Description
সাইয়িদ রফিকুল হক। একজন সাহিত্যসেবী, গ্রন্থপ্রেমিক ও রাজনীতি-সচেতন মানুষ।
বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্য তার কাছে সবসময় সর্বাপেক্ষা প্রিয় বিষয়।
সাহিত্যচর্চা : তিনি নামে-বেনামে ও ছদ্মনামে লেখালেখি করছেন দীর্ঘদিন যাবৎ।
মূলত তিনি কবি, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক। তিনি আপনমনে সাহিত্যচর্চা করছেন সেই স্কুলজীবন থেকে!
তার লেখার মূল বিষয় : মানুষ, দেশকাল, সমকালীন জীবনযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধ আর মানবতা।
আত্মপ্রচারবিমুখ একজন মানুষ তিনি। স্কুলজীবন থেকে সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করে অদ্যাবধি কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, উপন্যাস ইত্যাদি রচনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি লিখেছেন অনেক। কিন্তু প্রকাশ করেছেন খুব কম। বর্তমানে তার লেখা মুক্তচিন্তা, প্রতিলিপি ও সামহোয়্যারইন-বøগসহ বিভিন্ন বøগে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। তিনি বাস্তববাদী লেখক। তার লেখায় কোনো কৃত্রিমতা নেই।
শিক্ষা : প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি তার কোনো আগ্রহ নেই। তার কাছে সার্টিফিকেট-সর্বস্ব সাধারণ শিক্ষার চেয়ে কঠোর সাধনায় অর্জিত প্রকৃত জ্ঞানের মূল্য অনেক বেশি। এজন্য তিনি নিজেকে সবসময় ‘স্বশিক্ষিত’ মনে করেন।
[তবে প্রচলিত প্রথার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। এমএ (বাংলা); এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান); এমএ (শিক্ষা)। বর্তমানে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উচ্চতর গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।]
জন্মস্থান : পূর্ব-রাজাবাজার, ঢাকা।
প্রকাশিত গ্রন্থ : উপন্যাসসমূহ―‘গোয়েন্দা লালভাই’ (রহস্য-উপন্যাস, ২০২১, অনুপ্রাণন প্রকাশন), ‘হিজলগাছের রহস্যময় লোকটা’ (প্যারানরমাল-উপন্যাস, ২০২১, নোটবুক প্রকাশ), ‘একটি বালিকার জন্য’ (রোম্যান্টিক-উপন্যাস, ২০২২, অনুপ্রাণন প্রকাশন), ‘হায়েনার খাঁচা থেকে পালিয়ে একদিন’ (থ্রিলার, ২০২৪ প্রকাশিতব্য, কারুবাক)।
জীবনের লক্ষ্য : আমৃত্যু দেশ, জাতি, মানুষ আর মানবতার পক্ষে কাজ করা।


































বর্তমান বাংলাদেশে কবিতার ছদ্মবেশে যারা নির্মাণ করে যাচ্ছেন চিন্তা আর বিমূর্ত বোধের সুনিপুণ ভাস্কর্য, এমরান হাসান তাদের একজন। শিল্পিত বোধ-যাপনের ভেতর দিয়ে এমরান হাসান সৃষ্টি করেন এক অনার্য ঘরানার সাহসী ওঙ্কার। তার চিন্তানির্মাণকৌশল আপোষহীন, প্রথাবিরোধী। নিজস্ব ভাবনাগুলোকে অতিক্রম করে নতুন সত্যের জন্ম দেয় তার নির্মিত চিন্তা। জাগতিক মোহ, তৃষ্ণা আর প্রেমময় তন্দ্রাচ্ছন্নতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাঁর কবিতা। অনশ্বর বোধের সুনিবিড় তৈলচিত্রের গভীর আহ্বান ও রূপকচৈতন্যের বিমূর্ত আলোর মননশীলতা সময়ের পাঠচিন্তাকে পৌঁছে দেয় সুপ্রাচীন এক স্বচ্ছ সরোবরে।














There are no reviews yet.