Poem (কবিতা)

Poem (কবিতা)
Show:
Filter
40% Off

সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যা

Highlights:

সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যা

তুমি হরিণীর মতো অরণ্যে ঢুকে গেলে
কোন এক সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যায়-

আর আমি বৃষ্টিমুখর সারারাত
শিবরঞ্জনী রাগ শুনে শুনে ভোর করে দিলাম

সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যা

$ 0.99

স্বৈরমতি পিরিতের শূল

Highlights:

প্রেম কিংবা পাপ যতোটা মানবিক

একটা দোলক যেন তোমার মুখের মতো…
দুলছে;
আমি ওসব ভুলছি না, যা-কিছু আমাকে অপমানিত করে;
সবকিছু সয়ে নিয়ে নির্ভয়ে তোমাকে বলছি—
দোলকটা সূর্যের মতো নয়,
আর তা চাঁদ হলেও আমি কিছুতেই ছুঁতাম না;
তবে একে ছুঁতে চাই, যেন আমি ছুঁই,
তোমার মুখ, দূর নক্ষত্রের ভূমি!
আর চাইলে আমার ঈশ্বর হও,
তোমার কোলে এক নাস্তিক শিশু হতে দিও,
তোমার চুম্বন কী পোড়ায় না দোজখের মতন—
পোড়াক আরো, আরো নির্জন হোক এই চোখ!
এখানে তুমি শুধু,
তোমার মুখ সমস্ত বোঝা না-বোঝা তত্ত্বের মতো,
তাতে অনিবার্য কামনার খরদাহ হোক,
একবার, বুকের তাপ ঢেলে দিও—
বহে যেন তপ্তগুপ্ত তরলের হিম, আমার কিছু পাপ হোক,
মনুর আদতে বুনে দেবো এক অনন্য ধর্মের বীজ—পাপ শিরোনামে;
সে-সকল পাপের পলল, তোমার শিশুরা, কতোটা ধার্মিক হলে
মাতৃজননাঙ্গে পুনঃপ্রবেশ করে তাই জেনে নিও!
আমাকে দিও সমস্ত গ্রহের ফের,
পথ ভোলা অগস্ত্যরে নিদানে দিও কোনো এক মৃত নক্ষত্রে দিশা,
আর তোমার চোখে মেলে ধরা নিত্য জ্যোতির্বিদ্যা,
পৃথিবীর মানুষ কখনো তার নিদান পাবে না!

স্বৈরমতি পিরিতের শূল

অলীক জোছনা

Highlights:

কবি কবির মুকুল প্রদীপ, এক তরুণ কবির নাম
কবির মুকুল প্রদীপে’র প্রথম কাব্য প্রকাশকালে সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, তাঁকে পাঠকবৃন্দের কাছে আমার পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উপলক্ষ্য কতকটা অতিরিক্ত প্রয়াস, কারণ কবি কবির মুকুল প্রদীপ তার নিজগুণে ও ধ্যানে ইতোমধ্যে পাঠক সমাজে নিজেকে গ্রহণীয় করে তুলতে পেরেছেন এবং নতুন এক রুচিধারা প্রবতর্নের চেষ্টায় যুক্ত রয়েছেন। আমি ফ্লাপে যে মন্তব্য লিখছি তা একজন অগ্রজের মুগ্ধতারই অভিব্যক্তি এবং সংশামুখরতা। তার কবিতা সমাজলগ্ন এবং সুস্থ সমাজচেতনা গড়ায় প্রত্যয়ী। আর তাই তিনি অনায়াশে বলেন ‘স্বৈরাচারী চেয়ার নিয়ে আবারও কয়েকযুগ নিশ্চিন্ত হয়।’ এই নিশ্চিন্ত হওয়ার পেছনের কারিগর হচ্ছে অশ্লীল রাজনীতি, যা জনগণকে ক্রমাগত চেতনাহীন নির্জীব প্রাণীকুলে পরিণত করে রেখেছে। আর তারা দেখে সমুদ্রের জলে পা দিয়ে হেঁটে যাওয়া, সমুদ্রে মিলিয়ে যাওয়া, দেখে সামান্য বিষয় নিয়ে মানুষগুলোর ‘অমানুষ’ আচরণে ডুবে যাওয়া এবং এসব ঘটে বাস্তবজীবনের অঙ্কগুলো সঠিক চেতনায় জারিত করে উপলব্ধি হীনতার কারণে।
কবির মুকুল প্রদীপ প্রথাকে ভাঙতে চান নতুন সমৃদ্ধি আনার জন্য, এবং পুরানো প্রথাবদ্ধতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নির্মাণচেষ্ট কবিতার নতুন শরীর। কিন্তু প্রথাকে তিনি উপলব্ধি না করে ছুঁড়ে দিতে চান না। তার ক্রিয়া নতুন প্রথা নির্মাণের মধ্যদিয়ে কবিতাকে নতুন সময়ের উপযোগী করা। যাতে পরিবর্তিত সময়ের অভ্যেস রুচি ও চেতনা কাঠামোর নবরূপায়ন সম্ভব হয়। কবির মুকুল প্রদীপ বলেন ‘মৃত্যু-মুহূর্ত পর্যন্ত যে ঘুণে খাওয়া চৌকিটিতে বাবা শুয়ে থাকতেন/আজ ভাঙতে গিয়ে—-পায়া-তক্তার মতো দেখি/ আমিও ঝুরঝুর করে খুলেÑ বর্জের স্তুপে পরিণত হয়ে যাচ্ছি’ মুকুল এ ভাবেই পুরানোকে ভাঙতে গিয়ে তার প্রতি যে মোহ তাকে উসকে দিয়ে নিজ কর্তব্যকে নির্ধারণ করেন ভাঙার প্রত্যয়ে। তিনি নানাভাবে কবিতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবার একটা মানসিকতা নিজের মধ্যে গড়ে তুলছেন যা আমরা গত কতকটা সময় ধরে দেখছি। তিনি লিখছেন ভাষার নতুন অর্থযোজনার প্রয়াস নিয়ে।
যেমন তিনি বলেন ‘কোথা থেকে এক বিমূর্ত করুণ সুর ভেসে আসেÑ মনে হয়/ইটের নিচে চাপা পড়ে গোঙ্াচ্ছে বাদামি ঘাস/সর্বভূক কংক্রিট-ড্রাগন আর ধর্মের শৃগাল গিলে খাচ্ছে বনবাঁদাড়, খাল-বিল-মেধা’ তখন তো স্পষ্টই হয় কবি তার বিষয়কে কীভাবে নির্বাচিত করেন, কেন নির্বাচন করেন, কেন তিনি তাঁর আঁকুতিকে নিছক কল্পনা বিলাসে ভাসিয়ে না দিয়ে গড়ে নিচ্ছেন চেতনার শব্দবলীর মেলবন্ধন; আর শিল্পীর সামাজিক দায়িত্বকে কীভাবে কাঁধে নিয়ে হাঁটতে সক্রিয় হয়েছেন বর্তমানের কবিতায়।
মুকুলের এটা প্রস্তুতি পর্ব, তার উত্থান পর্বে আমরা আরো সংহত শক্তপোক্ত কবিতা পাবো, পাবো নতুন ভাষা নির্মাণের পঙক্তিমালা, যা দৃশ্যমান অর্থ থেকে নানা অর্থকে দ্যোতিত করবে, কাব্যসুন্দরকে প্রজ্ঞাপূর্ণ করবে। আমি খুবই আশাবাদী এই তরুণ কবির কাব্যক্ষমতার বর্তমান প্রকাশে। তার জয় হোক।

-মতিন বৈরাগী

অলীক জোছনা

বাতিল বেশ্যার ডায়েরি

Highlights:

সিদ্দিক প্রামাণিকের কবিতায় টুকরো আখ্যান আর নাট্যমুহূর্তের ব্যবহার অভিনব। রহস্য আর রূপকের দক্ষ আড়ালে তিনি বলে যান নিজের সময়, জনপদ আর মানুষের বিচিত্র গল্প। পাঠক বিস্ময়ের অভিঘাতে থমকে যান, কখনো শোকে আর্দ্র, কখনো ক্রোধান্ধ হয়ে পড়েন। সবশেষে কবিতা-ই তার সারসত্য নিয়ে জেগে থাকে।

বাংলা কবিতায় সিদ্দিক পরিব্রাজকের মতো আসেননি, এখানে থাকতে এবং রাজত্ব করতেই এসেছেন। আতশবাজির খেলা নয়, বারুদের বিস্ফোরক ক্ষমতা-ই তাঁর পছন্দ। সহজেই বোঝা যায় এই কবির জামার আস্তিনে আরো অনেক জাদু উন্মোচনের অপেক্ষায়।

কবি ও কবিতার জয় হোক।

সরদার ফারুক

বাতিল বেশ্যার ডায়েরি

40% Off

প্রণয়পুরাণ

$ 1.13
40% Off

কফিন কাঠের ঘুম

Highlights:

সালু আলমগীর কবিতার রূপদক্ষ কারিগর। সহজ ও গভীর উচ্চারণে তিনি আবেগ ও বৌদ্ধিক উপলব্ধিকে একই তারে বেঁধে রাখতে সক্ষম। তিনি ভিড়ের মুখ নন, নিজস্ব স্বরের অধিকারী এক ধ্যানী ঋষি।

তিনি যেমন মানবমনের গূঢ় সংবেদনের কবি, একইসঙ্গে সমাজ-রাষ্ট্রের ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে এক দ্রোহের প্রতীক। নিরীক্ষার নামে তিনি শেকড়বাকড়হীন কবিতার জন্ম দেননি বরং জীবন থেকেই রূপ-রস নিঙড়ে নিয়ে তৈরি করেছেন এক রহস্যের পৃথিবী।

কবির কবিতাপাঠে পাঠকের আনন্দস্নান হোক। মহাকাল দূর থেকে দেখুক।

-সরদার ফারুক

কফিন কাঠের ঘুম

$ 1.48
40% Off

পকেট সেলাই করি ছেঁড়া জামার

Highlights:

ভূমিকা-

কবিতার ভিতর দিয়ে বহুবিধ বহুকালের অমীমাংসিত জটিল সমীকরণের সমাধান খুঁজে চলা কবির নাম সালাহউদ্দিন সালমান, কবি যেন কলমের ডানায় আর খাতার বাতিঘরে লুকিয়ে রাখে বেঁচে থাকার মৌলতম রসদ, তার কবিতায় পাঠক খুঁজে পায় অনন্য স্থির নির্ভেজাল ধনাত্মক-ঋণাত্মক ডান বাম, ভালো মন্দ সুখ দুঃখ, অনুভূতি চিন্তা ভাবনা বোধের শৈল্পিক নিরপেক্ষতা। মানুষের সাধ্যাতীতের বিপরীতে কবি তার কবিতায় ফুটিয়ে তুলে নরম জীবনের কারুকাজ, কবি তার কবিতায় দ্রোহের রক্ত নিয়ে আলো খুঁজে অসম্ভব অনিশ্চয়তার নিঃসীম অন্ধকারে, তার একেকটি কবিতা মূর্তিমান জীবনের একেকটি দীর্ঘশ্বাস, সমাজ সংস্করণে এই জীবনমুখী কবির কবিতা যেন প্রয়োজনীয় বিদ্রোহের প্রতীক। কবির প্রেমময় কবিতাগুলো যেনও প্রেমিক প্রেমিকার বুকপকেটে ভরে রাখা কখনো কালো মেঘের আহাজারী, কখনো শূন্যতার নিঠুর মহামারী, আবার কখনো কখনো চালচুলোহীন স্বপ্নাতুর লালিত সঞ্চয়ের সমুদ্রখচিত বিশাল আকাশ। কবির একটি কবিতা পড়েছিলাম পোড়ামাটি নামক- শুইয়ে থাকা নীরব জ্যোৎস্না কে ছুঁতেই /নিজের ছায়া ছুটে চলে অন্ধকারের দিকে/ মেঘঘন আকাশের ফিকে বিছানায়/অগণিত জোনাকিদের সদ্য ঘুম মুখে/আঙুল রাখতেই খলবলিয়ে উঠে নিস্তরঙ্গ নদী/ ভাঙি দ্রোহ আর আকাক্সক্ষার জড়ানো ইমারত/ অনিবার্য পিপাসা ফুরায় অন্তর্গত অভিবাসী জলে/ অবাধ্য হাতের অকুতোভয় আঙুলগুলো বোটা ছুঁতেই/ অঝোর আষাঢ় আসে থই থই লুণ্ঠিত হয় ঘরবাড়ি/ ঘাম শুকায় ঘামে কাঁচা দেহ হয় পোড়ামাটি/ -সশরীরে দেখে মনেই হবে না সালাহউদ্দিন সালমান এমন অসংখ্য কবিতার কবি, কবির নিজের একটি উক্তি আছে কবিতাকে নিয়ে কবি প্রায় বলেন-কবিতা সত্য সুন্দর স্বপ্নিল জীবনের সাথে চলে আমরা কবিতার সাথে চলি। বিশ্বব্যাপী কবিতার মিছিলে কবি সালাহউদ্দিন সালমান এর উজ্জ্বল পদচারণ তারই দৃপ্ত প্রমাণ।

পকেট সেলাই করি ছেঁড়া জামার

$ 0.85
40% Off

অথবা’ও তুমি

$ 1.13
40% Off

বাতাসের বীজতলা

Highlights:

 

ভূমিকা-

কেবলি ভেঙে টুকরো হয়ে যায় মৃত্যু, অপরূপা মেয়ে!

বাতাসের ঘরে জন্মায় অদ্ভুত; যৌন তাড়িত অব্যয়ে…

বাতাসের বীজতলা

$ 0.85
40% Off

ঠোঁটের কারফিউ ভাঙ্গে নিঃশব্দ আঙুল

Highlights:

 

সমাজ, দেশ এবং বৈশ্বিক সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে কবি মনিরুল হক এমরান কবিতার শৈল্পিক ভাষায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই কাব্য গ্রন্থে কবি প্রেম-দ্রোহ, কষ্ট-ক্ষোভ ও মনের মাধুরী মিশিয়ে জীবনের চিত্র এঁকেছেন। তাঁর কবিতায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উপজীব্য। হিংসা-প্রতিহিংসা, বকধার্মিকদের ধর্মাধর্মের বাড়াবাড়ি, মানুষের প্রতি মানুষের নিষ্ঠুরতাকে প্রতিবাদ করেছেন কবিতার মাধ্যমে শব্দের দক্ষ কারিগরের হাতে। পাঠকের জন্য সুখপাঠ্য করে তুলেছেন প্রতিটি কবিতা। এই গ্রন্থে পাঠকের মনকে আনন্দে আন্দোলিত করার মত রয়েছে তাঁর তের্জারিমা ছন্দে লেখা পনেরটি তের্জারিমা কবিতা। দুই খ-ের তের্জারিমা বই প্রথম প্রকাশিত হয় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে। যা পরবর্তীতে পাঠক ও কবিদের মাঝে সমাদৃত হয় এবং অনেক নবীন কবি চর্চা করতে শুরু করেন। এবারের কবিতার বইটি খানিকটা ভিন্নভাবে, কবির নিজস্ব ছন্দের কয়েকটি কবিতা রয়েছে। আশা করি পাঠক বইটি পড়ে নির্মল আনন্দ পাবেন।         -প্রকাশক

ঠোঁটের কারফিউ ভাঙ্গে নিষিদ্ধ আঙুল

$ 0.99
40% Off

শাদা কফিনে মেঘের শব্দ

Highlights:

মাহবুব মিত্র বিশ্বাস করেন মানুষই শিল্প; মানবতাই ধর্ম। মানুষবিহীন পৃথিবী শস্যহীন প্রান্তরের মতো। তিনি মনে করেন সৃষ্টি জগতের শ্রেষ্ঠ শিল্প মানুষের সৌন্দর্য। তাঁর প্রিয় বিখ্যাত দু’টি উক্তিÑ “মানুষ দেখার আনন্দে তুমি কখনো ক্লান্ত হয়ো না”, “ভুল মানুষের কাছে আমি নতজানু নই।” নীতির সাথে আপোসহীন চির প্রতিবাদী সতত ডানার মানুষ এক ক্লান্তিহীন গেয়ে যান ভালোবাসার গান, সমতার গান, মানবতার গান, সুন্দরের গান।

 

মাহবুব মিত্র বস্তুবাদী দার্শনিক মতবাদে বিশ্বাসী। আবার ভাববাদী দর্শনও মাঝে-মধ্যে তাঁকে ভাবায়। এই দুই মতবাদের ভিতর দিয়ে পথ হাঁটছেন। তিনি বুকে ধারণ করে আছেন সৃষ্টি জগতের সকল সুন্দরের নির্যাস। সাহিত্য ও শিল্পের বাগানে শব্দ বুনে-বুনে তৈরী করছেন মানব হৃদয়ের নৈবেদ্য। এই নিবিড় সংসারে একাকি নিঃসঙ্গ পথিক এক খুঁজে পেয়েছেন জীবনের সৌন্দর্যের অবিরাম ধারাপাত। তিনি মানব হৃদয়ে খুঁজে বেড়ান সুন্দরের স্বর্গভূমি।

 

তিনি সর্বদা আশাবাদী একজন প্রাণবন্ত-প্রফুল্ল মানুষ। তুমুল অন্ধকারের মাঝে খুঁজে ফেরেন আলোর ফোয়ারা। মানুষ তখনই মৃত যখন তার ভিতরের আনন্দ মরে যায়। চিরন্তন সুন্দরের জন্য হাহাকার-আকাক্সক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধের উপলব্ধি, স্বতন্ত্র বোধের-চেতনার আলোয় উদ্ভাসিত তাঁর ভাবনার আকাশ। তাঁর সুকুমার কোমল প্রবৃত্তি আপন আলোয় ভাস্বর, দীপ্ত-শোভান্বিত, সদা জাগ্রত।

শাদা কফিনে মেঘের শব্দ

$ 0.85
40% Off

ধুন্ধুমার

Highlights:

আকাশের বুকে মানুষের পা হাঁটে না, চোখ হাঁটে। দিগন্তের দিকে যেই চোখ পড়ে মন ছুটে যায় নিমিষে। এই যে চোখের সাথে মনের অন্তর্নিহিত যোগসূত্র সেখানেই কবিতার বসবাস। কবিতা মানুষকে আকাশে হাঁটায়, দিগন্তে ঘুরায় আর সৌন্দর্যের আতিশয্যে বসবাস করায়। বর্তমানে বিজ্ঞানের যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন, এই যে আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস, দর্শন, ভূগোল- এসবের সুন্দর ও নান্দনিক প্রতিফলন মেলে কবিতায়। সমালোচক কবি Arnold কবিতাকে বলছেন, ‘Criticism of life.’ সিডনি তাঁর ‘An Apology for Poetry’-তে কবিতাকে দেখছেন ‘A divine gift’ হিসেবে। আমরা বাঙালি। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। ভাষার জন্য আমাদের প্রাণ দিতে হয়েছে। আমাদের দেশ বাংলাদেশ। দেশের জন্য লক্ষ লক্ষ জনতার প্রাণ গেছে। ভাষার জন্য, দেশের জন্য যে মানুষটি আমাদের পথ হাঁটিয়েছেন তিনি হচ্ছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কিছু বিপথগামী সেনাবাহিনীর হাতে বঙ্গবন্ধুর প্রাণহরণ কবি মাহবুব জন-কে গভীরভাবে আলোড়িত করে। সৃষ্টিশীল মানসপটে নতুন প্রজন্মের কবি মাহবুব জন দেশ, মাটি তথা মাতৃভূমি, সমাজ, গোষ্ঠী, চারপাশের দৃশ্যাবলী- তীক্ষè অনুভূতির এক উজ্জ্বল আলোকছটা তাঁর এ ‘ধুন্ধুমার’ কাব্যগ্রন্থটি। যেমনটি Arnold তাঁর`The Study of Poetry’ -তে বলেছেন, ‘Greatness of matter is inseparable from the greatness of manner’- পাঠক অনায়াসেই মাহবুব জন-এর ‘ধুন্ধুমার’ কাব্যগ্রন্থের সুন্দর বিষয়বস্তু এবং কাব্যিক বিন্যাসে মুগ্ধ হবেন।

ধুন্ধুমার

$ 0.99
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart

Shopping cart is empty!

Continue Shopping