Description
গ্রামের নাম চন্দ্রদিঘলিয়া । জেলা গোপালগঞ্জ। মা রাহিলা বেগম। বাবা সূফী ভূঁইয়া মোহাম্মদ জহুরুল হক।
দীলতাজ রহমান নিয়তির বেড়াজালে কৈশোরেই আটকা পড়েন বিবাহজালে। কিন্তু একসময় শিশুর বিস্ময়ানুভূতি নিয়ে জানালা খুলে দিগন্ত দেখার টানে ঘর ছাড়ার মতো একটু বেশি বয়সেই যুক্ত হয়েছিলেন লেখালেখিতে। অবশ্য স্বামীই মুখোমুখি করে দিয়েছিলেন তার এই সত্তাটির সাথে। অতএব বাল্যবিবাহ নামক অনিষ্ট দীলতাজ রহমানের জন্য হয়ে উঠল ইষ্ট! তারপর কবিতা লিখতে লিখতে তার গল্পে বিচরণ। আজ সংসার থেকে জগৎ, দৃষ্টির নাগালে যাকিছু সবই তার কাছে গল্পময়। এ যাবৎ তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ১৩টি, কবিতাগ্রন্থ ১১টি, শিশুতোষগ্রন্থ ৬টি ও উপন্যাসিকা ৪টি।
দীলতাজ রহমানের চার ছেলেমেয়ে। বড়ো পুত্র আশিক রহমান। তিনি অস্ট্রেলিয়ান তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানি ‘ওয়েভ এলাইভ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর।
দ্বিতীয় সন্তান ফারহানা অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যাণ্ড সরকারের তথ্যবিষয়ক কর্মকর্তা। তৃতীয় সন্তান ফারজানা বাংলাদেশ সরকারের বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘আইডিসিওএল’র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ছোটোপুত্র অস্ট্রেলিয়ার ‘ফেডারেশন’ ইউনিভার্সিটিতে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সে পিএইচডি অধ্যয়ণরত। আর এদের বাবা এ.কে. ফজলুর রহমান ছিলেন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার।
দীলতাজ রহমান ‘বিট মাস্কট’ নামক সফটওয়্যার ফার্মের চেয়ারম্যান।






































মানবজনম যেনো গল্পের মোড়কে আবদ্ধ। প্রতিটি জীবনে কিছু গল্প থাকে। কিছু গল্প প্রকাশ করা যায়, আবার কিছু গল্প হৃদয়ের গহীনে অপ্রকাশিত হয়ে জমা থাকে। যা বলা যায় না। জীবনপাঠে এই অধ্যায়ের বলা বা না বলা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘সে শুধু আড়ালে থাকে’। প্রতিটি গল্প জীবনের সাথে মিলে যাবে। মনে হবে এতো আমার জীবনের গল্প, আমার হৃদয়ের আড়ালে থাকা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। গল্পগুলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। প্রিয়জনকে পাবার অপেক্ষা, না পাবার বেদনা, বিচ্ছেদের সারসংক্ষেপ, বেঁচে থাকার আকুতি, জীবনপাঠে বাস্তবতার মুখোমুখি, আবেগ আর অনুভূতির সংমিশ্রন, নিঃসঙ্গতার সাথে বনিবনা, সুখের বেড়াজাল, বেদনায় কাতরতা অসংখ্য বিষয়বস্তুকে নিয়ে সাজানো হয়েছে গল্পগুলো। বারোটি গল্প, ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।
There are no reviews yet.