Description
স্বপঞ্জয় চৌধুরী
কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও কথাসাহিত্যিক।
জন্ম : ১৯৮৪ সালের ৬ জুন।
জন্মস্থান: মাদারীপুর জেলার কালকিনী থানার অন্তর্গত সাদীপুর গ্রামে।
পড়াশোনা: ঢাকা কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতোকত্তোর
পেশা ও কর্মস্থল: প্রভাষক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, সাউথ পয়েন্ট কলেজ।
লেখালেখির ক্ষেত্র: কবিতা, গল্প, অনুবাদ, প্রবন্ধ, উপন্যাস, ছড়া, গান, চিত্রনাট্য ইত্যাদি ।
ইতোপূর্বে কাজ করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এ্যাসিসট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর পদে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় জাতীয় দৈনিক খণ্ডকালীন সাংবাদিকতা ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদনা করেছেন। লিখেছেন বিভিন্ন দেশি বিদেশি দৈনিক ও সাহিত্য পত্রিকায়। তার কবিতা ইংরেজি, চাইনিজ, সার্বিয়ান, পর্তুগীজ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান ও আরবি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
কাব্যগ্রন্থ: পতঙ্গ বিলাসী রাষ্ট্রপ্রেম (২০১১), কালযাত্রার স্নিগ্ধ ফসিল (কলকাতা-২০১৬), দ্রোহ কিংবা পোড়ো নদীর স্রোত (২০১৮), মায়ের মতো পরি (কিশোর কাব্য-২০২০), গহিনে অরণ্য নদী (২০২১)
জলাঙ্গি ও ভাঁটপুষ্পসমূহ (২০২৩)।
গল্পগ্রন্থ: জলপিপিদের বসতবাড়ি (২০১৩), ডুবেছিল চাঁদ নিশিন্দা বনে (২০২১), মৃৎচক্রের দিনগুলি (২০২৩)।
প্রবন্ধ: নিগূঢ় শিল্পের কথাচিত্র (২০২১)
অনুবাদ (কাব্য): ভিন পাখিদের স্বর (২০২২)
যৌথ ও সংকলিত গ্রন্থ: মুক্তিযুদ্ধের ছড়া কবিতা সংকলন (২০০৮), একুশের ছড়া কবিতা সংকলন (২০০৯), দেশের কথা ভাবি (২০১০), রঙিন মেঘের দেশে (২০১২), বাবাকে নিবেদিত কবিতা (২০১৯)
সম্পাদনা গ্রন্থ- International Anthology for Peace and Humanity (প্রকাশিতব্য)
সম্পাদিত পত্রিকা– অণুস্বর (২০০৮) , শিল্পসাহিত্যের ওয়েব পত্রিকা শব্দকুঞ্জ।
পুরস্কার: বামিহাল তরুণ সাহিত্য পুরস্কার-২০২২ (প্রবন্ধ-নিগূঢ় শিল্পের কথাচিত্র), সাহিত্য দিগন্ত লেখক পুরস্কার-২০২০( গল্পগ্রন্থ- জলপিপিদের বসতবাড়ি), বাঙালির কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার-২০২০ (কাব্যগ্রন্থ- দ্রোহ কিংবা পোড়ো নদীর স্রোত), ইন্টারন্যাশনাল পিস এম্বাসেডর সম্মাননা(২০২০), দাবানল সাহিত্য পুরস্কার-২০০৪ ( কবিতা- রক্তাক্ত রাজপথ), Rivista Letteraria Lido dell’anima PREMIO(ROME)।






















পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।

There are no reviews yet.