Description
গত একশো বছরে বড় সারা বিশ্বে ২০২১ সালে এমন একটি মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যার প্রকোপ এসে পড়ে বাংলাদেশে গত মার্চ মাসে। গোটা বিশ্বে ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চীনের পর স্পেন, ইতালি, ব্রিটেন, ফ্রান্সে প্রচণ্ড ধাক্কা আসে। বাংলাদেশ তার বাইরে ছিলো না। সারা বিশ্বে এ থেকে পরিত্রাণের জন্যে ব্যক্তিপর্যায়ে আইসোলেশন এবং সামষ্টিক পর্যায়ে লকডাউন বেছে নেয়। এই আইসোলেশন ব্যক্তিপর্যায়ে গভীরে সর্বদা কাজ করে। নাগরিক জীবন এক অর্থে আইসোলেশন জীবন। আমি এপ্রিল মাস থেকেই প্রায় দুই মাস এই করোনা, লকডাউন ও আইসোলেশন তীব্রভাবে অনুভব করতে থাকি। আমার নিজেকে প্রকাশের মাধ্যম কবিতা। প্রায় প্রতিদিন আমি এক-দুটি করে করোনা নিয়ে বিশ্বের মানুষ ও দেশের মানুষের নিত্যসময় কিভাবে কেটেছে লিখতে থাকি। একসময় প্রিয় প্রকাশক আবু এইচ ইউসুফ সাহেব আমাকে বই করার পরামর্শ দেন। তাঁরই অনুপ্রেরণায় আমি শেষ পর্যন্ত পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে সক্ষম হই।
আমি মনে করি, কবিতাগুলো এ বছর বাস্তবতাকে উপস্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতে করোনাকালের দলিল হয়ে থাকবে।
বইটি প্রকাশ করার জন্যে আমি প্রিয় প্রকাশকের কাছে ঋণী রইলাম।
—ভাস্কর চৌধুরী























দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…
There are no reviews yet.