Description
সৈয়দ নূরুল আলম গোপালগঞ্জ জেলায় কাশিয়ানি উপজেলার, চাপ্তা গ্রামে বেড়ে উঠেছেন। বাবা মরহুম সৈয়দ জহুর আলী, মা মরহুম জাহানারা বেগম। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ সব শাখায় লিখলেও নিজেকে তিনি গল্পকার পরিচয় দিতে পছন্দ করেন। গল্প দিয়েই তিনি নব্বই দশকের শুরুতে লেখালেখির জগতে আসেন।
লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থ-
যুদ্ধের ছবি, গল্পগ্রন্থ, ১৯৮৬; ভালবাসা ( প্রাঃ) লিমিটেড, গল্পগ্রন্থ, ১৯৮৮; বনের বাতাস,
উপন্যাস, ১৯৯১; পাথর মেয়ে, উপন্যাস,১৯৯৯; একাত্তরের শিশু, কিশোর গল্পগ্রন্থ, ২০০০; একুশের গল্প সম্পাদনা গ্রন্থ, ২০০৩; মেঘের মতো মেয়েরা, উপন্যাস,২০০৮; তিন গোয়েন্দা, কিশোর গল্পগ্রন্থ, ২০০৮; এক কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, কিশোর উপন্যাস,২০১১; ইচ্ছে করে আকাশ ছুঁই, গল্পগ্রন্থ, ২০১৩; ঢেউ ওঠে ঢেউ ভাঙ্গে, কবিতা গ্রন্থ, ২০১৫; আগুনরঙা মেয়ে, উপন্যাস, ২০১৮; বঙ্গবন্ধুর বেড়ে ওঠা, জীবনীগ্রন্থ, ২০২০; ছোটদের বন্ধু বঙ্গবন্ধু, জীবনীগ্রন্থ, ২০২০; মোটিভেশন স্পিচ, অনুপ্রেরণা মূলক গ্রন্থ, ২০২১; জাহান ও পিতারমুখ, উপন্যাস, ২০২২; নৈঃশব্দ্যের বিকেল, উপন্যাস, ২০২৩।
জাতীয় পর্যায়ে তিনি কবি জসিমউদ্দীন পুরস্কার, বিকাশ সাহিত্য পুরস্কার, অধিকোষ পুরস্কার, রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ প্রদত্ত সম্মাননা অর্জন করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন সাবেক কর্মকর্তা।


































দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…



There are no reviews yet.