Additional information
| Weight | 0.175 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.32 $ 1.76
আয়নায় বিধ্বস্ত মুখ
গতরাতে যে স্বপ্ন তুমি এঁকে দিলে স্বরন্দ্র চোখের ভেতর
তারপর থেকে আমি বুঝে গেছি, ভালোবাসা কোনো ভেড়ার
পাল নয়
যখন যেদিকে খুশি তাকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।
যারা এসেছিল জীবনে, হাতে নিয়ে আলোকবর্তিকা
হয়তোবা আমি-ই করেছি তাদের বিতাড়িত
আর পাহাড়ের ঝরনার মত বয়ে যাওয়া কতগুলো
ব্যথা বহন করেছি নিজেই, তাঁরা তা টেরও পায়নি
কখনো-
এখনো কোনো কোনো দিন আয়নায় তাদের বিধ্বস্ত মুখগুলো
ভেসে ওঠে নিকষ অন্ধকারে, যতটা না আমি চাই
ভাবি, বুকের ভেতর অতীত বহন করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
| Weight | 0.175 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
আত্মমুগ্ধ শিকল
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
সাইফুল কামালের এই বইটি সামাজিক রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত সংকটের একটি তীব্র বিশ্লেষণ। শুধু নিয়মকানুন জানলেই কবি হওয়া যায় না- নিজস্ব বোধের ব্যাপার-স্যাপার থাকতে হয়। নিভৃতচারী ও প্রচারবিমুখ এই কবি, তার বোধের বিষয়গুলো অন্তরের গভীরে লালন করেন। কবির অন্তর্দৃষ্টি ভাষার শক্তি, কবিতার গঠন একদিকে সামাজিক অবস্থার প্রতি সমালোচনা অন্যদিকে ব্যক্তিগত কষ্টের প্রকাশ। যা অনেকটাই গভীর এবং সূক্ষ্ণভাবে চিন্তার উদ্রেক করে। সেই সাথে প্রেম তথা যৌবনের দুরন্তপনাও দেখার মতো যা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। দ্রোহের এই কবিকে কীভাবে বললে বা লিখলে তার উপর্যুক্ত মর্যাদা বা কবিত্বের পূর্ণতা তুলে ধরা যেতে পারে সেটা আমার জানা নেই। শুধু জানি তার কবিতার প্রকাশভঙ্গি পাঠককে প্রবলভাবে আকর্ষণ করবে। আমার বিশ্বাস তার এই কাব্যগ্রন্থ মানুষের মনকে স্পর্শ করবে এবং সমাজের বিভিন্ন আলোচনার সূচনা ঘটাবে। তার কাব্যিক অন্বেষণ আমাদের সকলের মাঝে সোনালি আলোর প্রসন্নতা ছড়াক।
মোখলেস মুকুল
কথাসাহিত্যিক
Bishonno Diper Manush by Saiful Kamal
গ্রামের স্কুলশিক্ষক মোস্তফা এবং মধ্যবিত্ত কৃষককন্যা মালা। অসমবয়সী শিক্ষক-ছাত্রীর প্রেম প্রশ্রয় পায় না গ্রামসমাজে । তারা পালিয়ে আসে রাজধানী ঢাকায়। স্বামী-স্ত্রীর ছদ্মবেশে হোটেলবাস, অতঃপর নগরীর অভিজাত আবাসিক এলাকা থেকে বস্তিবাসের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দুজন। আত্মপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কে হরণ করে তাদের মিলনান্তক পরিণতির সুখস্বপ্ন? সুখপাঠ্য কাহিনির গতিতে পাঠককেও রুদ্ধশ্বাসে খুঁজতে হয় স্বপ্নচোর।
মানবসম্পদের মা-বাপ নামের কাহিনিতে নায়ক হয়ে এসেছে উত্তরবঙ্গের দারিদ্র্যপীড়িত গাঁয়ের ক্ষেৎমজুর আইনুল। গরিবের আরো গরিব হওয়ার প্রক্রিয়ায় বৈষম্যমূলক ভোগবাদি সমাজ ছায়া ফেলে অভাব-অনটন সর্বস্ব পরিবারেও। আইনুল-উপালির দাম্পত্যের ফসল যে শিশুকন্যা, শহুরে ভদ্রলোকদের সেবাভোগের দাবি মেটাতে রাজধানী হয়ে ওঠে তাদের অনিবার্য গন্তব্য। শিকড়চ্যুত আইনুলও সপরিবারে এগিয়ে চলে নতুন ঠিকানার সন্ধানে।
অন্তর্লীন সুরভি নামের প্রণয়োপখ্যানেও ফুটে উঠেছে সময় ও সমাজবাস্তবের নগ্ন চেহারা, একই সঙ্গে সৎ ও অসৎ ব্যক্তির প্রেম এবং পরিবারার রক্ষার প্রাণান্তকর প্রয়াস।
পেশাদার লেখক হবার স্বপ্নে প্রাথমিক পর্যায়ে স্বল্প সময়ে রচিত লেখকের তিনটি পৃথক ক্ষুদ্রায়তন উপন্যাসের পরিমার্জিত ও একত্রিত রূপ ত্রয়ী নভেলা।
Troyee Novella by Monju Sarkar
প্রকাশিত গল্পগ্রন্থে সর্বমোট নয়টি গল্প রয়েছে। প্রতিটি গল্পে রয়েছে ভিন্নস্বাদ ও ভিন্নমাত্রা। এসব জীবনের গল্প। আমাদের জীবনে রয়েছে দুঃখ-যন্ত্রণা, ব্যথা-বেদনা, কষ্ট-বঞ্চনা-লাঞ্ছনা আর চাওয়া-পাওয়ার তীব্র গড়মিল। এরই মধ্যে রয়েছে আবার টুকরো-টুকরো হাসি-কান্না, সুখ-শান্তি, প্রশান্তি আর সর্বোপরি প্রেম-ভালোবাসা। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের এই অমূল্য জীবন। আর এসবকিছু নিয়েই রচিত হয় আমাদের জীবনের অফুরন্ত গল্প।
এই গল্পগুলোতে রয়েছে সমাজের একেবারে বাস্তবচিত্র আর সমকালীন জীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি। গল্পগুলো একবার পড়লেই ভালো লেগে যাবে। ভালোলাগার মতো গল্পগুলো পাঠকের সামনে হাজির হয়েছে সুবিন্যস্তভাবে। ‘আফসারের চোখে জল’, ‘অন্ধজনে আলো দাও’, ‘আত্মহত্যার আগে’, ‘জীবনের প্রশ্নোত্তর মেলে না’, ‘সৌরভের হাতে ফুল ছিল’, ‘কবি সাহেবের প্রেম’ ইত্যাদি চিত্তাকর্ষক নামের গল্পগুলোতে পাঠক সাহিত্যরসে ডুবে পরিতৃপ্ত হতে পারবেন।
এগুলো শুধু গল্প নয়। মানবজীবনের নিখাদ ঘটনাপ্রবাহ। আর এগুলো আশাহত ও বেদনাবিধুর জীবনের জীবন্ত কথামালা ও উজ্জ্বলতম ছবি।
Afsarer Chokhe Jol by Sayeed Rafiqul Haque
জানালায় দেখা হলদে পরী - Janalay Dekha Holde Pari
আঁকাআঁকি
তুমি যখন আঁকবে শেয়াল
এই কথাটা রাখবে খেয়াল
শেয়াল থেকে মুরগিটাকে একটু দূরে এঁকো-
নইলে শেয়াল মুরগিটাকে করবে হজম দেখো।
আকাশ এঁকে পায়রা এঁকো
কী সুন্দর লাগবে দেখো!
সেই আকাশে শকুন বা চিল এঁকো না ভুল করে-
আঁকো যদি ছোঁ মারবেই পায়রা যাবে মরে।
রাখাল ছেলের বাঁশি এঁকো
কাস্তে হাতে চাষি এঁকো
ভুল করেও এঁকোনা ফের শড়কি লাঠিয়াল-
আঁকো যদি শূন্য হবে চাষির ভাতের থাল।
নৌকা বাউল কবি এঁকো
মুক্তিসেনার ছবি এঁকো
লাল-সবুজের পতাকাটা ধরিয়ে দিও হাতে-
দেখবে পুরো দেশটা কথা বলছে তোমার সাথে।
srl.ul.999@gmail.com
Choragache Ful Futeche by Sarwar-ul-islam
কবিতা মানুষের চেতনকে জাগায়, প্রতিবাদকে উসকে দেয় এবং সত্যকে তুলে ধরার সাহস জোগায়। একজন কবি তার কলম দিয়ে যেমন শিল্প সৃষ্টি করেন, তেমনি একটি সমাজের মানসিকতাকেও বদলাতে পারেন।
কবি কবিতার মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য, শোষণ, দুর্নীতি, বা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং মানুষকে জাগ্রত করার আহ্বান জানান। শক্তিমান কবিতা কেবল সাহিত্য নয়, বরং এটি আন্দোলনের হাতিয়ার। এই বইয়েতে স্থান পাওয়া কবিতাগুলো শুধু শিল্পসুষমায় পরিপূর্ণ নয়, বরং একটি দৃঢ় বার্তা বহন করে—সমাজকে বদলানোর, মানুষকে সচেতন করার এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর।
আকিব শিকদার
Akkhare Anka Kanthosor - Akib Shikder
মানুষের কখন যে কী হয়―তা হিসাব করে কেউ কখনো বলতে পারে না! হঠাৎ করেই মানুষ অন্যরকম হয়ে ওঠে। এই যে শফিকের সঙ্গে একই অফিসে কতদিন একসঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করেছে নমিতা―কোনোদিন তাকে এত মনোযোগ দিয়ে দেখেনি শফিক। কিন্তু আজ যে তার কী হলো!
নমিতা আজ খুব সুন্দরভাবে একটা শাড়ি পরে অফিসে এলো। আর আজই শফিকের খুব ভালো লেগে গেল নমিতাকে। তাই, অফিস-ছুটির পর সে তাকে রেস্টুরেন্টে চা-কফির আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু নমিতা তাকে জানালো, আজ তার হাতে একদম সময় নেই। আজ তাকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে বাসায়। আর তাকে, তাদের পছন্দ হলে আজই বিয়ে হয়ে যেতে পারে!
নমিতা একরকম বাধ্য হয়ে চলে যায় শফিককে পাশ কাটিয়ে। কিন্তু শফিকের খুব মনখারাপ হয়। আর বাসায় ফিরতে ইচ্ছে করে না তার। মনটা তার ভীষণ উতলা হয়ে ওঠে নমিতার জন্য। সে একমুহূর্তে কেমন যেন হয়ে যায়! নমিতাকে কিছুতেই সে ভুলতে পারে না।
সে নমিতাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছে। আর ভাবে―নমিতাকে ছাড়া তার চলবে না। আজ নমিতাকে খুব ভালো লেগেছে তার। ভাবতে-ভাবতে নমিতার জন্য শফিক যেন একেবারে পাগল হয়ে যায়! কিন্তু নমিতার যে আজই বিয়ে হয়ে যেতে পারে!
শফিক রাস্তায় হাঁটতে থাকে উদভ্রান্তের মতো। সে কি আজ বাসায় ফিরতে পারবে? শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল―তা জানতে হলে পড়তে হবে এই অনবদ্য একটি বালিকার গল্প।
এটি ১০০% রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
একটি বালিকার জন্য
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.














There are no reviews yet.