Description
আনসার উদ্দিন আহমেদ। জন্ম : ২৪ মে ১৯৪৫। পৈত্রিক নিবাস ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া ইউনিয়নের শমসেরপুর গ্রামে।
১৯৬০ সালে নওয়াবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ‘গবেষণা সহকারী’ হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। চাকরিকালীন তিনি যুক্তরাজ্য ও মেক্সিকো- এ দেশ দুটিতে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে চাকরিতে থাকাকালীন ১৯৯৯ সালের ১১ জানুয়ারি আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। তার স্ত্রী মিসেস সোফিয়া আহমেদ সংস্থাপন মন্ত্রনালয়ের উপ-স্পচিব পদে কর্মরত আছন।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তার বিভাগ থেকে প্রকাশিত মৃত্তিকা বিজ্ঞান-বিষয়ক সাময়িকীর তিনি ছিলেন একজন নিয়মিত লেখক। সে সময় ঢাকা থেকে বিজ্ঞান বিষয়ক যত সাময়িকী প্রকাশিত হতো, তিনি ছিলেন এর সব কটির একজন অপরিহার্য লেখক। জাতীয় দৈনিকসমূহের কিশোর পাতায় ও শিশুতোষ সাময়িকীতে তার অনেক মনমুগ্ধকর রচনা প্রকাশিত হয়েছে। এরই কিছু অংশ নিয়ে বর্তমান গ্রন্থ ‘তিন হাজার সোনার মোহর’। তার যে সব লেখা পাঠকদের মুগ্ধ তা হলো বিজ্ঞানের জটিল বিষয়কে গল্পের আঙ্গিকে ও রূপকথার ভাষায় শিশুদের উপযোগী করে উপস্থাপন করা।




























পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।







There are no reviews yet.