Description
নাহার আলম।
ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। জন্ম : ২৬ মার্চ। জেলা : জামালপুর। সংসারজীবন শুরুর আগে বেশ কিছুকাল ব্যাংকিং পেশায় নিযুক্ত ছিলেন।
লেখালেখির শুরুটা মূলত ২০১১ সাল থেকে।
প্রকাশিত প্রথম কাব্য : কারুদহন অতঃপর ঝিনুকশ্বাস, একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৮, চমন প্রকাশন, বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় কাব্য : অপহৃত গোধূলির আর্তি, দর্পণ প্রকাশন, কলকাতা আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলা-২০১৯, কলকাতা।
প্রথম গল্পগ্রন্থ : একটি লাল কাশবন, একুশে গ্রন্থমেলা-২০২২, বুনন প্রকাশন।
প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ : অনুধ্যানে নিবিড় পাঠ ও অন্যান্য, নভেম্বর-২০২৩, অনুপ্রাণন প্রকাশন।
কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, সমালোচনা- তার লেখার মূল বিষয়। (২০১৪- ২০১৯) ছয় বছর কলকাতার আন্তর্জাতিক সাহিত্য পত্রিকা ‘বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ’-এর বাংলাদেশ শাখার সহকারী সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে সাহিত্যের ছোটোকাগজ ‘বুনন’-এর সহকারী সম্পাদক এবং সাহিত্যের ছোটোকাগজ ‘ত্রৈমাসিক শব্দকথা’র সহকারী সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। এছাড়া অনলাইন পত্রিকা ‘শব্দকথা নিউজ-২৪ ডটকম- এর সাথেও যুক্ত আছেন। দেশি-বিদেশি লিটল ম্যাগাজিনে এবং জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত লেখা প্রকাশিত হয়, হচ্ছে। অনুবাদ কবিতা ও গল্পও প্রকাশিত হয়েছে। তন্মধ্যে আফ্রিকার জাতীয় দৈনিক ‘দ্য সানডে এক্সপ্রেস’, সিঙ্গাপুরের একমাত্র বাংলা দৈনিক ‘বাংলার কণ্ঠ’, ফ্রান্সের ‘দ্য প্যারিস টাইমস’, ভারতের কলকাতা, শিলং, আসাম, গুজরাট, রূপনারায়ণপুর, বাঁকুড়া, কলকাতার জাতীয় দৈনিক ‘প্রসাদ’- এসব বিভিন্ন প্রদেশের বেশ কিছু লিটল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত লেখার সংখ্যাও কম নয়। কলকাতার ‘মহাবঙ্গ সাহিত্য পরিষদ’ থেকে বেশ কয়েকবার সাহিত্য সম্মাননা, পদক, সার্টিফিকেট এবং বর্ধমান জেলার রূপনারায়ণপুরের ‘লহমা সাহিত্য সম্মাননা, পদক ও সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ঘটেছে। বিগত দু’বছর যাবৎ যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত দুটি আন্তর্জতিক সাহিত্য বিষয়ক ইংরেজি ম্যাগাজিন ‘পল’ এবং ‘দ্য স্পেস’ ম্যাগাজিনে অনূদিত কবিতা ও গল্প নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। POL (Poetry Out Load- edited by Uday Shankar Durjay), The space : edited by Uday Shankar Durjay)
E-mail : naheralam26@gmail.com
































‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’
There are no reviews yet.