Description
হাসান অরিন্দমের চতুর্থ গল্পগ্রন্থ আমাদের দৃষ্টিসীমায় কোন বাতিঘর ছিলো না। এ বইয়ে দশটি গল্পে মিলবে লেখকের সৃষ্টিবৈচিত্রের নিদর্শন, নগর ও গ্রামীণ উভয় জীবন রূপায়নে স্বচ্ছন্দ হাসান বাস্তবজীবনের ঘটনাবলী ও দৃশ্যাবলী তুলে ধরেন, অন্বেষণ করেন জীবনের অন্য ডাইমেনশন, অন্তর্গূঢ় সত্যতা। বর্তমান গল্পসমূহে উপজীব্য হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মানবের বিচিত্র সংশয় ও নির্বেদ, শৃঙ্খলিত নারীজীবন প্রভৃতি। মনোবিকলন অস্তিত্ববাদ, জাদুবাস্তবতা প্রভৃতি বিষয় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।


















মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?



বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।













There are no reviews yet.