Year-end  Clearance Sale !!!, Get 50% Off for all products from 2014 to 2019.

জ্যোৎস্নালিপি

ছোটোগল্পকার, গবেষক, তথ্যচিত্র নির্মাতা, সাংবাদিক এবং শিশুসাহিত্যিক–অনেকগুলো পরিচয় মিলিয়েই জ্যোৎস্নালিপি। বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানায়। মা, গীতা মোদক ও বাবা, ডা. বৈদ্যনাথ বিশ্বাস। লেখালেখির শুরু কৈশোরেই। ইতোমধ্যে শিশুসাহিত্যিক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্য নিয়ে লেখাপড়া করেছেন। ছোটোগল্প নিয়ে গবেষণা করে অর্জন করেছেন পিএইচ.ডি ডিগ্রি। দৈনিক দেশবাংলার শিশুসাহিত্য পাতা ‘ডানপিটেদের আসর’ ও সংবাদের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্য পাতা ‘খেলাঘর’ দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেছেন তিনি। এছাড়া, ‘ধ্রুব’ নামে একটি লিটল ম্যাগাজিনও সম্পাদনা করেছেন। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ: ‘রাখাল ছেলে ও সাতপরি’, ‘কাঠবিড়ালীর বিয়ে’, ‘চরকা কাটা বুড়ি’, ‘ভালোদাদু’, ‘প্রকৃতির আঁকিবুঁকি’, ‘চাঁদমামার জামা’ ‘ডিমের ছানা’, ‘ঢাকা শহরে ভূত এলো’, ‘জোনাকমেয়ে’, ‘এমন যদি হতো’, মেঘপরিদের সোনার নূপুর, ‘জাদুর মুড়ি’; গল্পগ্রন্থ: ‘অথবা বিমূর্ত অন্তর্দাহ’; সম্পাদনা গ্রন্থ: ‘খবরের খোঁজে’, ‘সংবাদের তালাশে’, যৌথ সম্পাদনা: ‘আলতাফ মাহমুদ স্মারকগ্রন্থ’, ‘ক্রীড়া সাংবাদিকতা’, গবেষণা গ্রন্থ: ‘গ্রামীণ সাংবাদিকতায় মোনাজাতউদ্দিন: জনসাংবাদিকতার রূপকল্প অনুসন্ধান’ এবং অন্যান্য গ্রন্থ ‘সাংবাদিকদের জন্য গণমাধ্যম সহায়িকা: নারীর ক্ষমতায়ন’ তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা বিশের অধিক।

জ্যোৎস্নালিপি

Showing all 2 results

Show:
Filter

তিতি ও প্রেত্নি মিস

Highlights:

মননশীল সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠার সুবাদে কৈশোরের আঙিনা থেকেই কথাশিল্পের সঙ্গে জোৎস্নালিপির সখ্য। শিশুবেলা থেকেই পারদর্শিতা দেখিয়েছেন ধারাবাহিক গল্পবলা, একক অভিনয় এবং আবৃত্তিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ছোটগল্প লিখে জিতেছেন পুরস্কার। তখন থেকেই ছোটগল্প লিখে এবং লিটল ম্যাগ ‘ধ্রুব’ সম্পাদনায় বেশ পরিচিতি পান। এরপর জাতীয় দৈনিকগুলোতেও ছোটগল্প, প্রবন্ধ, গবেষণামূলক লেখা শুরু করেন। হঠাৎই একদিন লিখে ফেললেন একটি শিশুতোষ গল্প। ছাপা হলো সংবাদের শিশুসাহিত্য পাতা খেলাঘরে। এরপর নিয়মিত শিশুদের জন্য লিখতে থাকলেন এবং তা প্রকাশিত হতে থাকল দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকগুলোসহ লিটল ম্যাগাজিন এবং শিশুসাহিত্য পত্রিকায়। তার বর্তমান মনোনিবেশের বেশির ভাগ এখন শিশুসাহিত্যে। দৈনিক সংবাদের শিশুসাহিত্য পাতা ‘খেলাঘর’ ও দৈনিক দেশবাংলার ‘ডানপিটেদের আসর’ দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেছেন। গবেষণা, সাংবাদিকতা এবং সাহিত্য রচনার পাশাপাশি তিনি একজন তথ্যচিত্র নির্মাতা। প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান থেকে জ্যোৎস্নালিপি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ছোটগল্প নিয়ে গবেষণা করে। এ ছাড়া, সাংবাদিকতায় রয়েছে তার একটি ডিগ্রি ও দুটি ফেলোশিপ। গণমাধ্যমবিষয়ক ত্রৈমাসিক ‘মুক্তপ্রকাশ’-এর সম্পাদক, ‘দৈনিক সংবাদ’-এর ফিচার সম্পাদক এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘প্রান্তজন’-এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিতি ও প্রেত্নি মিস

হাতি ও পিঁপড়ের চাঁদ দেখা

Highlights:

হাতি ও পিঁপড়ের চাঁদ দেখা

শীতের বিকেলে পিঠে রোদ লাগিয়ে আরাম করে শুয়ে ছিল হাতি। পাশের এক মাটির ঢিবি থেকে পিনপন নামের পিঁপড়েটি পিল পিল করে হাতির সামনে এসে বলে, কথা দিয়েছিলে চাঁদ দেখাবে। কই ডাকলে না তো। বিকেলের নরম রোদে আরামে চোখ বুজে এসেছিল হাতির, পিঁপড়ের গলা পেয়ে চোখ পিটপিট করে বলে, বলেছি যখন তখন দেখাব। আজ রাতেই দেখাব।
রাতে কেন এখনই দেখাও না।
আরে চাঁদ তো রাতে দেখা যায়। এই বনের সবাই যখন ঘুমায়, তখন চাঁদ চুপিচুপি আকাশের গায়ে ওঠে।

হাতির কথা মতো রাতে চাঁদ দেখতে হাজির হয় পিঁপড়েটি। হাতি বলে, কী দেখ? পিনপন বলে, লাঠির মতো কিছু একটা, আবার আমগাছের মতোও মনে হয়। দাঁড়াও একটু চড়ে আসি, দেখি কোনো বাসাটাসা বানানো যায় কি না। পিঁপড়েটি হাতির পা বেয়ে ওপরে উঠে যায়।
হাতি বলে, পেলে কিছু?
অনেক কিছু কিছুমিছু?
হাতি ভাবে মহা মুশকিলে পড়া গেল তো! এই পিঁপড়েটাকে নিয়ে চাঁদ দেখার আয়োজন করাটাই ভুল হয়েছে, তবু কথা যখন দিয়েছি, তা তো রাখতেই হবে। পিঁপড়ে বলে, বেশ মজা হচ্ছে, এখানেই বাসা বানাব ভাবছি।
নেমে এসো বলছি। আমার কেমন সুড়সুড়ি লাগছে।
চাঁদে আমি ঘর বানাব শুনে তোমার কি না সুড়সুড়ি লাগে, হে হে ভারি মজা তো!
আরে ওটা চাঁদ নয়, ওটা আমার … উঁ উঁ বলে চিৎকার করে ওঠে হাতিটি। পিঁপড়ে বলে, চাঁদে বেশ মজা চিমটিও কাটা যায়। দেখবে এসো।
আরে ওটা চাঁদ নয় ওটা আমার পা।
তোমার পা! হেহে এখন বলবে তো চাঁদের তোমার পা পড়েছে। মনের দুঃখে হাতি এবার বসে পড়ল।
…………………………………………………
…………………………………………………
…………………………………………………

হাতি ও পিঁপড়ের চাঁদ দেখা

Scroll To Top
Close
Close
Shop
Sidebar
Sale
0 Wishlist
0 Cart
Close

My Cart

Shopping cart is empty!

Continue Shopping