চঞ্চল নাঈম

চঞ্চল নাঈম, জন্ম ১ এপ্রিল, ১৯৮৬ সালে বাঙলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায়। পেশাগত কারণে বর্তমান সপরিবারে ঢাকায় থাকেন।
রাতপত্র (২০১৯), ধু ধু (২০২১) এ পর্যন্ত প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থগুলোর পর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ’ নুন আর মশলার ঘ্রাণ’ প্রকাশিত হল।
প্রধানত কবিতা লেখেন, পাশাপাশি গদ্যও লেখেন। প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থ ‘মৃত্যু’, ‘আবার রাতপত্র’।

চঞ্চল নাঈম
Show:
Filter
25% Off

ছায়ার ভোঁ – চঞ্চল নাঈম

Highlights:

মুহূর্তের সন্দর্ভ দানকারী ব্যঞ্জনাকে চঞ্চল নাঈম এই কাব্যে একান্তে এঁকেছেন। অতিরিক্ত শব্দের ও অনুষঙ্গবিহীন চিত্রকল্পের আসক্তি নেই। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় পর্যবেক্ষণগুলো স্বাভাবিক, তেমনি অস্বাভাবিকও। ছায়া, গণিত, ডট, অপেক্ষা, নৈঃশব্দ্য, শূন্যতা, সংখ্যা পরিমাপ, সম্ভাবনা ইত্যাদি বিষয়ে তীব্র উপলব্ধি আছে। বিমূর্তে না গিয়েও অপার বিস্ময় শিল্পদক্ষ কবির আয়ত্তে এসে গেছে। আমরা অনেক সময় ভাজ্য, ভাজক, ভাগফলকে মান্যতা দিই, ভাগশেষ ব্রাত্য থাকে। চঞ্চল নাঈম লিখছেন— ‘সব ভাগশেষ/অপ্রয়োজনীয় না।’ সত্যিই তো জীবনে কিছু না কিছু অবশিষ্ট থাকে বলেই, শুরু হয় নতুন কল্পনা। ‘বসে থাকা ঘড়ি’— নয়টি শব্দের কবিতা, যেখানে চিরকালীন বৈজ্ঞানিক সত্য আবর্তিত। আধুনিকতার নিয়ামক হলেও বিভিন্ন কারণে যন্ত্র রুদ্ধ হয়ে যায়। বাস্তবতার গতি কখনো রুদ্ধ হয় না। ‘ছায়ার ভোঁ’ নামকরণ থেকেই বিস্ময়। এরপর প্রতিটি কবিতায় চমক, ভিন্নভিন্ন পর্যবেক্ষণে। প্রতিটি কবিতার শিল্পসম্মত হয়ে ওঠা বিস্ময় সৃষ্টি করে। হয়ে ওঠার চারুশিল্পকে ভাষাদক্ষতার সঙ্গে নিষ্পন্ন করেছেন চঞ্চল নাঈম। কাঁথাস্টিচের সূক্ষ্ম-সূক্ষ্ম শৈল্পিক মেধা স্বল্পশব্দে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘আমার ছায়া/মাটিতে পড়ে/কিন্তু/ওজন অনুভব করি না’— সহজ সত্য, কাব্যের সত্যে পরিণত। ডট চিহ্নকে নিয়ে কতো মধুর বচন রচিত হয়, সেটা ‘ডট’ কবিতার পাঠে বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষণীয়। এই কাব্যের প্রতিটি কবিতা বিমূর্ততা ছাড়াই জীবনের বহু না-দেখা অবস্থাকে ইঙ্গিত করছেন কবি।

অলোক বিশ্বাস
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

Chayar Vo - Chanchal Nayeem

$ 2.12
25% Off

নুন আর মশলার ঘ্রাণ – চঞ্চল নাঈম

Highlights:

কবিতার মিথকে অগ্রাহ্য না করেও, পরম্পরাকে কবিতায় সন্দেহ না করেও কবি চঞ্চল নাঈম কবিতার অন্তঃস্থলের নিরূপিত একরৈখিক ভাবনাকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে চলেছেন। দুর্বোধ্যতার অর্থ ওঁর কবিতায় দূরবোধ্যতা। সুদূরের বোধ ওঁর কবিতায় নতুন ভাষার জন্ম দিয়েছে। আমরা সাধারণভাবে বাংলা কবিতার যে আবহমান ভাষার সঙ্গে অতি পরিচিত, সেই ভাষাকে ছাড়িয়ে যায় কবি চঞ্চল নাঈমের কবিতা। এই গ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় যেন রয়েছে এক ভাষা বিদ্রোহ। ‘চুপ’ থাকার বিষয়টিকে ওই বিদ্রোহের জন্যই হয়তো কবি সম্মান করছেন ক্ষণিক অবসরে। কবির অবসর আর পাঁচটা মানুষের অবসরের সঙ্গে তুলনীয় হয় না কখনোই। কারণ ভাষার ভিতরে লুকিয়ে থাকা অন্য ভাষা, বিষয়ের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অন্য বিষয় সন্ধান করেন কবি। চঞ্চল নাঈমের ‘নুন আর মশলার ঘ্রাণ’ কবিতাগ্রন্থটি দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশের নাম ‘ধু ধু মুহূর্ত’ আর দ্বিতীয় অংশ ‘উৎস পাঠ’। ’নুন আর মশলার ঘ্রাণ’ নামকরণে কবিতাটি এই গ্রন্থের সামগ্রিক চিহ্নকে ধারণ করে আছে। বাংলা কবিতার আধুনিক প্রবাহ এবং একই সঙ্গে অতীত ঐতিহ্যের প্রতি প্রবল টান চঞ্চল নাঈমের এই গ্রন্থের সকল কবিতাকে বিশেষায়িত করছে। দুই তিন চার পাঁচ পংক্তির কবিতায় তীক্ষ্মতা, একেবারে গদ্যের চলনে মনের সংকেতগুলোকে প্রকাশ আর আধুনিক স্মার্টনেস এইসব কবিতাকে স্বাতন্ত্র্যে চিহ্নিত করে।

অলোক বিশ্বাস
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

নুন ও মশলার ঘ্রাণ - Nun AAR Moshlar Graan

$ 2.12
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart