Books

Books
Show:
Filter
25% Off

স্বপ্নজাল – ভাস্কর চৌধুরী

Highlights:

উপন্যাসটি যখন আরম্ভ করি তখন মনে এই ইচ্ছে ছিল যে, মহেশখালীর ট্রলারের মালিকদের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে শামুক ও ঝিনুকের শুঁটকি বানিয়ে একজন ব্যবসায়ী কিভাবে কোটিপতি হতে পারে সেটি নিয়ে গল্প সাজাব। গল্প যে লেখককে তার ইচ্ছে থেকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসটি লিখতে গিয়ে আমি টের পেলাম যখন আমি ধীরে ধীরে আমার অভিজ্ঞতা, পঠন, ভ্রমণ ও কল্পনা মিশিয়ে লিখতে লিখতে যেন নিজেকেই লিখে ফেললাম। এখন পর্যন্ত যতটুকু লিখেছি, হাজার পৃষ্ঠা ছাড়িয়ে যাবে। তাই আরেকটি উপন্যাসের জন্যে কিছু রেখে ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসে অনেক সম্পাদনা করে এটুকু আপনাদের সামনে হাজির করলাম। উপন্যাসে সময় এবং ঘটনার বিস্তার এতোটাই ঘটেছে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে পরবর্তী অনেক ঘটনা এসে গেছে। এভাবে ভারত, থাইল্যান্ড, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, আলজেরিয়াসহ মালয়েশিয়া, সৌদি আরবের মানুষ ও রাজনীতি ও অর্থনীতিও উপন্যাসে ঢুকে গেছে।

বর্ণিত বিষয়গুলো আমার স্মৃতি, ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। আমি লেখা থামাতে পারিনি। ফলে একালে এতো বড় ঘটনাবহুল একটি উপন্যাস আপনাদের সামনে হাজির করতে হল। স্বপ্ন, প্রেম, আশ্রয় ও প্রয়োজন মানুষের জীবনে আসলে কী হতে পারে, মানুষের অসীম শক্তি কী করতে পারে কিন্তু করে না, সেটাই ভাবনার বিষয়। এই উপন্যাসের মূলকথা সেটিই।

পাঠকের বিচারের অপেক্ষায় কাঠগড়ায় দাঁড়ালাম।

বইটি প্রাণ লাগিয়ে যিনি সম্পাদনা করেছেন, শুধু কৃতজ্ঞতা দিয়ে তাঁর ঋণ শোধ হবে না। আর প্রকাশক আমাকে উপন্যাসটি প্রকাশের সাহস না দিলে আমি এটি লিখতে পারতাম না। প্রকাশক ও সম্পাদকের কাছে ঋণী রইলাম।

শুভকামনা রইল।

ভাস্কর চৌধুরী।
অমিয়ধারা
শ্যামলী, ঢাকা।

Shopnojal

$ 10.19
25% Off

সম্পর্কটা শুধুই জৈবিক – আসমা সুলতানা শাপলা

Highlights:

যে জীবন মানুষের সে জীবনও কখনো পশুর মতো ধুঁকে ধুঁকে বাঁচে যখন মানুষই মানুষের উপর জেঁকে বসে। চিন্তা শুভবুদ্ধি আর বিবেকের ধার কমে গেলে মানুষ অমানুষ হয়ে উঠে। তাছাড়া, পুরুষতন্ত্র, সামন্ততান্ত্রিক মনোভঙ্গী বোধশক্তি যখন তার আত্মশক্তির উদ্বোধনের নাগাল পায় না তখন তা মারাত্মক আকারে নেমে আসে আসেপাশের সব মানুষের উপর এমনকি স্ত্রী-সন্তানের উপর। মানুষ যখন হয়ে উঠে পরজীবী তখন তা গোপনে নিঃশেষ করে তার প্রাণ-শক্তি-সাধ-আহ্লাদ। ধ্বংস হয় স্বাভাবিক জীবনাচরণ। কখনো কখনো তার মরণও ডেকে আনে। চারপাশের মানুষের সাথে সম্পর্কগুলা যখন হয়ে উঠে পুরাপুরি জৈবিক। আসলে জৈবিক অর্থ কি! জীবন সম্পর্কিত যা কিছু তাই তো জৈবিক হবার কথা। তাই না! তবু, অকর্মণ্যতা-বিচারবুদ্ধিহীনতা-প্রজ্ঞাহীন জীবনদর্শন-জিদ-লোভ এসবই মানুষকে ঠেলে দেয় স্বার্থপরতার দিকে। দিকে-দিকে ঘরে-ঘরে দেশে-দেশে জাতিতে-জাতিতে ধর্মে-ধর্মে নেমে আসে তখন মাটি নিয়ে কাড়াকাড়ি, সম্পদের উপর আগ্রাসন। চলে সাম্রাজ্যবাদ, চলে ঠকবাজি, কেড়ে নেওয়া, কেড়ে খাওয়া, চাপিয়ে দেয়া, ভোগ করা, জ্বালিয়ে দেওয়া, পুড়িয়ে দেওয়া, হত্যা, লুঠ, যুদ্ধ, ধর্ষণ। তার সবেচেয়ে বড় আঘাতটা গিয়ে পড়ে নারীর উপর। মনস্বিতা সেই, জ্বলন্ত-সত্যের মতো মিথ্যা হয়ে জ্বলে আছে সবটা উপন্যাসে। যে নির্যাতিত স্বামীর দ্বারা। যে ঠকে যায় প্রেমিকের লোভের কাছে। একজন মুসলমান নারী বলে একজন জাতভেদ প্রথায় বিশ্বাসী সনাতন প্রেমিক পুরুষের কাছে যেথানে আত্মার পবিত্র দান অর্থহীন হয়ে পড়ে। যে পুয়ালচাপা পড়ে আছে এই সামাজিক প্রথায়। যে নির্যাতিত তার পরিণত মেধাশক্তির উদ্বোধনের কারণে। যার মন মরে পড়ে আছে কেবল একটা দেহ নিয়ে এই সংসারে। যে আয় করতে পারে, যে নিজের ভালোলাগা ভালোবাসার চেয়ে অনেক উঁচুতে ধরে রাখতে চায় পারিবারিক মূল্যবোধ, যে পায়ের নিচে পড়ে থেকেও ভাবে পায়ে পিষেফেলা মানুষটির একাকীত্ব নিঃসঙ্গতা আর অসহায়ত্বের কথা। তাতে কি শেষ রক্ষা হয়! হয় না। অন্যদিকে জীবনের প্রত্তুষে যে পুরুষ ছিল প্রেমিক সে হয়ে উঠে অবিশ্বাসী-রাজনীতিবিদ-যোদ্ধা। যে সংসারী যে পিতা যে স্বামী নীরবে মুখ বুজে সয়ে যায় জীবন জীবন ধরে বাড়ির আর সবার চাওয়া পাওয়ার খড়গ অনেকের মধ্যে থেকেই সে একা। যাপন করে বিরহী জীবন। দেশান্তরী হয়। আবার ফিরে আসে দেশে। ফিরে আসে যুদ্ধে ফিরে আসে ঘরে ফিরে আসে জলপাইগুড়ি-তরাই-নকশালবাড়ি ছেড়ে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে। ছোটভাই আর তার ছেলের পেতে রাখা মৃত্যুফাঁদের মাঝখানে ঝুলে থাকে স্ত্রী-পুত্রসহ তার জীবন। জন্মের পর যে বিশ্বাসে গড়ে উঠেছিল তার নিজের পারিবারিক আইন ফিরে আসে তারই মাঝে। অশান্ত-অস্থির, প্রত্যাশার সাথে পাওয়ার অমিল-বেমিল সব গিয়ে উপনীত হয় একটি জায়গায় যাতে সুখ যাতে শান্তি যাতে আত্মার অমলিন স্পর্শ পাওয়া যায়। তাই মনস্বিতা নামের মরে যাওয়া মেয়েটির পূণর্জন্ম হয় তমালকৃষ্ণের কন্যা-বিয়োগ ব্যথাতুর মনে। মনস্বিতা জৈবিক সম্পর্কগুলার মধ্যে পড়ে যায়। তবু মরিয়া সে, মাতৃত্বের হাহাকার তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় তাকে যা একই সাথে জৈবিক ও আধ্যাতিক।

ধর্মীয় বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের টানাহ্যাচড়া, জাতভেদে আত্মম্ভর মানুষমন, মানব মানবীর জটিল জৈবিক সম্পর্ক, নকশালবাড়ি আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অজস্র সত্যের মতো কাহিনী ও চরিত্র জড়িয়ে ভরিয়ে দুই খন্ডে গড়ে উঠেছে ‘সম্পর্কটা শুধুই জৈবিক’ উপন্যাসের বিশাল আখ্যান। যার এক একটি চরিত্র ধারণ করেছে নানা সত্য ঘটনা কিন্তু চরিত্রগুলার বেশির ভাগই লেখকের মনোবেদনায় কিবা মনোহরণে নির্মিত।

Somporkota Shudhui Joibik

$ 4.24
25% Off

নিমপাতার পাকোড়ার নিষিদ্ধ আলিঙ্গন- ইসরাত জাহান

Highlights:

সম্পর্কে জড়ানোর জন্য অভিকর্ষ বলের কোনোই দোষ নেই।
— আলবার্ট আইনস্টাইনক
কথাটি হয়তো এই মহান বিজ্ঞানী মজার ছলে বলেছিলেন। আসলে একজন মানুষ জন্মের পর ধীরে ধীরে তার কাছের মানুষগুলোকে চিনতে শুরু করে। তারপর সে দূরের সম্পর্কগুলোকে জানার চেষ্টা করে। কাছে দূরের এই যোজন বিয়োজনের পারস্পরিক ক্রিয়ার রসায়নে একটা সময় হয়তো কোনো সম্পর্ক মধুময় হয়ে ওঠে, কখনো বা তিক্ত। আবার এই তিক্ত সম্পর্ক সৃষ্টির নিয়ামক হয় মানুষের লোভ, শঠতা ও অহংকার।  মাঝেমাঝে কিছু সম্পর্ক সামাজিক বিধিনিষেধের গোলকধাঁধায় পড়ে আবার নিষিদ্ধও ঘোষিত হয়। সেই সম্পর্কেগুলোর হয়তো কোনো নামও হয় না। অথচ নামহীন এমন সম্পর্কের ভার সারা জীবন মনে ভেতরেই থেকে যায়।

মানুষের বৈচিত্র্যময় আন্তঃসম্পর্কের পাপপুণ্যের পরিধি বিশ্লেষণ করে লেখক ‘নিমপাতার পাকোড়া নিষিদ্ধ আলিঙ্গন’ গল্পগ্রন্থে সেইসব নিষিদ্ধ সম্পর্কগুলোকেই আলিঙ্গনের চেষ্টা করেছেন। শুধু মানবিক সম্পর্কের পূর্বাপর অন্বেষণ নয়, সামাজিক অবক্ষয় আর বিচ্ছিন্নতাও এই গল্পগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

Nimpatar Pakorar Nishiddho Alingon

$ 2.43
25% Off

মননশস্যে নজরুল- পীযুষ কান্তি বড়ুয়া

Highlights:

নজরুল চির বিরহী, চির বিস্ময়। অভিমানভরে চিরতরে দূরে যাওয়া নজরুল আবির্ভাবে ধূমকেতু কিন্তু আচরণে ঝঞ্ঝা। কখনো মুয়াজ্জিন, কখনো মক্তবের শিক্ষক। কখনো লেটোর ব্যাঙাচি, কখনো ওয়াহেদ বক্সের দোকানে রুটির কারিগর। নজরুল যেন এক অতৃপ্ত পরিযায়ী প্রাণ । কখনো বুলবুলশোকে সিক্ত, কখনো ফজিলাতুননেসায় রিক্ত।
অজয় পাড়ের নজর আলী গোমতীর তীরে বাজায় বাঁশি, নার্গিসকে বঞ্চিত করে আশালতায় আনে হাসি। তবুও সে যেন বাঁধনহারা, বুক ভরা তার রিক্তের বেদন, ঝর্ণার খরধারা। রানুর কণ্ঠে ঢালে সুর; নিজে নিরন্তর নিপাত করে অসুর। সে বাজায় অগ্নিবীণা, আগুন জ্বালে আগুন বিনা। সে গায় ভাঙার গান, অর্ঘ্য তার ব্যথার দান।
মানুষ নজরুল সংবেদী, কবি নজরুল সংহারী। জাহেদা মায়ের নজরুল অবুঝ, দেশ মায়ের নজরুল চির সবুজ। প্রেমিক নজরুল দুর্মর আর আড্ডার নজরুল উদ্দাম। নজরুল যেমন যোদ্ধা, নজরুল তেমনি বোদ্ধাও বটে। রণক্ষেত্রে নজরুল হাবিলদার, কলাক্ষেত্রে সে সুন্দরের অপ্রতিম দ্বার। নজরুল কীটস্-রবীন্দ্রনাথে মজে থাকলেও মজিয়ে তুলেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু ও বাঙালিকে তাঁর ‘জয় বাংলা’ দিয়ে। নজরুল শোষিতের যীশু, যাকে মহান করে দারিদ্র্য; নজরুল চির শিশু যার সারল্য নিñিদ্র।
‘অগ্নিবীণা’র শতবর্ষে এসে নজরুল আজও আরাধ্য, আজও আস্বাদ্য। নজরুল-তপস্যায় মগ্ন থেকে নজরুলের মননশস্য হতে অমৃত-নির্যাসের আকাক্সক্ষায় নিরন্তর হোক আমাদের নজরুল চর্চা। চিরজীবী নজরুলে অনিরুদ্ধ হয়ে উঠুক সুন্দরের আরাধনা।

Mononshosye Nazrul By Pijush Kanti Barua

$ 2.82
25% Off

পাগলা কানাই ও তাঁর তত্ত্বদর্শন- সম্পাদনায় বঙ্গ রাখাল

Highlights:

কথাসামান্য…

মৃত্যু পরবর্তী জীবনরহস্য প্রতিটি মানুষকে ভাবায়। মানুষের এসব চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয়েছে ধর্ম, দর্শন ও মরমি সঙ্গীত। মরমি কবি ও দার্শনিক লালন শাহ তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে বাঙালির মানসজগত আধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনাকে দারুণভাবে আলোড়িত করেছেন। তাঁর ভাবধারণায় অনুপ্রাণিত ও উজ্জিবীত করেছেন পরবর্তীকালের মরমি কবি, সাধক, বয়াতি কবিয়ালগণকে। এই মৌলিক চিন্তা-চেতনার ওপরে ভিত্তি করে লোককবিগণ তাদের রচিত সঙ্গীতের মাধ্যমে বিষয়টিকে একটি নান্দনিকরূপ দান করেছেন। মানুষের জীবনকে করেছেন অর্থবহ ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ লোকসঙ্গীতের একটি মূল্যাবান সম্পদ এই আধ্যাত্মিক ও মরমি সঙ্গীত।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি মূলত লোকসংস্কৃতি নির্ভর। আবহমানকাল ধরে এই সংস্কৃতি আমাদের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লালন করে আসছে। আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতিতে ক্রিয়াশীল থেকেছে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত উদার সংস্কৃতি। দেশের খ্যাতনামা লোকসঙ্গীত শিল্পী, বয়াতি লোককবিগণ বিভিন্ন ধর্মের সারাৎসারকে একত্র করে এই সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছেন। বাঙালির হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক বহুমাত্রিক ও সমন্বিত সংস্কৃতির ধারার সঙ্গে এটি পরিপূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ধর্মীয় গোঁড়ামি, মৌলবাদি চিন্তা-চেতনা মানবিক চেতনায় সমৃদ্ধ লোকসঙ্গীতের এই প্রবহমান ধারাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারেনি।

আধুনিক লোকসঙ্গীত চর্চা ও গবেষণা শিল্পীর জীবন ইতিহাস রচনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে। শিল্পীর সঙ্গে নিবিড় সংসঙ্গের মাধ্যমে লোকসঙ্গীতের বিবর্তনের ধারা-গতি- প্রকৃতি সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য লাভ করা যায়। মানব জীবনে সৃষ্টিরহস্য জীবাত্মা থেকে মুক্তি পেয়ে পরমাত্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে অনন্ত জীবন লাভ করার ক্ষেত্রে এসব সঙ্গীতের অবদান অনস্বীকায।

মরমি কবি পাগলা কানাই আমাদের লোকসঙ্গীতের একজন প্রাণপুরুষ। তিনি জ্ঞান-চিন্তা-চেতনার ওপর ভিত্তি করে যেসব গান রচনা করেছেন তাতে তাঁর আধ্যাত্মিক চেতনা জীবন ও জগৎ সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি সৃষ্টি করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও তিনি তাঁর গানে দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নায়পূর্ণ ক্ষণস্থায়ী জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে অনন্ত অসীম স্রষ্টার সঙ্গে মিলিত হওয়া দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সহজ ভাষায় রচিত গানগুলো তাঁহার সকলের নিকটবোধগম্য।
বঙ্গ রাখাল সম্পাদিত ‘খেয়ালি বাউল পাগলা কানাই ও তাঁর তত্ত্বদর্শন’ গ্রন্থে পাগলা কানাই সম্পর্কে লিখিত বেশ কয়েকটি মূল্যবান প্রবন্ধ পাঠক গবেষকদের নিকট উপস্থাপন করেছেন। এসব প্রবন্ধ পাঠ করার মাধ্যমে লোকসঙ্গীত ও সংস্কৃতি চর্চায় নিয়োজিত গবেষক সঙ্গীত শিল্পী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। লোকসঙ্গীত চর্চা ও গবেষণার জন্য বর্তমানে জীবিত শিল্পী সঙ্গীতের দর্শক শ্রোতার প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়াত শিল্পীর জীবন ইতিহাস রচনার জন্য গবেষণা পদ্ধতি ভিন্নতর। এই গ্রন্থে লেখক গবেষক পাগলা কানাই এর একটি সংক্ষিপ্ত জীবন ইতিহাস যুক্ত করতে পারলে গ্রন্থটি আরো মূল্যবান হবে বলে আমি মনে করি।

শফিকুর রহমান চৌধুরী
বাংলা একাডেমির প্রাক্তন পরিচালক
ও
ফোকলোর গবেষক।

 

Pagla Kanai O Tar Tattodorshon

$ 3.53
25% Off

ছাইরঙা নথির বয়ান – সৈয়দ ওয়ালী

Highlights:

পাঠ প্রতিক্রিয়া বা মতামত
দশকধারণার বাহিরে প্রায় অনাবিষ্কৃত শক্তিমান কবি সৈয়দ ওয়ালী’র ছাইরঙা নথির বয়ানে এক শব্দ-জাদুকর।ভাবনায়-বিশ্বাসে-কর্মে দশকের গণ্ডিতে আটকে না যাওয়া একজন পুরোদস্তুর কবি; আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাপদ আবিষ্কারের জের ধরলে একজন চির-আধুনিক বাঙালী কবি। তাঁর আসন্ন কাব্যগ্রন্থ ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’এর পাণ্ডুলিপি পড়তে বসে প্রথমেই লক্ষ্য করি (এই কবির)নিজস্বতা বজায় রেখে বিভিন্ন আঙ্গিকে কবিতা লিখতে পারার পারদর্শীতায়।বইটি চার সর্গে বিভক্ত;  সর্গেই তাঁর কবিতারা বলিষ্ঠ।  অনবদ্য সব বোধের খেলায় মেতে ওঠার সোনালি মুহূরতগুলির প্রাণান্ত ফসল এই বইটি;যা তাঁর শিল্পরসের নান্দনিক স্বাক্ষর ধারণ করে আছে।বইটি যে কাব্যপিপাসু পাঠকের কাছে একটি সমকালীন মাণিক্য হয়ে ধরা দেবে এই আশাটুকু অমূলক নয়।
–কবি সাজ্জাদ সাঈফ

পাণ্ডুলিপিটি আমি দু’বার পড়েছি- দিনের আলোর কোলাহলে, মধ্যরাতের নির্জনতায়। অভিজ্ঞতাকে দ্বিখণ্ডিত করে যেভাবে পৃথিবী আমাদের উপলদ্ধি করে, কবিতাকে উপলদ্ধি করতে হয় সেভাবেই। একজন দক্ষ কারিগরের হাতের কাজের প্রতিটি বাঁকে থাকে শেখার উপাদান, সেখানে মুখ্য বিষয় সৃজনশীলতা কতটা উপভোগ্য। সেখানে আঙুল নত হতে শেখে। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ আনাড়ির ছাপে তৈরি নয়। কবিতার প্রতি কবির ভালোবাসা, সাধনা, আর পরিশ্রমটা ঠিক বুঝা যায়। তাই শব্দে, উপমায়, ছন্দে আমাদের চারপাশটাকে মথিত করে ভালোলাগার মানদণ্ডে ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ উতরে যায় অনায়াসেই। আর রেশ থেকে যায়Í সৃষ্টিশীল মানুষের শেষ ইচ্ছে তো এই। কবি তাঁর নিজস্ব চিহ্ন রেখে যাক, রেখে যাক রেশ- এই শুভকামনা।
–কবি ও গল্পকার প্রজ্ঞা মৌসুমি

“আলাদা বেহালার কবিতা থেকে জল-মশালের ভাষার শেষ কবিতা একটি বহুমাত্রিক  জার্নি…;  যেখানে বিভিন্ন রং মিলে গেছে এক মহাকাব্যিক কোলাজ ক্যানভাসে ওভারল্যাপহীন; যাতে পর্যায়ক্রমিক এক অদ্ভূত ছন্দ আছে, যে ছন্দের জাদুতে মনে হয় পথটি ভীষণ চেনা; আবার এই চেনা পথের নানা বাঁকে আছে নানা অচেনা রহস্যও; যা চেনা- অচেনার মেল-বন্ধনের-এক-গভীর-ঘোরে পাঠককে ধরে রাখে। আমি পাণ্ডুলিপিটি টানা পড়েছি; আমার বিশ্বাস, পাঠক এই বইটির মাঝের বিভিন্ন পর্বগুলো একই গতিতে পড়তে পারবেন। একবার পড়ার পর যেমন অনেক বই দ্বিতীয় পাঠ দাবিই করে না, এ বইটি তার ব্যতিক্রম। আর এটা বারবার বললেও কম বলা হয় যে, আমি কখনও ‘সৈয়দ ওয়ালী’র কবিতার বোধ ও বাঁধনের কাছে, কখনও সংকেত ও সংযমের কাছে, প্রকৃতে তার কবিতার আত্মার সীমাহীন ঘোরের কাছে পূর্বের ন্যায় এবারও নত হলাম’।
– কবি নীলাদ্রি দেব

“অনুচ্চস্বর ধারণ করেও যে শক্ত এবং যথার্থ কথাটা শৈল্পিকভাবে ব্যক্ত করা যায়, তার উদাহরণ কবি সৈয়দ ওয়ালী। আরও স্পষ্ট করে বললেÍ কবিতা লেখাই যদি কবির কাজ হয়, তবে নিজের ঢঙে তিনি সেই কাজটুকু করে যাচ্ছেন। কবিতায় তিনি উচ্চকণ্ঠধারী নন কিন্তু বলিষ্ঠ। নিজের সময়কে ধারণ করাই প্রকৃত কবির কাজ, তবে সেটা অতীত বিচ্ছিন্ন, উন্মুল হয়ে নয়। সৈয়দ ওয়ালীর কবিতার ভেতর প্রোথিত রয়েছে তার বিশ্বাস, রাজনৈতিক চিন্তা, প্রকৃতিবাদ, সমাজ, সময় এবং মানুষ। তিনি প্রত্নতাত্ত্বিকের মত অনুসন্ধিৎসু, বিশ্বের তাবৎ কিছু নিয়ে তার কবিতার কারবার; আবার একই সাথে তিনি আপন মাটির খুব সংলগ্ন। কৃষকের মতো মাটিতে কান পেতে তিনি শুনতে পান বীজের স্ফুটনের শব্দ। যাকে নিজের ভাষায় আমি বলি, প্রত্ন-আধুনিক। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ এর পরতে পরতে রয়েছে এসবেরই প্রত্যায়িত স্বাক্ষর।
– কবি শামশাম তাজিল

“কোনো যন্ত্রী যখন সঙ্গীত পরিবেশন করেন, আমরা দেখি তার আগে তিনি যন্ত্রটিকে সালাম বা প্রণাম করছেন। সঙ্গীত, নৃত্যকলাসহ অপরাপর মাধ্যমে এই ধরনের রেওয়াজ মূলত আর কিছু নয় ওই শিল্পমাধ্যমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও নিবেদনের অভিব্যক্তি। সাহিত্যও এর বাইরে নয়। কবিতাকে মানুষের মহৎ সৃজন মনে করেন সৈয়দ ওয়ালী। ফলে তিনি যখন কবিতার কাছে যান, যান সেই শ্রদ্ধাবোধ থেকেই। কবিতার শরীর নির্মাণ, প্রকরণ, ছন্দ ও সুরসিদ্ধিতে তার কঠোর অধ্যবসায় আমাদের সে কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। এরই গুণে তার লেখায় প্রথাগত ছন্দের বাইরে আরো এক ছন্দ ও সুরের প্রবাহ আমাদের নজরে পড়ে। এ ছন্দ আঁটসাঁট বাঁধনও নয়, আবার নিতান্তই ছন্দহীনতার স্বেচ্ছাচারও নয়, বরং দুইয়ের মধ্যবর্তী ভারসাম্য। প্রথার উজানে যাত্রা না করে আপাত সাদামাটা বিষয়বস্তুর পাথরখণ্ডকেই ভাষ্কর্যরুপী কবিতা নির্মাণের জন্য বেছে নেন তিনি। কঠোর পরিশ্রমে সেই পাথরখণ্ডেই প্রবাহিত করেন স্বেদ ও দীর্ঘশ্বাস। ধীরে ধীরে পাথরটির গায়ে ফুটে ওঠে ইতিহাস ও রাজনীতি চেতনা, বিষাদ আর স্মৃতিকাতরতা”।
– কবি হিজল জোবায়ের

Chaironga Nathir Boyan

$ 2.47
25% Off

হংকঙের মেয়েরা – শিশির আজম

Highlights:

“ও ঘুমায়
আমার ত্বকের নিচে সারাদিন

রাতে
ওকে ডেকে তুলি

আমি বাঁচি
আমার কুকুরগুলোর জন্য
ওরা
অশান্ত হয়ে উঠেছে
ওরা
আমার ত্বক
চেটে
ফুটো করে ফেলবে”

Girls of Hongkong, A collection of Bangla Poems By Shishir Azam

$ 2.07
25% Off

প্যারাডাইস এক্সপ্রেস – মিনু মৃত্তিক

Highlights:

তিরিশ বছর ধরে মিনুকে দেখছি। ও আদ্যপান্ত কবি। মার্কসবাদী বলা যাবে? সমাজবাদী তো বটেই! গল্পে ওর ক্যারিশমা সত্বেও ওকে আমি কবিই বলি। হ্যা, কবিতা নিয়েই ওর বেড়ে ওঠা, যে কোন আদর্শবাদীতা খারিজ করে, হাইপাররিয়ালিস্ট দার্শনিকতার আবহে, একাগ্র ঔদ্ধত্যে। এই কবিতাগুলো সামগ্রিকভাবে মিনু মৃত্তিকের ‘ষষ্ট’ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। পূর্বের কাব্যগ্রন্থগুলোর সঙ্গে এর মৌলিক পার্থক্য খুঁজতে গেলে বড় আকারের উল্লম্ফন অনুভূত হবে না। তবে রূপের বৈচিত্রে ও গন্ধে আলাদা এক ভাললাগা পাঠকের ইন্দ্রিয়ে নিশ্চিত সঞ্চারিত হবে, একথা বলা যায়। মিনু ক্রমাগত নিজেকে আবিস্কার করে চলেছেন, নাস্তিতে অথবা অধিবিদ্যক প্রেতাত্মার বিকর্ষণে! নিজেকে নিয়ে সর্বগ্রাসী ঠাট্টা আর নিজেকে ভেঙে চলেছেন তীব্র সংরক্ষণহীনতায়, অস্বীকারও করছেন নিজেকে। এভাবে তৈরি হচ্ছে তথাকথিত আধুনিকতার প্রভাববলয়ের বাইরে ওর নিজস্ব আগুনপথ, যে বিষম আর উদ্ভট মাল্টিকালচারাল পথে নেমে আমরা হতবাক হয়ে যাচ্ছি, হোঁচট খাচ্ছি, বিরক্ত হচ্ছি। আলটিমেটলি মিনু এটাই চান হয় তো–এই অরাজকতায় উশকানি দেওয়া, ‘সত্যে’র প্রতি চোরা অবিশ্বাস তৈরি করা! অমরত্ব মিনুর কাছে তাচ্ছিল্যের ব্যাপার। কিন্তু যে ভাষা-ভায়োলেশান মিনু আমাদের কবিতায় চারিয়ে দিয়েছেন সেটাকে পাঠক সম্ভবত ইগ্নোর করতে পারবেন না।

শিশির আজম, কবি
০৫-০৭-২০২২ খ্রীঃ

প্যারাডাইস এক্সপ্রেস - Paradise Express

$ 2.12
25% Off

করোনাকালের ছায়া – মণীশ রায়

Highlights:

মোট ছোটগল্প তেরোটি। প্রথম পাঁচটি সারমেয়দের নিয়ে রূপক-গল্প। বিগত করোনাকালের নির্মমতার শিকার এরাও। হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ, বাজারগুলো ক্রেতাহীন, রাস্তাঘাট আর গলিগুলো জনশূন্য। রাস্তার নেড়ি কুকুরগুলো খাবার পাবে কোথায় ? ওরা মানুষ-ঘেঁষা সংবেদনশীল এক প্রাণী, মানুষ ওদের কাছে প্রভু তুল্য, মানুষই ভালোবাসা-করুণায় ওদের বাঁচিয়ে রাখে আবার ওদের জীবনে যতো পীড়ন-দমন সব মানুষের কারণেই ঘটে ; লেখক তাই ওদের চোখ দিয়ে এ সমাজের মানুষগুলোর ভাব-ভালোবাসা, ত্রুটি-বিচ্যুতি ও নিষ্ঠুরতার খণ্ড খণ্ড চিত্র আঁকতে চেয়েছেন গল্পগুলোয়। করোনাকালের ছায়া, একলা ফুলি, একলা হিল্লি, গভীর অন্ধকারের ঘুম, মানুষ বোঝা দায়, মেঘের মতো কোমল সে-কথাই জানান দেয়। অন্যদিকে করোনা কথা, করোনা বিভ্রম, আজকাল খুনিকে চেনা যায় না, বন্ধঘরের লড়াই গল্পগুলো কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিপন্ন সময়কে ঘিরে আবর্তিত; এসময়ের মানসিক টানাপোড়েন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক দৈন্য ও দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাস ও সন্দেহ বারবার ঘুরেফিরে গল্পগুলোর পরতে পরতে ছায়া ফেলেছে। যে বিপন্নতাবোধ থেকে মানুষের অন্তরে অসহায়তার সূত্রপাত, লেখক যেনো গল্পগুলোয় নানাভাবে-নানারঙে আখ্যানের ভেতর দিয়ে জীবনের সেই গভীর সত্যকে ধরতে চেয়েছেন । দেশান্তরী আমলকী, অন্তিম, জীবন একফোঁটা মধু মানুষের সেইসব বোধ ও উপলব্ধিকে তুলে ধরে। গল্পগুলোর বিষয়, নির্মাণ-শৈলী ও মেজাজের ভিন্নতাও লক্ষণীয় ।

করোনাকালের ছায়া - Koronakaler Chaiya

$ 2.82
25% Off

পাথুরে মাটির কিষাণ – আনোয়ার হোসেন বাদল

Highlights:

পাথুরে মাটির কৃষাণ’ আনোয়ার হোসেন বাদলের সেই উপন্যাস যেখানে আছে টিকে
থাকার লড়াই, দুর্নীতির থাবা, মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও প্রত্যাশার ফাটল, আছে কিছু
হৃদয়বান মানুষের আশ্রয় আর নদী ভাঙনের ছোবল। একটি ভালো উপন্যাসে আমরা
অবশ্যই চাইবো সমাজের ভালো-মন্দ আদলের সবটুকু রূপায়ন। ‘পাথুরে মাটির কৃষাণ’
সে ক্ষেত্রে এক অপূর্ব সংযোজন।

দক্ষিণাঞ্চল দ্রোহ আর প্রেমে বরাবরই উর্বর। একদিকে সবুজের সামিয়ানা অন্যদিকে
নদী ভাঙনের হাহাকার। একদিকে প্রতারণা, হয়রানী অন্যদিকে সর্বরিক্ত মানুষের হাত
ধরে বাঁচার সংগ্রামে কতিপয় হৃদয়বান মানুষ। আনোয়ার হোসেন বাদলের চারপাশে
থাকা এইসব মানুষই, ‘পাথুরে মাটির কৃষাণের’ চরিত্র হয়ে উঠেছে। সমাজের কালোসাদা, অন্ধকার-আলো আনোয়ার হোসেন বাদলের উপন্যাসকে এতটাই কাছের করে
তলেছে যে, মনে হচ্ছে একজন প্রক ু ৃত লেখকের কলম থেকে এই ধাক্কাটা দরকার
ছিলো। উপন্যাসের শুরুতে কলকাতা যাবার ভ্রমণযাত্রী হিসেবে যে জমিরুদ্দিনকে দেখা
যায় উপন্যাসের শেষে তাকেই দেখা যায় অনেক উত্তর মিলিয়ে দিচ্ছেন দায়িত্ব নিয়ে।
জমিরুদ্দিনই এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, যে বিবেকের গান হয়ে পাহারাদার হয়ে
উঠেছেন। আত্মসমালোচনার চাবুক উপন্যাসের গতিকে দুর্বার করেছে। রয়েছে
মনস্তাত্ত্বিক গাঢ়তা।

মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের বেঁচে থাকার ঐশ্বর্য। এখানেও রয়েছে সত্য, অসত্য কুহক।
কখনো কখনো সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় আড়ালেই থেকে যায়। একজন
শহিদ মুক্তিযোদ্ধার মা বানেছা বুড়ি তাই ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে। মুক্তিযুদ্ধের
কথা এলেই সেখানে থাকবে রাজাকার অরেছ শিকদারের মতো চরিত্র যাদের দেখলে
আজও ঘৃণার সমুদ্র জেগে ওঠে বানেছা বুড়ির শরীরে। চাঁন গাজী, লালু শরিফ,
প্রতিবাদী যুবক রুস্তম মোল্লা, জেলে জীবন, নদীর তীব্র ভাঙন খেলা, খেটে খাওয়া
মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রাম আনোয়ার হোসেন বাদলের উপন্যাসকে দিয়েছে উত্তাল
উত্তাপ। সেই ধারাবাহিকতায় গভীর অনুরাগ জ্যোৎস্না জামিলা। যা বিরহের জলে ধোয়া
এই কঠিন জীবনের শরীরে দিয়েছে মধুর টান। সমাজের নিয়মে তৈরি দেয়াল বুঝিয়ে
দেয় অসম, অসার প্রতিদিনের ক্ষত। আনোয়ার হোসেন বাদলের উপন্যাস, ‘পাথুরে
মাটির কৃষাণ’ অনেক ছোট ছোট কাহিনি, নানা মানুষ, ভ্রমণপথের বর্ণনায় সমৃদ্ধ।
প্রকৃতি, প্রেম, রাজনীতি, প্রতিবাদ, সরলতায় জীবন্ত এই উপন্যাস হৃদয়বান পাঠকের
কাছে পৌঁছে যাবে আমার বিশ্বাস।

আসমা চৌধুরী
০৮.০৮.২০২২

পাথুরে মাটির কিষাণ - Pathure Matir Kishang

$ 3.53

অনুপ্রাণন ১১তম বর্ষ ৩য় সংখ্যা- কবি ও কবিতা সংখ্যা- তৃতীয় পর্ব

Highlights:

শিল্প-সাহিত্যের ত্রৈমাসিক, অনুপ্রাণনের একাদশ বর্ষের ৪টি সংখ্যায় বাংলাদেশের ১০০জন নির্বাচিত কবি ও তাদের কবিতা নিয়ে আলোচনার তৃতীয় পর্বে এসে এই সংখ্যায় ২৩জন কবি ও তাদের কবিতা নিয়ে আলোচনা সমুহ সংকলিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, অনুপ্রাণন ত্রৈমাসিকের একাদশ বর্ষ অর্থাৎ এ-বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যায় বাংলাদেশের ১০০জন নির্বাচিত কবি তালিকা থেকে প্রতিটি সংখ্যায় ২৭জন করে মোট ৫৪জন কবির জীবনী, প্রকাশনা, প্রাপ্ত সম্মাননা ও পুরষ্কার, উল্লেখযোগ্য কবিতা এবং কবিতা নিয়ে বিশেষ আলোচনা ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই সংখ্যায় অর্থাৎ ৩য় পর্বে ২৩ জন এবং পরবর্তী ৪র্থ পর্বে আরো ২৩ জন কবি ও কবিতা নিয়ে মোট ১০০ জন কবির জীবনী, প্রকাশনা, পুরষ্কার ও সম্মাননা, উল্লেখযোগ্য কবিতা এবং কবিতা নিয়ে আলোচনা সংকলন সম্পন্ন হবে বলে আশা রাখছি।
বাংলাদেশের কবি ও তাদের কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আমরা দেখি যে, বাংলা সাহিত্যে বাংলাদেশের কবিদের অপরিসীম ভূমিকা ও অবদান রয়েছে। সাহিত্যমান বিবেচনায় তুলনামূলকভাবে কবিতাগুলো যে অত্যন্ত উচ্চস্থান দখল করে আছে, এটা নিঃসন্দেহেই বলা যায়। একদিকে নান্দনিক বিবেচনায় কবিতাগুলো যেমন উত্তীর্ণ, অন্যদিকে ঠিক তেমনই চলমান সমাজ, রাজনীতি, শোসিত মানুষের সংগ্রাম, জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম ও মানবিক চেতনায় উদ্ভাসিত কবিতামালা গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। বাংলাদেশের কবিদের মূল বিষয় হিসেবে বাঙলার প্রকৃতি, মানবতা, মানব প্রেম, মাতৃস্নেহ, পিতৃস্নেহ, ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক সম্প্রীতি, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় ও সামাজিক মৌলবাদ বিরোধিতা, নারীবাদ ইত্যাদী বিষয়গুলো যেমন এসেছে ঠিক তেমনই পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে মানব-মানবীর প্রেম, বিরহ অথবা ব্যক্তি পরিচয়, আত্মানুসন্ধান, আত্মজিজ্ঞাসামূলক দার্শনিক বিষয়গুলো। ব্যক্তি, সমাজ ও দেশ কোনটাই অবহেলিত থাকেনি। জয়-পরাজয়, আশা-হতাশা, সংগ্রাম, সংক্ষুব্ধতা অথবা আপসকামিতা ছাড়িয়ে তাদের কবিতা হয়েছে মূলত জীবনধর্মী। তাই বাংলাদেশের কবিদের কবিতায় বহুলাংশে প্রকৃতি, প্রেম ও জীবনের অপার সৌন্দর্য সবসময় উঁচুতে তুলে ধরতে দেখা গেছে।

শিল্প-সাহিত্যের ত্রৈমাসিক, অনুপ্রাণন, একাদশ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা

25% Off

তোমার প্রেমিকারা আমার একান্ত শহরে- মিলি রায়

Highlights:

অনুভবের রক্তাপ্লুত প্রতিটি নির্ণীত ফোটাই কবিতা। কবিতা রহস্যের অনুসন্ধানে নিয়োজিত থেকে অন্ধকারে আলোর কণায় সোনার প্রতিমা গড়ে। অথৈ জলের তোড়ে জ্বলে যে কৌণিক বিন্দু, কবিতা সেই বিন্দুর জ্যা।
কবিতার এইসব নিগুঢ় নিপুণ রহস্যে মহাবিশ্বের পথিক মিলি রায়। মিলি রায় কবিতার মগ্ন শরীরে আঁকেন জলডুবুরীর কুহক, বাজান প্রেমের খোল করতাল। জমে জমে কবিতার অশ্বত্থ ছায়া শরীর হয়ে ওঠে হাজার বছরের দুগ্ধ সংস্কৃতির ক্ষীর।
মিলি রায় কবিতার শরীরে অযথা বা অকারণ কাঠিন্য আরোপ করেন না। প্রতিদিনের পান সুপারী বাটার মতো সরল নিক্তিতে কবিতা বয়ন করেন কবিতার উষ্ণ চাদরে।
মিলি রায়ের কবিতার প্রেম আসে অনিবার্য তিথি ও করতলের পরম কামনার একান্ত ঐশ্বর্যে।
প্রত্নতাত্ত্বিক প্রেম কবিতার শেষ দুটি লাইন, প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাসের পথ ধরে জানা গেছে
আলোকবর্ষ আগে প্রাণ ছিলো  ভালোবাসার।
প্রেম যেমন সংহারী উল্টোপথে প্রেম কামনায় মাখা মধুর অমাবস্যাও। মিলি রায়ের  কবিতা পাঠে প্রেম যমুনার জলে ঘুঙুরের ছলে ডুব সাঁতার খেলে।
তোমার প্রেমিকারা আমার একান্ত শহরে কাব্যনামের কবিতায় তিনি শব্দ আর হৃদ চেতনার অনুবাদে অনন্য এক সুন্দর সাজিয়েছেন, শূন্য উঠোনে।
মিলি রায় তোমার প্রেমিকারা আমার একান্ত শহরে কাব্যে প্রেমের পাশে  প্রকৃতি, সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের আশা ও হতাশার মানচিত্র এঁকেছেন নিজস্ব চৈতন্যর রসায়নে।
মিলি রায়ের কবিতার ঘর গেরস্থালীর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ুক বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের মধ্যে।

মনি হায়দার
কথাসাহিত্যিক
বাংলা একাডেমি, ঢাকা।

তোমার প্রেমিকারা একান্ত শহরে

$ 2.12
Scroll To Top
Close
Close
Close

My Cart