Article (প্রবন্ধগ্রন্থ)

Article (প্রবন্ধগ্রন্থ)
Show:
Filter
25% Off

প্রবন্ধ সংগ্রহ- ২ – উদয় শংকর দূর্জয়

Highlights:

উজ্জ্বল বোতামের মত উজ্জ্বল উদয় শংকর দুর্জয়। পরিশ্রমী, বিনয়ী এবং উপকারী। তেরোটি চমৎকার উজ্জ্বল প্রবন্ধ দিয়ে সাজানো ওর বই – প্রবন্ধ সংগ্রহ-২। এই গ্রন্থের প্রথম প্রবন্ধ ‘বই সৃজনশীল মননের চিরকালীন সঙ্গী।’ সেখানে ও বলেছে বই কেন পড়বো, কবে থেকে পড়ছি, এবং কেন কেউ কেউ বই পড়েনা। এখানে আছে লেখক ও কবির কথা। তাদের নানা দিক। যেমন আছেন আবদুলরাজাক গুরনাহ, তেমনি আছেন মধ্য প্রাচ্যের দারবিশ। আছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ এবং আমাদের ভালোবাসা সত্যজিত রায়। বই সম্পর্কে জে কে রোলিংএর মন্তব্য “বই পড়তে তোমার যদি ভালো না লাগে তাহলে বুঝতে হবে তুমি ঠিক বই পাওনি।” তার মানে বই পড়তে ভালোলাগা আমাদের রক্তপ্রবাহের ভেতর থাকে। থাকে মননে ও মস্তিষ্কে। দুর্জয়ের প্রবন্ধ সেই মনন ও মস্তিষ্কে অনু-রণন সৃষ্টি করার মতো। দুর্জয়ের বর্তমান বই সকলেরই ভালো লাগবে এই আমার বিশ্বাস। এ বই হবে আমাদের বন্ধু। ঠিক দীর্ঘদিন ধরে উদয় শংকর দুর্জয় যেমন এই বৃদ্ধার বন্ধু।

কথাসাহিত্যিক সালেহা চৌধুরী
লন্ডন

Probondho Songraho- 2 - প্রবন্ধ সংগ্রহ- ২

$ 3.09
25% Off

অনুধ্যানে নিবিড় পাঠ ও অন্যান্য – নাহার আলম

Highlights:

নাহার আলমের গদ্যভাস্কর্যের ভেতর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শওকত আলী, আল মাহমুদ, হাসান আজিজুল হক, রিজিয়া রহমান, হুমায়ূন আহমেদ, হেলাল হাফিজ, আব্দুল মান্নান সৈয়দ এবং সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জীবন ও কর্মের যৌক্তিক বিশ্লেষণসহ কবিতার সেকাল-একাল, মৈমনসিংহ গীতিকা-বিধৃত লোকায়ত জীবন, মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান ও ছোটোকাগজের সম্ভাবনা সম্পর্কিত বীক্ষা দ্যুতিময় হয়ে উঠেছে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পুতুল নাচের ইতিকথা-য় গাওদিয়া তথা পূর্বতন বিক্রমপুরের গ্রামীণ জীবনপ্রবাহ ও নিসর্গের অন্তর্লীন রূপকে বর্ণময় করে তুলেছেন। নাহার আলম এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শশীর প্রেম, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং বৃষ্টি-ডোবা মশক অধিকৃত পল্লি জীবনের জটিলতা ও গভীরতা উন্মোচনে প্রয়াসী হয়েছেন। শওকত আলীর রচনা বিশেষত তাঁর উপন্যাস ও গল্পে স্ফুরিত প্রাকৃতজনের দর্শন, ব্রাত্য জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব-সংকট, নরনারীর হিংস্রতা, মধ্যবিত্তশ্রেণির যাপনপ্রক্রিয়া, নৈঃসঙ্গ্যচেতনা ইত্যাদি বিষয়ে প্রাবন্ধিক আলোকপাত করেছেন। আল মাহমুদের বহুমুখী প্রতিভা সত্ত্বেও তাঁর কবিখ্যাতিকে প্রাবন্ধিক সমধিক গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছেন। তাঁর বিশ্লেষণে প্রতিভাত হয়েছে, হাসান আজিজুল হক চেতোমান সত্তা দিয়ে প্রান্তিক মানুষের জীবনচিত্র নিপুণভাবে অঙ্কন করেছেন। রিজিয়া রহমানের ছোটোগল্পের সামগ্রিক পর্যালোচনায় প্রাবন্ধিকের তন্নিবিষ্টতা উল্লেখ্য। দ্রোহ-প্রেম-বিরহের কবি হেলাল হাফিজের প্রতি প্রাবন্ধিক জ্ঞাপন করেছেন সহমর্মিতা। তিনি কবি ও লেখক হিসেবে আব্দুল মান্নান সৈয়দের বহুমাত্রিক প্রতিভার সমুজ্জ্বল পরিচয় তুলে ধরেছেন। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘আজগুবি রাত’ উপন্যাসে নারীর অন্তরায়ণ, কাহিনি বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রতীক-রূপকল্পের ব্যবহার, বস্তুসত্যের সাথে পরাবাস্তবতার মিশ্রণ-কৌশলের ভেতর প্রাবন্ধিক আবিষ্কার করেছেন শিল্পকিরণ। পাঠকের চেতনায় নাহার আলমের অনুধ্যান প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্বাস করি।

গৌরাঙ্গ মোহান্ত
কবি ও গবেষক

Anodyane Nibir Path O Anyanyo

$ 3.00
25% Off

PRACHIN BANGLAR PORAMATI-FALAKSHILPA O ANNANNO - প্রাচীন বাংলার পোড়ামাটি-ফলকশিল্প ও অন্যান্য

$ 7.06
25% Off

শামসুদ্‌দীন আবুল কালামের কথাসাহিত্য : জীবনবোধ ও শিল্পরূপ – জাহিদা মেহেরুননেসা

Highlights:

লেখকের কথা-

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সারির কথাসাহিত্যিক হিসেবে ড. শামসুদ্‌দীন আবুল কালাম একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। তিনি আমার একমাত্র মামা, বিষয়টি আমার অহংকার, গর্ব এবং উত্তরাধিকারের। জন্ম থেকেই দেখেছি তার সাহিত্যকর্ম এবং ব্যক্তিজীবনের চরম বেদনাদায়ক অধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অনুসন্ধিৎসু পাঠকের কাছে আগ্রহের বিষয় ছিল। মামা মারা যাবার পরে আমার মায়ের ইচ্ছায় আমি পিএইচ.ডি করার চিন্তা করি।আমার মা তার ভাইয়ের অত্যন্ত আদরের ছোটবোন ছিলেন। মামার সাহিত্যকর্ম এদেশের মানুষের কাছে উল্লেখযোগ্যভাবে আলোচিত না হলে মা খুব কষ্ট পেতেন এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত  করতেন। এ দেশের বড় বড় পত্রিকার সাহিত্যপাতায়  প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের বড় বড় সমালোচক এবং গবেষকদের সমালোচনামূলক নিবন্ধ এবং গবেষণাগ্রন্থ তিনি পড়ে দেখতেন।  কেউ কেউ মামার নাম উল্লেখ না করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের ঘরে, চায়ের আসরে অথবা নিজ বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে এটা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতেন। আমি মায়ের সেই কষ্টটা বুঝতাম। একদিন তিনি আমাকে মামার কথাসাহিত্যের বিষয়ে গবেষণা করতে বললেন, যা আমার কাছে মা আদেশ করেছেন বলে মনে হয়েছে।

শামসুদদীন আবুল কালামের বিষয়ে সে সময় গবেষণা করা ছিল অসম্ভব প্রায়। কারণ লাইব্রেরীতে তার লেখা বই, বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত  লেখা সংগ্রহ করা বেশ দুরূহ বিষয় ছিল। কেউ তার  বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য দিতে পারতেন না যেহেতু  তিনি (শামসুদদীন আবুল কালাম)  প্রায় ৪০ বছর ধরে ইটালীর রোমে প্রবাসজীবন যাপন করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি এবং গবেষণা করার শর্তসমূহ আমার কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হওয়াতে সেখানেই ভর্তি হয়ে কাজ শুরু করি। ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের ৫০০০ টাকা হিসেবে মাসিক বৃত্তি বা অনুদান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পর্যায়ক্রমে তিন বছরের ছুটির অনুমোদন লাভ করি । প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাঙলা কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে ২০০৬ এর মাঝামাঝি সময়ে বিমুক্ত হয়ে তখন থেকে কাজ শুরু করি। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার মা ২০০৮ এর জানুয়ারি মাসের ২৫ তারিখে হঠাৎ মারা যান। এতে আমার সমস্ত উৎসাহ উদ্দীপনা ধূলিসাৎ  হয়ে যায়।  এর মধ্যে ২০০৮ এ আমি প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে ইডেন কলেজে পদায়ণ লাভ করি, জয়েন করে ইউনিভার্সিটি ফেলোশিপের বৃত্তিসহ ছুটি ত্যাগ করে সেপ্টেম্বর মাসে জয়েন করে কর্মরত অবস্থায় পিএই্চ.ডির কাজটি সুসম্পন্ন  করার চেষ্টায় নিয়োজিত থাকি। ইতোমধ্যে ২৮ আগস্ট  মাস ২০১১সালে  আমার ছোট ভাই যাত্রাবাড়ী থেকে হারিয়ে যায়, যাকে আজও ফিরে পাইনি। ২০১৩র জানুয়ারি মাসের ১৫তারিখে ঢাকার উত্তরায়  আমার সর্বকনিষ্ঠ   ভাই আততায়ীদের উপর্যুপরি ছুরির আঘাতে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং সৌভাগ্যক্রমে  বেঁচে যায়।  এই সমস্ত দেখেশুনে আমার আর একটি ভাই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পারিবারিক এই বিষয়গুলি পিএইচ.ডির এই অভিসন্দর্ভ প্রকাশে আমাকে নিঃস্পৃহ করে তোলে। ১২ বছর পরে পারিবারিক রাহুগ্রস্ত অবস্থার সমাপ্তি হলে এবার আমার কর্মজীবনের সমাপ্তিকালে এই অভিসন্দর্ভটিকে আলোর মুখে আনার ইচ্ছে প্রকাশ করলে অনুপ্রাণনের কর্ণধার আবু মোহাম্মদ ইউসুফ ভাই সানন্দে গ্রন্থটি প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

শামসুদদীন আবুল কালামের কন্যা ক্যামেলিয়ার কাছে অসংখ্য অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি আছে যা এখনও প্রকাশিত হয়নি। শামসুদদীন আবুল কালামের একমাত্র জামাতা জনাব এ বি মঞ্জুর রহিম ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র সচিব এবং তৎকালীন সময়ের একজন রাষ্ট্রদূত। ২০০৫ এ তিনি জার্মানির রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখন তিনি কানাডার ক্যালগারিতে অবস্থান করছেন।

শামসুদদীনের কথাসাহিত্য: জীবনবোধ ও শিল্পরূপ শিরোনামের অভিসন্দর্ভের জন্য ২০১১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে ডক্টর অব ফিলজফি উপাধি প্রদান করে আমাকে সম্মানিত করেছে। আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আমার শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক ড. সৌদা আখতার। পরীক্ষা পরিষদের সভাপতি এবং পরীক্ষক ছিলেন আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ড. সৈয়দ আকরাম হোসেন। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শিপ্রা দস্তিদার ছিলেন আমার পরীক্ষক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দানীয়ুল হক স্যারের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তিনি এ বিভাগে ভর্তি থেকে শুরু করে সব সময় গবেষণার অগ্রগতি বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে কাজটি সুসম্পন্ন করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতা বিশেষভাবে স্মরণ করার মত।

গবেষণার সময়ে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার, ( বিশেষ অনুমতিক্রমে)। বাংলা একাডেমী, গুলশানের ইন্ডিয়ান লাইব্রেরী, ব্রিটিশ কাউন্সিল, আজিমপুর লাইব্রেরী এবং ইডেন কলেজের সমৃদ্ধ লাইব্রেরী ব্যবহার করেছি। অভিসন্দর্ভের সার্বিক মুদ্রণের দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম।

আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম মজনুর সহযোগিতা, সহনশীলতা এ কাজটি শেষ করতে বিশেষভাবে সহায়তা করেছে। আমার দুইজন সন্তান তাদের শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমার মনোযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সেজন্য আমি আসলেই অনুতাপ করছি।

ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যা এবং সীমাবদ্ধতার পরেও  ড. শামসুদ্‌দীন আবুল কালামের কথাসাহিত্যের উপর এই গবেষণাকর্মকে আমার শ্রদ্ধেয় পরমগুরু অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকরাম হোসেন স্যার মৌলিক এবং আঁকর গ্রন্থ হিসেবে মূল্যায়ণ করেছেন।এটা আমার পরিশ্রমের একটা পরিপূর্ণ স্বীকৃতি এবং সম্মান বলে আমি মনে করি।

বাংলা সাহিত্যের ছোটগল্পের ইতিহাসে শামসুদ্‌দীন আবুল কালামের গল্প একটি অসাধারণ উচ্চতায়  অবস্থান করে আছে, বিশেষ করে তার পথ জানা নাই গল্পটি যুগে যুগে এই দেশের সমাজবাস্তবতা এবং রাজনৈতিক চেতনার একটি উজ্জ্বল স্বাক্ষর যা বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জানা প্রয়োজন । এই অভিসন্দর্ভ অনুসন্ধিৎসু শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি।

শামসুদ্‌দীন আবুল কালামের কথাসাহিত্য : জীবনবোধ ও শিল্পরূপ - Shamsuddin Abul Kalamer Kothasahityo : Jibonbodh O Shilporup

$ 6.00
25% Off

প্রশিক্ষণ পরিচিতি – মোজাম্মেল হক নিয়োগী (চতুর্থ সংস্করণ, পঞ্চম মুদ্রণ)

Highlights:

প্রশিক্ষণ পরিচিতি:

প্রশিক্ষণ পরিচিতি বইটিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আর প্রয়োজন নেই হয়তো। ইতোমধ্যে এই বইয়ের তৃতীয় সংস্করণ ও চতুর্থ মুদ্রণ শেষ হয়েছে। কিন্তু প্রায় পাঁচ বছর আগে চতুর্থ মুদ্রণ শেষ হলেও বিভিন্ন কারণে চতুর্থ সংস্করণ ও পঞ্চম মুদ্রণ দীর্ঘ সময় লেগে গেল।

বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় প্রশিক্ষণ পরিচিত একমাত্র বই যেটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষকগণ ১৯৯৮ সাল থেকে ব্যবহার করে আসছেন। আরও আনন্দের বিষয় যে, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নন-ফরম্যাল এডুকেশন বিষয়ের জন্য পাঠ্য এবং কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রেফারেন্স বই হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের প্রায় সবগুলো প্রশিক্ষণ একাডেমিতেও এই বইয়ের ব্যবহার ও অন্তর্ভুক্তি রয়েছে।

কী আছে এই বইয়ে?

প্রায় সাড়ে ছয় শত পৃষ্ঠার বইটিতে প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট ষোলোটি অধ্যায় রয়েছে। একজন প্রশিক্ষক কীভাবে নিজেকে তৈরি করবেন, কীভাবে দক্ষতা বাড়িয়ে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবেন তার কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা রয়েছে। এই বইয়ে রয়েছে ৭৫টি প্রশিক্ষণ পদ্ধতিসহ বিভিন্ন কনসেপ্টের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ। যেমন- প্রশিক্ষণ, ফ্যাসিলিটেশন, শিখন, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরূপণের কলাকৌশল, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল/মডিউল প্রণয়নের তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক ধারণা, যোগাযোগ, উপস্থাপন, প্রশিক্ষণ মূল্যায়নের তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক ধারণা। প্রশিক্ষক কীভাবে একটি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করবেন এবং প্রশিক্ষণ কোর্সের পর প্রতিবেদন লেখার কলাকৌশলেরও বিশদ বর্ণনা এই বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষে রয়েছে ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত একটি সমৃদ্ধ পরিভাষা।

প্রশিক্ষণ পরিচিতি - Proshikkhon Parichiti

$ 11.03
25% Off

এসো মানুষ হই – আমিনুল ইসলাম – দ্বিতীয় মুদ্রন

Highlights:

যাপিত জীবনে ঘটে যাওয়া আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা কিংবা ঘটনা’ই হয়ত আমরা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখি না কিংবা ধরে নেই -এমন’টাই তো হবার কথা। কেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট’কে “স্যার” না বলাতে তিনি রেগে গেলান কিংবা কেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়’টির শিক্ষা কিংবা গবেষণা নিয়ে গর্ব অনুভব না করে অন্য সব কিছু নিয়ে গর্ব অনুভব করছেন? কখনো আবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছেলেটি কেবল’ই অর্থে’র পেছনে ছুটছে; সেই ছুটতে গিয়ে জীবনের একটা লম্বা সময় হয়ত পার হয়ে গিয়েছে; মাঝখান থেকে জীবন’কেই হয়ত আর উপভোগ করা হয়নি। আমাদের সবাইকে কী তবে সফল হতে হবে? সফল হতে গিয়ে চলার পথে অন্য কাউকে ফেলে দিয়ে বড় হওয়াটা’ই কি সফলতা নাকি মানুষের মতো মানুষ হলে আমরা তাকে সফল বলবো? আমাদের যাপিত জীবনের গল্প গুলো হয়ত অন্য রকমও হতে পারত। মানুষ হবার প্রবল আকুতি’ই হয়ত প্রতিফলিত হয়েছে এই বইটিতে।

এসো মানুষ হই - Eso Manush Hoi

$ 6.35
25% Off

চার গ্রহের বাসিন্দা – হাফিজ রশিদ খান

Highlights:

উৎকলিত গদ্যগুলোর চারটি পর্বে এদেশের মনন-সৃজন ও বৃহত্তর কর্মক্ষেত্রের ১২০ জন মানুষের মুখ ও মুখশ্রী আঁকা হয়েছে প্রধানত বিগত করোনাকালের ঘরবন্দি সময়ে। এখানে তাঁদের মূল অভিনিবেশ বা কৃতীকর্মের ধাতটি সংক্ষেপে ধারণের চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁরা সকলেই যে লেখকের চাক্ষুষভাবে পরিচিত ছিলেন, এমন নয়। তবে তাঁদের মধ্যে অতুলন সম্মাননীয় ব্যক্তিত্ব, যেমন : আস্হাব উদ্দীন আহমদ, বারীন মজুমদার, বাবু রহমান, মোহাম্মদ খালেদ, নুরুল আনোয়ার খান, আবদুল করিম, অনুপম সেন, শামসুর রাহমান, ওয়াহিদুল হক, সৈয়দ শামসুল হক, আল মাহমুদ, অরুণ দাশগুপ্ত, আবুল হাসনাত (মাহমুদ আল জামান), মুহম্মদ নূরুল হুদা, সেলিম আল দীন, মনসুর উল করিম, শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব, শান্তনু কায়সার, জয়দুল হোসেন, ময়ুখ চৌধুরী, মোস্তফা ইকবাল, অভীক ওসমান, সৈয়দ মহিউদ্দিন, সুভাষ দে, শুক্লা ইফতেখার, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সিদ্দিক আহমেদ, আমিরুল কবির চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন খান, হারুন-অর-রশীদ খান, মোহাম্মদ ইদ্রিছ (অদ্রীশ)- এই বয়োজ্যেষ্ঠগণের সবিশেষ স্নিগ্ধ স্নেহাশিস পাওয়ার অযাচিত সুযোগ হয়েছিল লেখকের তরুণকালে, যাঁদের অধিকাংশই আজ প্রয়াত।

সেই সঙ্গে এই গদ্যরচয়িতার লেখালেখির সমসাময়িক মহীবুল আজিজ, মামুন হুসাইন, সোহেল রাববি, শাহিদ আনোয়ার, সরকার আশরাফ, এজাজ ইউসুফী, রাশেদ মাহমুদ, মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ, খালিদ আহসান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, সেলিনা শেলী, ওমর কায়সার, খালেদ হামিদী, আকতার হোসাইন, কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আমিনুর রহমান সুলতানসহ পরবর্তী প্রজন্মের কবিতা তথা সাহিত্যকলা ও লিটলম্যাগ তৎপরতার পদাতিক– যেমন : শামীম রেজা, জফির সেতু, জিললুর রহমান, মোস্তাক আহমাদ দীন, খোকন কায়সার, ওবায়েদ আকাশ, অলকা নন্দিতা, খালেদ মাহবুব মোর্শেদ, আসিফ নূর, সিরাজুল হক সিরাজ, মামুন মুস্তাফা, শাহানা আকতার, হিমেল বরকত, ভাগ্যধন বড়–য়াসহ কয়েকজনের প্রোফাইল যুক্ত হয়েছে জীবনের পথে চলায় তাঁদের সঙ্গে যুক্ততা আর অন্তর্গত স্বপ্নময় ঈপ্সাগুলোকে যাপনের জন্যে।
বলা থাকা ভালো, এ ধারাটি এখানেই সমাপ্ত নয়। গ্রন্থের কলেবর সীমার মাঝে রাখতে এর দ্বিতীয়খণ্ডের কাজও প্রস্তুয়মান।

চার গ্রহের বাসিনা - Char Groher Basinda

$ 6.49
25% Off

মননশস্যে নজরুল- পীযুষ কান্তি বড়ুয়া

Highlights:

নজরুল চির বিরহী, চির বিস্ময়। অভিমানভরে চিরতরে দূরে যাওয়া নজরুল আবির্ভাবে ধূমকেতু কিন্তু আচরণে ঝঞ্ঝা। কখনো মুয়াজ্জিন, কখনো মক্তবের শিক্ষক। কখনো লেটোর ব্যাঙাচি, কখনো ওয়াহেদ বক্সের দোকানে রুটির কারিগর। নজরুল যেন এক অতৃপ্ত পরিযায়ী প্রাণ । কখনো বুলবুলশোকে সিক্ত, কখনো ফজিলাতুননেসায় রিক্ত।
অজয় পাড়ের নজর আলী গোমতীর তীরে বাজায় বাঁশি, নার্গিসকে বঞ্চিত করে আশালতায় আনে হাসি। তবুও সে যেন বাঁধনহারা, বুক ভরা তার রিক্তের বেদন, ঝর্ণার খরধারা। রানুর কণ্ঠে ঢালে সুর; নিজে নিরন্তর নিপাত করে অসুর। সে বাজায় অগ্নিবীণা, আগুন জ্বালে আগুন বিনা। সে গায় ভাঙার গান, অর্ঘ্য তার ব্যথার দান।
মানুষ নজরুল সংবেদী, কবি নজরুল সংহারী। জাহেদা মায়ের নজরুল অবুঝ, দেশ মায়ের নজরুল চির সবুজ। প্রেমিক নজরুল দুর্মর আর আড্ডার নজরুল উদ্দাম। নজরুল যেমন যোদ্ধা, নজরুল তেমনি বোদ্ধাও বটে। রণক্ষেত্রে নজরুল হাবিলদার, কলাক্ষেত্রে সে সুন্দরের অপ্রতিম দ্বার। নজরুল কীটস্-রবীন্দ্রনাথে মজে থাকলেও মজিয়ে তুলেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু ও বাঙালিকে তাঁর ‘জয় বাংলা’ দিয়ে। নজরুল শোষিতের যীশু, যাকে মহান করে দারিদ্র্য; নজরুল চির শিশু যার সারল্য নিñিদ্র।
‘অগ্নিবীণা’র শতবর্ষে এসে নজরুল আজও আরাধ্য, আজও আস্বাদ্য। নজরুল-তপস্যায় মগ্ন থেকে নজরুলের মননশস্য হতে অমৃত-নির্যাসের আকাক্সক্ষায় নিরন্তর হোক আমাদের নজরুল চর্চা। চিরজীবী নজরুলে অনিরুদ্ধ হয়ে উঠুক সুন্দরের আরাধনা।

Mononshosye Nazrul By Pijush Kanti Barua

$ 2.82
25% Off

পাগলা কানাই ও তাঁর তত্ত্বদর্শন- সম্পাদনায় বঙ্গ রাখাল

Highlights:

কথাসামান্য…

মৃত্যু পরবর্তী জীবনরহস্য প্রতিটি মানুষকে ভাবায়। মানুষের এসব চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয়েছে ধর্ম, দর্শন ও মরমি সঙ্গীত। মরমি কবি ও দার্শনিক লালন শাহ তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে বাঙালির মানসজগত আধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনাকে দারুণভাবে আলোড়িত করেছেন। তাঁর ভাবধারণায় অনুপ্রাণিত ও উজ্জিবীত করেছেন পরবর্তীকালের মরমি কবি, সাধক, বয়াতি কবিয়ালগণকে। এই মৌলিক চিন্তা-চেতনার ওপরে ভিত্তি করে লোককবিগণ তাদের রচিত সঙ্গীতের মাধ্যমে বিষয়টিকে একটি নান্দনিকরূপ দান করেছেন। মানুষের জীবনকে করেছেন অর্থবহ ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ লোকসঙ্গীতের একটি মূল্যাবান সম্পদ এই আধ্যাত্মিক ও মরমি সঙ্গীত।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি মূলত লোকসংস্কৃতি নির্ভর। আবহমানকাল ধরে এই সংস্কৃতি আমাদের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লালন করে আসছে। আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতিতে ক্রিয়াশীল থেকেছে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত উদার সংস্কৃতি। দেশের খ্যাতনামা লোকসঙ্গীত শিল্পী, বয়াতি লোককবিগণ বিভিন্ন ধর্মের সারাৎসারকে একত্র করে এই সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছেন। বাঙালির হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক বহুমাত্রিক ও সমন্বিত সংস্কৃতির ধারার সঙ্গে এটি পরিপূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ধর্মীয় গোঁড়ামি, মৌলবাদি চিন্তা-চেতনা মানবিক চেতনায় সমৃদ্ধ লোকসঙ্গীতের এই প্রবহমান ধারাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারেনি।

আধুনিক লোকসঙ্গীত চর্চা ও গবেষণা শিল্পীর জীবন ইতিহাস রচনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে। শিল্পীর সঙ্গে নিবিড় সংসঙ্গের মাধ্যমে লোকসঙ্গীতের বিবর্তনের ধারা-গতি- প্রকৃতি সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য লাভ করা যায়। মানব জীবনে সৃষ্টিরহস্য জীবাত্মা থেকে মুক্তি পেয়ে পরমাত্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে অনন্ত জীবন লাভ করার ক্ষেত্রে এসব সঙ্গীতের অবদান অনস্বীকায।

মরমি কবি পাগলা কানাই আমাদের লোকসঙ্গীতের একজন প্রাণপুরুষ। তিনি জ্ঞান-চিন্তা-চেতনার ওপর ভিত্তি করে যেসব গান রচনা করেছেন তাতে তাঁর আধ্যাত্মিক চেতনা জীবন ও জগৎ সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি সৃষ্টি করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও তিনি তাঁর গানে দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নায়পূর্ণ ক্ষণস্থায়ী জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে অনন্ত অসীম স্রষ্টার সঙ্গে মিলিত হওয়া দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সহজ ভাষায় রচিত গানগুলো তাঁহার সকলের নিকটবোধগম্য।
বঙ্গ রাখাল সম্পাদিত ‘খেয়ালি বাউল পাগলা কানাই ও তাঁর তত্ত্বদর্শন’ গ্রন্থে পাগলা কানাই সম্পর্কে লিখিত বেশ কয়েকটি মূল্যবান প্রবন্ধ পাঠক গবেষকদের নিকট উপস্থাপন করেছেন। এসব প্রবন্ধ পাঠ করার মাধ্যমে লোকসঙ্গীত ও সংস্কৃতি চর্চায় নিয়োজিত গবেষক সঙ্গীত শিল্পী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। লোকসঙ্গীত চর্চা ও গবেষণার জন্য বর্তমানে জীবিত শিল্পী সঙ্গীতের দর্শক শ্রোতার প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়াত শিল্পীর জীবন ইতিহাস রচনার জন্য গবেষণা পদ্ধতি ভিন্নতর। এই গ্রন্থে লেখক গবেষক পাগলা কানাই এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবন ইতিহাস যুক্ত করতে পারলে গ্রন্থটি আরো মূল্যবান হবে বলে আমি মনে করি।

শফিকুর রহমান চৌধুরী
বাংলা একাডেমির প্রাক্তন পরিচালক

ফোকলোর গবেষক।

 

Pagla Kanai O Tar Tattodorshon

$ 3.53
25% Off

আবুবকর সিদ্দিক- সমগ্রতার চিরন্তনী- মামুন মুস্তাফা

Highlights:

’৫০-এর দশকে যাত্রা শুরু করা ‘সমকাল’ কবিতা পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা কবিতার ক্ষেত্র নির্মাণে যে গুটিকয়েক মননশীল কবি সফল হয়েছিলেন তাঁদেরই অন্যতম কবি আবুবকর সিদ্দিক (জ. ১৯৩৪)। এই ’৫০-এর দশকে ছাত্রাবস্থায় আবুবকর সিদ্দিক যাত্রা শুরু করেছিলেন প্রথমত কবিতা ও ছোটগল্পের ভেতর দিয়ে। প্রায় সত্তুর বছরেরও অধিক সময় ধরে সাহিত্য সাধনায় নিয়োজিত আবুবকর সিদ্দিক প্রধানত কবি, তারপরে কথাসাহিত্যিক; লিখেছেন মননশীল প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথা। অন্যদিকে গণসঙ্গীত তাঁর স্বাতন্ত্রিক পরিচয়ের এক ব্যতিক্রম মাধ্যম। সুতরাং বিচিত্র ধারায় তাঁর লেখনীশক্তি আমাদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ।
ব্যক্তিগত ভাবে এই মানুষটিকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি ছেলেবেলা থেকে। প্রথম জীবনে বর্তমান বাগেরহাটের সরকারি প্রফুল্লচন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে আমার পিতার সহকর্মী ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিশেবে যোগ দেন। কিন্তু জন্মসূত্রে তিনি বাগেরহাটের মানুষ। গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের বৈটপুরে। ফলে যখনই বাগেরহাটে আসতেন, প্রায়ই সময় আমাদের বাড়িতে রাত্রিযাপন করতেন। সেই থেকে বুঝেছি তিনি আমাদের পারিবারিক বন্ধু।
আবুবকর সিদ্দিক বহুপ্রজ নন, বিরলপ্রজ। যা লিখেছেন, তাই এপিক। কী কবিতা, কী কথাসাহিত্য! তারই নিদর্শন হিশেবে আমার দেখতে পাই, সেই ষাটের দশকে তিরিশের পঞ্চপা-ব হিশেবে খ্যাত কবি বিষ্ণু দে তাঁর সংবাদ মূলত কাব্য কবিতাগ্রন্থটি আবুবকর সিদ্দিককে উৎসর্গ করলেন, সঙ্গে শামসুর রাহমান। আমাদের কাব্যযাত্রার এ এক অনন্য অধ্যায় বললে অত্যুক্তি হবে না।
আবুবকর সিদ্দিক, আপাদমস্তক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটির সাহিত্যকৃতির বোধ ও বোধিকে ছুঁয়ে দেখার সক্ষমতা তৈরি হয়নি এই পাঠককুলের। আবার তিনি নিজেকে বাজারচলতি করেননি কখনো। সে স্পর্ধাও নেই আজকের মিডিয়াবাজদের। আর তাই কাছ থেকে দেখা এই অনন্য কবি ও কথাকার আবুবকর সিদ্দিককে আজকের পাঠকের কাছে তুলে ধরতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিভিন্ন সময়ে আবুবকর সিদ্দিকের কবিতা, কথাসাহিত্য ও গদ্য প্রসঙ্গে আমার যে যৎকিঞ্চিৎ প্রচেষ্টা ছিল, তারই সারবত্তা এই গ্রন্থ ‘আবুবকর সিদ্দিক সমগ্রতার চিরন্তনী’। এর মাধ্যমে আগামীর পাঠক নতুন ভাবে কবি ও কথাকার আবুবকর সিদ্দিককে আবিষ্কার করবেন বলে আমার বিশ্বাস। সেইসঙ্গে গণসঙ্গীতেরও তিনি যে দিকপাল, তা পাঠক নতুন করে জানবেন এবং বুঝবেন।
বলা আবশ্যক, এই ক্ষণজন্মা যশস্বী কবি ও লেখক সম্পর্কে আমি লিখতে গিয়ে তাঁর রচিত গল্প-উপন্যাস-কবিতাগ্রন্থসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত আবুবকর সিদ্দিকের রচনাসমূহের সাহায্য গ্রহণ করেছি। উপরন্তু তাঁকে নিয়ে অন্যান্য বিভিন্ন লেখকদের লেখাগুলোও আমাকে সহায়তা করেছে। এছাড়াও আবুবকর সিদ্দিকের গুণগ্রাহী ছাত্ররা এবং তাঁর কাছের লেখকদের সঙ্গে তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন আলাপচারিতাও আমার এসব লেখাকে সমৃদ্ধ করেছে। সুতরাং এ গ্রন্থ শেষে আলাদাভাবে তথ্য নির্দেশিকা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনি। যদি এ আমার সীমাবদ্ধতা হয়ে থাকে, তার জন্যে আমি পাঠকের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
যখন বলা হচ্ছে, পাঠকের অপ্রতুলতার কথা; বলা হচ্ছে, জাতি হিশেবে আমরা আজ বইবিমুখ; ঠিক তখন একটি নিরেট গদ্যবিষয়ক বই প্রকাশের দায়িত্ব নিয়ে অনুপ্রাণন প্রকাশনের কর্ণধার আবু এম ইউসুফ আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। পরিশেষে বন্ধুবর প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক শহীদ ইকবালের ঋণ স্বীকার করতেই হয়, এ গ্রন্থের নামকরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতাদানের জন্য। একইসঙ্গে আরও ধন্যবাদ জানাই অনুজপ্রতিম কবি ও গবেষক বঙ্গ রাখালকে। তাঁর উৎসাহ ও নিরন্তর তাগাদা ছাড়া বইটি প্রকাশ করা সম্ভব ছিল না।

মামুন মুস্তাফা
মিরপুর, ঢাকা।

আবুবকর সিদ্দিক- সমগ্রতার চিরন্তনী

$ 2.38
25% Off

জানা অজানা জাপান ৪র্থ খণ্ড- প্রবীর বিকাশ সরকার

Highlights:

লেখকের কথা
জাপানের প্রাতঃস্মরণীয় মনীষী শিল্পাচার্য ওকাকুরা (কাকুজোও) তেনশিন বলেছিলেন, জাপান এশিয়ার জাদুঘর। আমি বলি, জাপান একটি বৈশ্বিক দর্পণ। বিশ্বের চতুর্দিক তথা চারটি মহাদেশের ছবি এই দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে আসছে হাজার বছর ধরে। বিশ্বের প্রায় সব সংস্কৃতিরই ধারা এসে মিলিত হয়েছে জাপানের মূলধারার সঙ্গে। বিশেষ করে ধর্ম ও সংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে এই দেশের জনধারায়। সন্দেহ নেই যে, চীন ও ভারতের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। মধ্য যুগ পর্যন্ত ক্রমাগত জাপান প্রভাবিত হয়েছে প্রাচীন চীন ও ভারতের ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস, পুরাণদ্বারা। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠী, গোত্রের মানুষ প্রাচীনকালেই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপবর্তী জাপানের ভূখণ্ডে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে গেছে। যে কারণে জাপানিরা সংকর জাতির লোক। আর এর ফলেই জাপান হয়ে উঠেছে সংস্কৃতির মনোরম বৈচিত্র্যপূর্ণ একটি দেশ। যার তুলনা খুঁজে পাওয়া যায় না। যে সংস্কৃতির টানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাঁচবার ভ্রমণ করেছেন জাপান। প্রতিবারই তিনি জাপানকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন।
জাপানে যারা আসেন প্রথমে তাদের কাছে সবকিছুই অদ্ভুত প্রতিভাত হয়। কেননা জাপানিদের জীবনধারাটাই স্বাতন্ত্রিক। কিন্তু দীর্ঘদিন এ দেশে বসবাস করলে পরে তাদের আর বুঝতে বাকি থাকে না যে, তারা সঠিক দেশেই এসে পড়েছেন! এখানে জীবনযাপন যেমন খুব বাস্তব ও কঠিন তেমনি স্বপ্নের বাস্তবায়ন বা ইচ্ছেপূরণের সমূহ সম্ভাবনাও বিদ্যমান। বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা। কাজের দেশ জাপান, ইচ্ছে করলে কাজ জোগাড় করা কঠিন কিছু নয়। আর রয়েছে উচ্চশিক্ষার বিস্তর সুযোগ। তবে, অবশ্যই জাপানিদের নিয়মনীতি মেনে চলা প্রথম ও শেষ শর্ত। কেননা, যতোই তারা বহির্বিশ্বের প্রভাব গ্রহণ করে একটি সর্বজনীন সংস্কৃতি ও বাতাবরণ নির্মাণ করে থাকুন না কেন, জাপানিরা কিন্তু মনেপ্রাণে ও আদর্শে জাপানিই। “জাপানিজম” বা “জাপানিত্ব” তাদের মধ্যে সর্বক্ষণ সর্বক্ষেত্রে জাগরুক। শান্তি ও বিশ্বাস এই দেশের মূল ভিত্তি। বিশ্বাস হারালে জাপানে আর বসবাস সম্ভবপর নয়, শান্তি বিঘিœত হওয়ার মতো কাজ জাপানিরা প্রশ্রয় দেন না। আস্থা, বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম, মহাধৈর্যগুণ, অনুচ্চকণ্ঠ, সময়ানুগ, প্রতিবেশী-সম্প্রীতি, সহমর্মিতা, সমবায়মনস্কতা, অনুসন্ধিৎসা জাপানিদের চারিত্রিক পরিচয়। আর এইসব গুণাগুণ জাপানি সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে নিহিত আছে।
জাপান প্রবাসের চার দশক হতে চললো। এই দীর্ঘ সময়ে জাপানকে দেখা, জানা ও পড়ার মধ্য দিয়ে যে ধারণা ও অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে তারই প্রতিফলন রয়েছে এই গ্রন্থের ২৫টি ছোটবড় প্রবন্ধের পরতে পরতে। প্রবন্ধগুলো ২০১৫ থেকে ২০০২১ পর্যন্ত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার উপসম্পাদকীয়, সাহিত্য সাময়িকী, সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন এবং সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সংকলনভুক্ত করার তাগিদে নতুন করে তথ্য-উপাত্ত সংশোধিত ও সংযোজিত করার প্রয়াস নিয়েছি। আশা করি পাঠক বহুকিছু জানতে পারবেন এই প্রবন্ধগুলো থেকে যা বাঙালির ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনকে উন্নত করার জন্য শিক্ষণীয় বলে বিশ্বাস করি। সেইসঙ্গে জানা যাবে বাংলাদেশ ও জাপান সম্পর্কবিষয়ক তথ্যসমূহ যা দুর্লভ বলেই বিবেচিত।
উদীয়মান “অনুপ্রাণন প্রকাশন” কর্তৃপক্ষ এর আগে “জানা অজানা জাপান” ৩য় খণ্ড প্রকাশ করে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। এবারও ৪র্থ খণ্ড প্রকাশ করে আমাকে চিরঋণী করছেন। এজন্য জানাই আনত ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। যেহেতু প্রবন্ধগুলো গবেষণামূলক, তাই ভুলভ্রান্তি যেমন থাকবে, তেমনি লেখকের মতামতের সঙ্গে পাঠকের মতভিন্নতা থাকাই স্বাভাবিক। তার জন্য সকল দায়দায়িত্ব লেখকেরই, প্রকাশকের নয়।

Jana Ajana Japan Part-4 By Probir Bikash Sarkar

$ 4.59
25% Off

যতিকল্পের প্রতিপৃষ্ঠা

Highlights:

সাহিত্য নিয়ে আমি ভাবি।এরমাঝে,কবিতা আমার আরাধ্য বিষয়।কবিতার বিশ্বমাঠে
আমি বিচরণ করতে ভালোবাসি। এই যে বিচরণ,তা থেকে অনেক পুষ্প,অনেক পাতা
আমি ঘরে তুলি। সেগুলো বার বার ফিরে দেখি।
এই যে চয়নপর্ব- তা থেকে আকর নিয়ে আমি লিখি আমার মতো করে।
বিভিন্ন ভাষার সাহিত‌্য,কবিতার মাঝে আমি বাঙালি কবিদের প্রাধান্য এজন্যে দিই-
কারণ আমিও এই ভাষারই একজন লেখক।এই গ্রন্থে তেমনই কিছু প্রিয় লেখক,তাঁদের
লেখা, শিল্প-সংস্কৃতি-কবিতার বিভিন্ন জ্যোতিরেখা নিয়ে আমি লিখেছি।
‘যতিকল্পের প্রতিপৃষ্ঠা’-নামটি এক আধ্যাত্মিক আদেশে পাওয়া। কারণ এই বইয়ের নাম আমি চার বার বদলিয়েছি মনে মনে। যা সাধারণত আমি করি না। আমার বইয়ের নাম এক ভাবনায়ই ঠিক হয়ে যায়। এই বইটির নাম,একটি ঝলকের মাধ্যমে একটি শক্তি আমাকে পৌঁছে দিয়েছে। সে এক মহান অভিজ্ঞতা। এর বেশি এখানে শেয়ার করা সঙ্গত হবে না।
বইয়ে ৩৩টি প্রবন্ধ আছে। পাঠকসমাজ, পড়ে নিজের মত মিলিয়ে দেখতে পারেন। এই বইটি খুব যত্নের সাথে প্রকাশ করেছে- অনুপ্রাণন প্রকাশন,ঢাকা।
এর স্বত্বাধিকারী শ্রদ্ধেয় আবু এম ইউসুফ ও তাঁর টিমের কাছে বিনীত কৃতজ্ঞতা।
সাহিত্য মানুষকে ভাবায়। আর সেই ভাবনার উদ্রেক করতে যারা কাজ করেন তারা সত্যিই মহান। আমাদের সকলের মহানুভবতা,সাহিত্যকে মানুষের আরও
কাছাকাছি নিয়ে আসুক।
সুপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা, এই গ্রন্থ থেকে অন্তত কিছু লেখা আপনাদের ভালো লাগলেই
আমার সার্থকতা ।
অনেক প্রীতি সবাইকে।

ফকির ইলিয়াস
২৮ ডিসেম্বর ২০২১
নিউইয়র্ক

যতিকল্পের প্রতিপৃষ্ঠা

$ 3.40
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart