে আমার গাঢ় বন্ধুত্ব। টিফিনের টাকায় খাবার কিনে দুজনেই খাই। সেও আমাকে খাওয়ায়। একদিন সে প্রস্তাব করল, ‘আমাদের বাড়ি চলো।’ আমি সানন্দে রাজি হলাম। প্রথমত, নতুন নতুন বাড়ি যাওয়া আমার শখ। দ্বিতীয়ত, খাওয়ার লোভ। বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছি না খাইয়ে ছাড়বে না। সে আমাকে তাদের বসার ঘরে এনে বসালো। আমি সপ্রতিভ হয়ে বসলাম। সে ভেতরে চলে গেল। নিশ্চিত খানিক বাদেই প্লেট ভর্তি খাবার এনে আমার সামনে হাজির হবে। কিন্তু অল্প পরেই বন্ধু খালি হাতে ফিরে এলো। বিষণ্ন মুখে বলল, ‘মা বাড়িতে নেই। তোমাকে কিছু খাওয়াতে পারলাম না।’ এই বলেই সে আবার গেল ভেতরে। ফিরে এলো একটি বই হাতে। বইটি আমাকে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘এটা নিয়ে যাও।’ যেন আমাকে খাওয়াতে না পারার দুঃখ ভোলানোর চেষ্টা করছে সে। গল্পের বই হাতে আমিও বিষণ্ন মনে বাড়ি ফিরি। সেদিনই প্রথম গল্প পড়া শুরু। পড়তে পড়তে আমি অভিভূত আর অবাক। গল্প এতো মজার হয়! বন্ধুর বাড়িতে খেতে না পারার দুঃখ ভুলে গেলাম। ঠিক করলাম একদিন আমিও বড় হয়ে গল্প লিখব। আজ আমি হাতে পায়ে বড় হয়েছি, কিন্তু শিশু-কিশোরদের বই পড়া আজও ছেড়ে উঠতে পারিনি। ভবিষ্যতেও পারব না। এই বইটিতে আমার লেখা ভূতের গল্পগুলো তোমাদের ভালো লাগুক। এই প্রত্যাশা।
– লেখক
Borsha Eley Vutta Ase - Jewel Ashraf
বিজ্ঞানের যে কোনও বিষয়ে আমি খুবই কৌতূহল বোধ করি ! আমি একজন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার! আমি কয়েক দশক ধরে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামরিক বাহিনীতে কাজ করি। আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণ করতে আমি যথেষ্ট পরিমানে সীমাবদ্ধতা বজায় রাখি ! এখানে আমার কাজ হলো এন্ড-টু-এন্ড বিশ্লেষণ এবং কিরকিসিয়া যুদ্ধে মূলত মিলিশিয়া এবং জয়েন্টফোর্সের মধ্যে লড়াইয়ের খুঁটিনাটি তোলে ধরা। তার আগে সাইবার হামলা নিয়ে চালু একটি জোকসটি বলে আমি যুদ্ধের বর্ণনায় যেতে চাই । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সাথে পারমানবিক চুক্তি থেকে সরে গিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে “আক্রমণাত্মক” সাইবার হামলার অনুমোদন দিলেন ।অনুমোদন দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে তিনি তার জেনারেলদের ফোন করলেন ।জেনারেলের দিকে চিৎকার করে বললেন ,”আক্রমনের খবর কি?”
জেনারেল বললেন,”আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি স্যার।”
ট্রাম্প ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমরা সৈন্য পাঠাচ্ছি না?”
জেনারেল বললেন, “কিন্তু..কিন্তু…স্যার, এটা সাইবার স্পেসের মাধ্যমে একটি আক্রমণ..”
ট্রাম্প বললেন, “আপনি কি মনে করেন আমি স্টুপিড প্রেসিডেন্ট??” ………
সাইবার যুদ্ধের পাগলা ঘোড়া
এই বইটি প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে মূলত: আমার শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণায়। অনেক দিন ধরে ওরা আমাকে ভূতের গল্প লেখার জন্য উৎসাহ দেয়। দশটা গল্পের মধ্যে চার পাঁচটার মতো গল্প পত্রিকা ও শিশু সাহিত্য গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। এখানে প্রতিটি গল্পে শিশু কিশোরদের ঠাকুরমার কাছে ভূতের গল্প শোনা, ভূতকে নিয়ে কল্পনা করা, একাকিত্বে ভূতকে সঙ্গী মনে করা, ভূতের লেখাপড়ায় আগ্রহ, পরীর সাথে ভূতের বন্ধুত্ব, বাসাবাড়িতে ভূতের আতঙ্ক, বল আনতে গিয়ে ভূতের কবলে পড়া, করোনা কালীন সময়ে শ্মশানে লাশদের আহাজারি, শাকচুন্নী ও মেছো ভূতের গল্প, ভূত মামার সাহায্যে ফল খাওয়া সহ আরো নানান চমকে দেয়ার মতো কাহিনী সহজভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আশা করি এই গল্পগুলো পাঠকদের মনে রেখাপাত করবে। ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও এই গল্পগুলো পড়ে উপভোগ করবে।
Vuter Kabole Ora Tinjon by Jonaki Dutta
তিরিশ বছর ধরে মিনুকে দেখছি। ও আদ্যপান্ত কবি। মার্কসবাদী বলা যাবে? সমাজবাদী তো বটেই! গল্পে ওর ক্যারিশমা সত্বেও ওকে আমি কবিই বলি। হ্যা, কবিতা নিয়েই ওর বেড়ে ওঠা, যে কোন আদর্শবাদীতা খারিজ করে, হাইপাররিয়ালিস্ট দার্শনিকতার আবহে, একাগ্র ঔদ্ধত্যে। এই কবিতাগুলো সামগ্রিকভাবে মিনু মৃত্তিকের ‘ষষ্ট’ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। পূর্বের কাব্যগ্রন্থগুলোর সঙ্গে এর মৌলিক পার্থক্য খুঁজতে গেলে বড় আকারের উল্লম্ফন অনুভূত হবে না। তবে রূপের বৈচিত্রে ও গন্ধে আলাদা এক ভাললাগা পাঠকের ইন্দ্রিয়ে নিশ্চিত সঞ্চারিত হবে, একথা বলা যায়। মিনু ক্রমাগত নিজেকে আবিস্কার করে চলেছেন, নাস্তিতে অথবা অধিবিদ্যক প্রেতাত্মার বিকর্ষণে! নিজেকে নিয়ে সর্বগ্রাসী ঠাট্টা আর নিজেকে ভেঙে চলেছেন তীব্র সংরক্ষণহীনতায়, অস্বীকারও করছেন নিজেকে। এভাবে তৈরি হচ্ছে তথাকথিত আধুনিকতার প্রভাববলয়ের বাইরে ওর নিজস্ব আগুনপথ, যে বিষম আর উদ্ভট মাল্টিকালচারাল পথে নেমে আমরা হতবাক হয়ে যাচ্ছি, হোঁচট খাচ্ছি, বিরক্ত হচ্ছি। আলটিমেটলি মিনু এটাই চান হয় তো–এই অরাজকতায় উশকানি দেওয়া, ‘সত্যে’র প্রতি চোরা অবিশ্বাস তৈরি করা! অমরত্ব মিনুর কাছে তাচ্ছিল্যের ব্যাপার। কিন্তু যে ভাষা-ভায়োলেশান মিনু আমাদের কবিতায় চারিয়ে দিয়েছেন সেটাকে পাঠক সম্ভবত ইগ্নোর করতে পারবেন না।
শিশির আজম, কবি
০৫-০৭-২০২২ খ্রীঃ
প্যারাডাইস এক্সপ্রেস - Paradise Express
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.





There are no reviews yet.