Additional information
| Weight | 0.245 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.48 $ 2.47
“আমি শুরু থেকেই জানতাম, এরা যেকোন মূল্যে টাইম মেশিনটা তৈরি করেই ছাড়বে!” ক্রিটন তার আর্মচেয়ারে গা এলিয়ে দিতে দিতে বলল, “যেদিন নিকি আমাকে খবর দিলো যে ওরা তথ্যকেন্দ্রে মন্টক প্রজেক্ট সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে ঘাটাঘাটি করছে, সেদিন থেকেই আমি ওদেরকে আর হালকাভাবে নিই নি। এরপর আমাদের গুপ্তচর রিগা যখন ক্যাপ্টেন নিমোর সাথে ওদের কথোপকথন শুনে আমাকে জানালো যে বিজ্ঞানী ছোকড়াটার মাথায় সময় পরিভ্রমণের চিন্তা খেলেছে পুরনো আমলের একটা চলচ্চিত্রের খুবই সাধারণ একটা দৃশ্য দেখে, তখনই আমি বুঝে গিয়েছিলাম যে এই ছোকড়ার দ্বারা সবকিছুই সম্ভব। কেন জানো ক্লড?”
“কেন প্রভু ক্রিটন?”
ক্রিটন ক্লডের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “কারণ আমি এই ছোকড়ার মাঝে আমার স্রষ্টা ডক্টর লির ছায়া দেখতে পেয়েছিলাম। ডক্টর লিও এরকমই ছিলেন, অনেক তুচ্ছ থেকে তুচ্ছ জিনিসের মাঝেও তিনি অসাধারণ কিছু খুঁজে পেতেন। তিনিও এক অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছিলেন আমাকে তৈরি করে। ডক্টর লির মত মানুষেরা যেমন আমাদের গড়তে পারে, ঠিক তেমনি শত প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের গুঁড়িয়ে দেয়ারও ক্ষমতা রাখে, সে আমরা যতই আধুনিক এবং শক্তিশালী হই না কেন। এধরনের মানুষ কোটিতে বড়জোর একজন হয়। কিন্তু যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে মানবজাতি টিকে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত এধরনের মানুষ জন্মাবার সম্ভাবনা থেকেই যাবে!”
| Weight | 0.245 kg |
|---|---|
| Published Year |
ভূমিকা
লোকমান তাজ রচিত লাশপুরীর লাশের গল্প কিশোর উপযোগী রহস্যময় উপন্যাস। সমকালীন অনেক লেখক এ জাতীয় রচনা সৃষ্টিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সাইন্স ফিকশন, রম্য কথা, ভৌতিক থ্রিলিং ইত্যাদি ব্যবহার করে প্রচুর লেখালেখি অব্যাহত রয়েছে। কারো কারো বেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লক্ষণীয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব লেখা অনির্দেশ্য বায়বীয় ভাব ভাবনায় সমর্পিত।
সঠিক কোনো জীবনবোধ বা আদর্শ অন্বেষার বালাই নেই। দিকভ্রান্ত কাহিনী চরিত্রের মোহমুগ্ধ ঘনঘটা একটা আবেশ ছাড়িয়ে দেয়।
এ অবস্থায় লোকমান তাজ এর লাশপুরীর লাশের গল্প নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এখানে গাছতলা গ্রামের সবিস্তার কাহিনী সাব্বির, মাহি ও মেহেক চরিত্রের মাধ্যমে রূপায়িত হয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু শাখা কাহিনীও এখানে প্রযুক্ত হতে দেখা যায়। যেখানে মীরাকে কেন্দ্র করে ছাত্রীনিবাসের এক মর্মান্তিক কাহিনী এখানে বর্ণিত হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্র সাব্বিরই পুরো ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছে।
লাশপুরীর লাশের গল্পে সত্যিকার অর্থেই গল্পের একটা মুগ্ধতা ছড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে অপরিসীম আবেগ, কৌতূহল, স্বপ্ন আকস্মিকতা উৎকণ্ঠা বজায় রয়েছে। যা পাঠক সাধারণের মনকে একটা সম্মোহ সীমানায় ধরে রাখতে সক্ষম। তাছাড়া এর কাহিনী চরিত্রে বরাবরই একটা আদর্শবোধ ব্যাপ্ত আছে। এ সুবাদে সেখানে সমাজ মানসের কিছু বিশ্বস্ত চিত্রগাথা পরিস্ফুট উঠার সুযোগ পায়। যা শুধু এদেশীয় সংস্কৃতির আদলে গড়ে ওঠেছে। যেমন মীরা কেন্দ্রিক সারিনা জামান এর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। মেয়েটির আত্মহত্যা ও এর আনুপূর্বিক ঘটনা যে কাউকে ছুঁয়ে যেতে সক্ষম। সংসারের অভাব-অনটন, বন্ধুবান্ধবীদের নিগ্রহ-নিপীড়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবজ্ঞা, অবহেলা-সবমিলিয়ে মেয়েটির জীবন বিষিয়ে তোলে। এছাড়া সাব্বিরের দাদিবাড়ি গাছতলা গ্রামের নানাবিধ ঘটনা এ গল্পের আড়ম্বরের সাথে বনিত হয়েছে। যা পাঠ করে অনাস্বাদিত জগতের উপমিত আস্বাদন করা সম্ভব। আমি লাশপুরীর লাশের গল্প ও এর লেখক লোকমান তাজ এর পর্যায়ক্রমিক সমুন্নতি কামনা করছি।
-ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন
লাশপুরীর লাশের গল্প
লেখকের কথা:
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী “রু” আমার প্রথম প্রকাশিত বই হলেও আমার লেখা প্রথম উপন্যাস ছিল এই “প্রজেক্ট পাই”, যেটা আমি লিখেছিলাম দুই হাজার পনেরো সালে, অর্থাৎ আজ থেকেও আরো প্রায় চার বছর আগে। কিন্তু নানা কারণে এই উপন্যাসটা আর প্রকাশ করা হয়ে ওঠেনি। তবে কোথাও প্রকাশ না করলেও উপন্যাসটার কথা আমার মাথায় সবসময়ই ছিল। এ-কারণে প্রায়ই “প্রজেক্ট পাই”-এর ফাইলটা বের করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চোখ বুলাতাম। এ-রকম করতে করতেই একদিন হঠাৎ মাথায় চলে এলো “রু”-এর প্লট। লেখা শুরুও করে দিলাম আমার দ্বিতীয় উপন্যাস “রু”। মাঝখানে অনিবার্য কারণবশত নেয়া একটা লম্বা বিরতিসহ প্রায় দুই বছরের মতো সময় লাগলো “রু” লিখে শেষ করতে। লেখা শেষ হবার বেশ কয়েক মাস পর আমার লেখা দ্বিতীয় উপন্যাসটি অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হলো আমার প্রথম বই হিসেবে। বইটি অনুপ্রাণনের সে বছরের বেস্টসেলারও হলো। “রু”-এর পর এবার আমার মাথায় এলো আমার প্রথম সন্তান, অর্থাৎ আমার লেখা প্রথম উপন্যাস “প্রজেক্ট পাই”-এর কথা, যে কিনা গত চার বছর ধরে ঘরবন্দী হয়ে আছে। ভাবলাম, এবারে যে তাকেও মুক্তি দিতে হয়!
অবশেষে “প্রজেক্ট পাই”ও মুক্তি পেলো। প্রজেক্ট পাই সম্পর্কে আমি আমার পাঠকদের আগে থেকে তেমন কিছুই বলব না। শুধু এটুকুই বলব, “রু” যেমন আমার এবং আমাদের গল্প ছিল, “প্রজেক্ট পাই”ও ঠিক তেমনি আমার এবং আমাদের গল্প। এখান থেকে আমাকে এবং আমাদেরকে খুঁজে নেয়া এবং আমাদের মাঝখানে নিজেদেরকেও খুঁজে নেয়ার দায়িত্ব আমি আমার পাঠকদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।
Ñতানভীর আহমেদ সৃজন
আগস্ট ২০১৯
প্রজেক্ট পাই
স্বপ্নময় একজন চিত্রশিল্পী। তার নান্দনিক এবং শৈল্পিক ইচ্ছেগুলো রঙ-তুলিতে ফুটিয়ে তোলার স্বপ্নে সে বিভোর থাকে। কিন্তু বহতা জীবন নদীর নানা বন্দরে নোঙ্গর ফেলে স্বপ্নময় দেখেছে চারপাশের মানুষজন এমন কি আপনজনও কেউ তার দেখা স্বপ্নকে লালন করে না। সবাই ক্ষুদ্র লোভ-লালসা-স্বার্থ-বিদ্বেষ নিয়ে জৈবিক জীবন যাপন করে। এই মহার্ঘ্য জীবন নিয়ে কারোরই কোন শৈল্পিক ইচ্ছে নেই, মহাজীবনের আকাক্সক্ষা নেই। ফলে তারা পদে পদে অপমৃত্যু বরণ করে। দেখে দেখে স্বপ্নময় বিষাদাক্রান্ত হয়- অনুপম সুন্দর এই অনন্ত জীবন তুচ্ছতার লোভে নিম্নগামী হতে পারে না। বরং প্রতিদিন তাকে কঠোর সাধনার মধ্য দিয়ে মোহনার দিকে নিয়ে যেতে হয়। যেতে যেতে জীবন হয়ে ওঠে অপার সুন্দর, মধুময়, গভীর। তার তপঃক্লান্তি মুছিয়ে দিতে পাশে এসে দাঁড়ায় চৈতালী। অতঃপর তাদের যুগল চলা কি মোহনায় গিয়ে পৌঁছতে পারবে!
মোহনায় যেতে যেতে
মানুষের কখন যে কী হয়―তা হিসাব করে কেউ কখনো বলতে পারে না! হঠাৎ করেই মানুষ অন্যরকম হয়ে ওঠে। এই যে শফিকের সঙ্গে একই অফিসে কতদিন একসঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করেছে নমিতা―কোনোদিন তাকে এত মনোযোগ দিয়ে দেখেনি শফিক। কিন্তু আজ যে তার কী হলো!
নমিতা আজ খুব সুন্দরভাবে একটা শাড়ি পরে অফিসে এলো। আর আজই শফিকের খুব ভালো লেগে গেল নমিতাকে। তাই, অফিস-ছুটির পর সে তাকে রেস্টুরেন্টে চা-কফির আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু নমিতা তাকে জানালো, আজ তার হাতে একদম সময় নেই। আজ তাকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে বাসায়। আর তাকে, তাদের পছন্দ হলে আজই বিয়ে হয়ে যেতে পারে!
নমিতা একরকম বাধ্য হয়ে চলে যায় শফিককে পাশ কাটিয়ে। কিন্তু শফিকের খুব মনখারাপ হয়। আর বাসায় ফিরতে ইচ্ছে করে না তার। মনটা তার ভীষণ উতলা হয়ে ওঠে নমিতার জন্য। সে একমুহূর্তে কেমন যেন হয়ে যায়! নমিতাকে কিছুতেই সে ভুলতে পারে না।
সে নমিতাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছে। আর ভাবে―নমিতাকে ছাড়া তার চলবে না। আজ নমিতাকে খুব ভালো লেগেছে তার। ভাবতে-ভাবতে নমিতার জন্য শফিক যেন একেবারে পাগল হয়ে যায়! কিন্তু নমিতার যে আজই বিয়ে হয়ে যেতে পারে!
শফিক রাস্তায় হাঁটতে থাকে উদভ্রান্তের মতো। সে কি আজ বাসায় ফিরতে পারবে? শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল―তা জানতে হলে পড়তে হবে এই অনবদ্য একটি বালিকার গল্প।
এটি ১০০% রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
একটি বালিকার জন্য
বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কারের পিছনে সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির অনেক ভূমিকা রয়েছে। যেখানে বিজ্ঞান বর্তমান নিয়ে কথা বলে সেখানে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ভবিষ্যৎবাণী করে বিজ্ঞানের পথকে অগ্রগামী করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাস ঘাটলে এর বহুবিধ প্রমাণ পাওয়া যায়।
বর্তমানে সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ছোটো-বড়ো সকল শ্রেণির পাঠকের কাছে সমান জনপ্রিয়। এক সময় ছোটোদের আগ্রহ ছিল রূপকথা বা ভূতের গল্পের প্রতি। এখন তাদের আগ্রহ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির প্রতি। কারণ বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে পাঠকের রস ও রুচির পরিবর্তন ঘটবে এটাই স্বাভাবিক।
‘ডার্ক-লেন্স’ আমার নবম সায়েন্সফিকশন গ্রন্থ। এ বইয়ের প্রতিটি গল্প ভিন্ন মেজাজ ও ভিন্ন স্বাদের, যা শিশু-কিশোরসহ সব বয়সি পাঠকদের ভালো লাগবে।
Dark-Lens by Ashraf Pintu
হামিম কামাল। জন্ম ১৯৮৭ সালের ৯ অগাস্ট, ঢাকায়। আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক।প্রকাশিত গ্রন্থ- জঠর (২০১৬), কারখানার বাঁশি (২০১৮)।
জঠর
প্রত্যেক মানুষের জীবনে স্মৃতি থাকে। স্মৃতি মানেই ঘটনা। অমøমধুর, বেদনাবিধুর যতো ঘটনা ঘটে মানুষের জীবনে সে-সবই স্মৃতি।
স্মৃতি- স্মৃতিকাতর করে অর্থাৎ নস্টালজিক করে তোলে মানুষকে। স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্ক থাকে মানুষের। তারা নানা মুখাবয়বের, নানা পেশার এবং নানা চরিত্রের। আবার তাদেরকে ঘিরে আরও অনেক মানুষের সম্পর্ক জড়িত থাকে। আর এই নিয়েই মানবজীবন।
আমার জীবননৌকোও অগণন স্মৃতিসম্ভারে ভরপুর, সজ্জিত। বিশেষ করে, আমার শৈশব থেকে যৌবনের উত্থানকালের ২৪-২৫টি বছরের অসংখ্য স্মৃতি আছে, যেগুলো নিয়েই এই আত্মজৈবনিক উপন্যাস “অতলান্ত পিতৃস্মৃতি” গ্রন্থটি। আমার এই সময়টাকে আমি যাঁর চোখ দিয়ে ফিরে দেখতে চেয়েছি তিনি আমার জন্মদাতা পরম শ্রদ্ধেয় পিতা। যা কিছু ঘটেছে, যা আজকে স্মৃতি- সবকিছুরই সাক্ষী আমার বাবা। আর সেখানেই পিতা-পুত্রের সম্পর্কটা সৃষ্টি হয়েছে। কী সেই সম্পর্ক? সেই সম্পর্ক যা সহজে লেখা যায় না। না পড়লে তা জানাও যাবে না।
পড়ার পর হয়তো অনেকেই মিলিয়ে দেখবেন তাঁদের জীবনের সঙ্গে, কেউ কেউ বিষণœও হতে পারেন। কেউ কেউ পড়ে বিস্মিত হবেন! আবার কেউবা ক্ষোভ প্রকাশ করবেন, ক্ষুব্ধ হবেন। কিন্তু যা সত্য, তাই তুলে ধরতে গিয়ে আদৌ কার্পণ্য করিনি। কাউকে ছোটও করিনি, কাউকে বড়ও করিনি। মানুষ হিসেবে এখানেই আমার সীমাবদ্ধতা, পরিপূর্ণতা এবং তৃপ্তি বলে মনে করি।
অতলান্ত পিতৃস্মৃতি
প্রেম বিনে ভাব নাই ভাব বিনে রস
ত্রিভুবনে যাহা দেখি প্রেম হূনতে বশ
যার হুদে জন্মিলেক প্রেমের অঙ্কুর
মুক্তি পাইল সে প্রেমের ঠাকুর ।
‘ পদ্মাবতী ’
আলাওল ( ১৫৯৭ – ১৬৭৩ )
বসন্তের শেষ বিকেল
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তে Occult science বিভাগে বাংলাদেশ থেকে পড়তে আসা কুহোন মজুমদার । লন্ডন অক্সফোর্ড এ এসে একটি আন্তর্জাতিক মানের সিক্রেট সোসাইটির নজরে চলে আসে । বিপদে পড়ে যায় সে । Occult science নিয়ে বেশি জানাটায় তার জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে । তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তার রুম মেট মার্থা এলিজাবেথ এবং অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিখ্যাত টিচার স্যার ম্যাক ওয়েল । কুহোন জানেনা কেনো তাকে টার্গেট করেছে সিক্রেট সোসাইটির সদস্য গণ ? তবে কুহোন এইটুকু বুঝতে পারছে Occult science এর সিক্রেট জ্ঞান গুলো সে জেনে ফেলেছে বলেই তার উপর নেমে আসছে অভিশাপ । এতকিছুর মধ্যেও সে প্রেমে পড়ে গেলো একজন সুদর্শন সুপুরুষের । একদিকে প্রথম প্রেম আর একদিকে জীবন নাশের হুমকি । এখন কোনটাকে সামলাবে কুহোন মজুমদার ?
দি সিল অফ সলোমন
কলকাতার স্মৃতিকথা
আবু তাহের সরফরাজ। সবার মাঝে থেকেও সে আলাদা। দৃশ্যের ভেতরও অদৃশ্য। বেঁচে থাকতে চান লেখালেখির মাঝে।
যখন আঁধার যখন কুয়াশা
বিজ্ঞানের যে কোনও বিষয়ে আমি খুবই কৌতূহল বোধ করি ! আমি একজন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার! আমি কয়েক দশক ধরে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামরিক বাহিনীতে কাজ করি। আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণ করতে আমি যথেষ্ট পরিমানে সীমাবদ্ধতা বজায় রাখি ! এখানে আমার কাজ হলো এন্ড-টু-এন্ড বিশ্লেষণ এবং কিরকিসিয়া যুদ্ধে মূলত মিলিশিয়া এবং জয়েন্টফোর্সের মধ্যে লড়াইয়ের খুঁটিনাটি তোলে ধরা। তার আগে সাইবার হামলা নিয়ে চালু একটি জোকসটি বলে আমি যুদ্ধের বর্ণনায় যেতে চাই । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সাথে পারমানবিক চুক্তি থেকে সরে গিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে “আক্রমণাত্মক” সাইবার হামলার অনুমোদন দিলেন ।অনুমোদন দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে তিনি তার জেনারেলদের ফোন করলেন ।জেনারেলের দিকে চিৎকার করে বললেন ,”আক্রমনের খবর কি?”
জেনারেল বললেন,”আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি স্যার।”
ট্রাম্প ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমরা সৈন্য পাঠাচ্ছি না?”
জেনারেল বললেন, “কিন্তু..কিন্তু…স্যার, এটা সাইবার স্পেসের মাধ্যমে একটি আক্রমণ..”
ট্রাম্প বললেন, “আপনি কি মনে করেন আমি স্টুপিড প্রেসিডেন্ট??” ………
সাইবার যুদ্ধের পাগলা ঘোড়া
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.

Ali Noor Khan –
এক কথায় অসাধারণ একটি বই! এরকম বইয়ের জন্যে পাঁচ তারকাও কম হয়ে যায়।
লেখকের কল্পনাশক্তি এবং লিখনশৈলী থ্রিলার সাহিত্যের অনেক বড় বড় রথী মহারথীদেরও হার মানায়।
অপেক্ষায় রইলাম লেখকের পরবর্তী বইয়ের জন্য।
Yousuf –
কোন বইয়ের কথা বলছেন?