Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |


$ 1.41 $ 1.88
নৃশংসতার উপত্যকায় হত্যার মানচিত্রে ফুঁপিয়ে ওঠে শব্দহীন রাতের ক্রন্দন, ইথার ও যান্ত্রিক ভায়োলেন্স মোহগ্রস্ত করে ফেলে সমগ্র সবুজ, তখন অবাধ্যতার দাঁড় বেয়ে শুদ্ধতার লক্ষ্যে ছুটে আসে এক স্বপ্নবাজ অশ্বারোহী, তার দু’চোখে আবিষ্ট থাকে উজ্জ্বল ছুরির মতো শাণিত শৈশব। তার সুহৃদালয় জুড়ে থাকে বিস্তৃত আলপথ, ডাংগুলি, লাটিমবেলার মায়ের প্রশ্রয়, আহ্লাদি ধানক্ষেত, রাখালিয়া প্রহরের ভাঁটফুল, বৈঁচি-শালুকঝিলের জলকেলি, গোধূলিবেলার ধুলোময় শরীরে মহিষের পিঠে চেপে নিরুদ্দেশ পদচারণা…
মাঞ্জা দেয়া সুতোর লাটাই আর দুরন্ত ঘুড়ির নিবিড় বন্ধন কিংবা পাখিদের সখ্যতায় তার ঋদ্ধ ডানা জন্মালে আমরা তাকে কবি ডাকি।
জ্যোৎস্না-প্লাবিত আলপথ ধরে একহাতে মেহরাজ, অন্যহাতে মুহূর্তমাকে নিয়ে একদিন তাই রূপকথার শহরে কবি প্রবেশ করেন…
এবং তার থাকে পিতৃব্যের ঋণশোধের তাগাদাপত্র, তার থাকে শ্যামল কিশোরীর উচ্ছ্বল ঠোঁটের লোভ, আরো থাকে তার স্রষ্টার প্রতি নুয়ে পড়া ভেজা ন্যাকড়ার মতন বিহ্বলতা…
কী অদ্ভুত সত্যপাঠে পাঠকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাবার লাঙল, রাজপ্রাসাদ, বাঈজি, নাগরদোলাÑ মন্ত্রমুগ্ধ আবেশে নস্টালজিক হয়ে পড়ে মাটিগন্ধী প্রাণ…
আহা, প্রাণ আরাম পায়…
শাহীন খন্দকার।। সুমন সৈকত
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
ভূমিকা
লোকমান তাজ রচিত লাশপুরীর লাশের গল্প কিশোর উপযোগী রহস্যময় উপন্যাস। সমকালীন অনেক লেখক এ জাতীয় রচনা সৃষ্টিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সাইন্স ফিকশন, রম্য কথা, ভৌতিক থ্রিলিং ইত্যাদি ব্যবহার করে প্রচুর লেখালেখি অব্যাহত রয়েছে। কারো কারো বেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লক্ষণীয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব লেখা অনির্দেশ্য বায়বীয় ভাব ভাবনায় সমর্পিত।
সঠিক কোনো জীবনবোধ বা আদর্শ অন্বেষার বালাই নেই। দিকভ্রান্ত কাহিনী চরিত্রের মোহমুগ্ধ ঘনঘটা একটা আবেশ ছাড়িয়ে দেয়।
এ অবস্থায় লোকমান তাজ এর লাশপুরীর লাশের গল্প নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এখানে গাছতলা গ্রামের সবিস্তার কাহিনী সাব্বির, মাহি ও মেহেক চরিত্রের মাধ্যমে রূপায়িত হয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু শাখা কাহিনীও এখানে প্রযুক্ত হতে দেখা যায়। যেখানে মীরাকে কেন্দ্র করে ছাত্রীনিবাসের এক মর্মান্তিক কাহিনী এখানে বর্ণিত হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্র সাব্বিরই পুরো ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছে।
লাশপুরীর লাশের গল্পে সত্যিকার অর্থেই গল্পের একটা মুগ্ধতা ছড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে অপরিসীম আবেগ, কৌতূহল, স্বপ্ন আকস্মিকতা উৎকণ্ঠা বজায় রয়েছে। যা পাঠক সাধারণের মনকে একটা সম্মোহ সীমানায় ধরে রাখতে সক্ষম। তাছাড়া এর কাহিনী চরিত্রে বরাবরই একটা আদর্শবোধ ব্যাপ্ত আছে। এ সুবাদে সেখানে সমাজ মানসের কিছু বিশ্বস্ত চিত্রগাথা পরিস্ফুট উঠার সুযোগ পায়। যা শুধু এদেশীয় সংস্কৃতির আদলে গড়ে ওঠেছে। যেমন মীরা কেন্দ্রিক সারিনা জামান এর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। মেয়েটির আত্মহত্যা ও এর আনুপূর্বিক ঘটনা যে কাউকে ছুঁয়ে যেতে সক্ষম। সংসারের অভাব-অনটন, বন্ধুবান্ধবীদের নিগ্রহ-নিপীড়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবজ্ঞা, অবহেলা-সবমিলিয়ে মেয়েটির জীবন বিষিয়ে তোলে। এছাড়া সাব্বিরের দাদিবাড়ি গাছতলা গ্রামের নানাবিধ ঘটনা এ গল্পের আড়ম্বরের সাথে বনিত হয়েছে। যা পাঠ করে অনাস্বাদিত জগতের উপমিত আস্বাদন করা সম্ভব। আমি লাশপুরীর লাশের গল্প ও এর লেখক লোকমান তাজ এর পর্যায়ক্রমিক সমুন্নতি কামনা করছি।
-ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন
লাশপুরীর লাশের গল্প
নৃশংসতার উপত্যকায় হত্যার মানচিত্রে ফুঁপিয়ে ওঠে শব্দহীন রাতের ক্রন্দন, ইথার ও যান্ত্রিক ভায়োলেন্স মোহগ্রস্ত করে ফেলে সমগ্র সবুজ, তখন অবাধ্যতার দাঁড় বেয়ে শুদ্ধতার লক্ষ্যে ছুটে আসে এক স্বপ্নবাজ অশ্বারোহী, তার দু’চোখে আবিষ্ট থাকে উজ্জ্বল ছুরির মতো শাণিত শৈশব। তার সুহৃদালয় জুড়ে থাকে বিস্তৃত আলপথ, ডাংগুলি, লাটিমবেলার মায়ের প্রশ্রয়, আহ্লাদি ধানক্ষেত, রাখালিয়া প্রহরের ভাঁটফুল, বৈঁচি-শালুকঝিলের জলকেলি, গোধূলিবেলার ধুলোময় শরীরে মহিষের পিঠে চেপে নিরুদ্দেশ পদচারণা…
মাঞ্জা দেয়া সুতোর লাটাই আর দুরন্ত ঘুড়ির নিবিড় বন্ধন কিংবা পাখিদের সখ্যতায় তার ঋদ্ধ ডানা জন্মালে আমরা তাকে কবি ডাকি।
জ্যোৎস্না-প্লাবিত আলপথ ধরে একহাতে মেহরাজ, অন্যহাতে মুহূর্তমাকে নিয়ে একদিন তাই রূপকথার শহরে কবি প্রবেশ করেন…
এবং তার থাকে পিতৃব্যের ঋণশোধের তাগাদাপত্র, তার থাকে শ্যামল কিশোরীর উচ্ছ্বল ঠোঁটের লোভ, আরো থাকে তার স্রষ্টার প্রতি নুয়ে পড়া ভেজা ন্যাকড়ার মতন বিহ্বলতা…
কী অদ্ভুত সত্যপাঠে পাঠকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাবার লাঙল, রাজপ্রাসাদ, বাঈজি, নাগরদোলাÑ মন্ত্রমুগ্ধ আবেশে নস্টালজিক হয়ে পড়ে মাটিগন্ধী প্রাণ…
আহা, প্রাণ আরাম পায়…
শাহীন খন্দকার।। সুমন সৈকত
বাবা ও লাঙ্গল বৃত্তান্ত
সাধারণ এক স্কুল শিক্ষিকার উচ্চাকাঙ্খী মেয়ের সুপার মডেল হওয়ার এক অদম্য বাসনার গল্প নীরু আপার জীবন। যে জীবনের পরতে পরতে আছে একজন নারীর নীরবে নিভৃতে নিষ্পেষণ আর নানা বঞ্চনার কাহিনি। যার স্বপ্ন পূরণের সিঁড়িগুলোর নানা ধাপ পার হতে গিয়ে ধীরে ধীরে হয়ে পড়তে হয়েছিল লোভী পুরুষের কামনার ইচ্ছাদাসী। এক সময় সে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তার চেনা আর পরিচিত জগত থেকে। সমাজ আর আত্মীয়-পরিজনের কাছে হয়ে উঠেছিল লজ্জা আর অসম্মানের এক অচ্ছুৎ নাম। সে সঙ্গে খেসারত দিতে হয়েছিল তারই ছোট ভাইয়ের মতো আরেকটি কিশোরকে। কিন্তু তাদের দুজনের কেউ প্রথম দিকে জানতে পারেনি যে, তাদের মাঝে অবচেতনে গড়ে উঠবে অবিচ্ছেদ্য গাঢ়তম এক অসম প্রেম।
জীবনের দুরুহতম এক পরিস্থিতিতে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও প্রকৃতির অমোঘ নিয়মের ফেরে তারা পরস্পর আবার কাছাকাছি হয়ে ওঠে। যা তাদের পারস্পরিক আত্মসমর্পণেরই এক দুর্লভ আর দুর্লঙ্ঘ্য পরিণতির সূচনা করে। শেষপর্যন্ত তাদের পরিণতি কী হয়েছিল জানতে হলে শুরু থেকে শেষাবধি পড়তে হবে নীরু আপা উপন্যাসটি।
Niru Apa - Julian Siddiqi
‘পিকাসো হইলো পেইন্টিংয়ের গড’- ক্লাসে কতোবার যে বলিছেন উনি
আমার রাগও হইছে
হাসিও পাইছে
তাইলে আপ্নে আমার কী
-গডেস
-এ্যাঞ্জেল
-জোয়ান অব আর্ক
-না
আপ্নে আমার কবিতা
আপ্নেরে নিয়া কবিতা লিখুম
হ কবিতাই লিখুম ভাইবেন্না কিউট সেক্সুয়াল ফেটল্স
বা জাস্ট ওরিয়েন্টাল মেটাফর
ভাইবেন যা হোক
কবিতায় কিন্তু আপ্নের লগে আমার কাইজ্জা আছে
আপ্নে আমারে কি কম কষ্ট দিছেন্নি
সরকারি কবিতা
আর্থিক সংকট হতাশার জন্ম দেয়। হতাশাগ্রস্ত সরল মানুষ কখনো কখনো মনের অজান্তে অপরাধী হয়ে ওঠে- পরিবার ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা জসিম, সবিতা, বিপ্লবের গল্প এটি। ভরা যৌবনে এসে বিপ্লব আবার ফিরে পায় বাল্যবন্ধু জসিম ও তার বোন সবিতাকে। বিপ্লব-সবিতার আবছায়া বাল্যপ্রেম পূর্ণতা পায় এবার। কিন্তু শাহবাগের গণজাগরণ শুরু হলে চেতনাগত দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে তারা। চেতনাগত দ্বন্দ্বে কি প্রেম টিকে থাকে? আবার প্রকৃত প্রেম কি নিঃশেষ হয়ে যায় কখনো হৃদয় থেকে?
কাহিনি নির্মাণে যুক্ত হয়েছে আরো অনেক চরিত্র। বিপ্লব, সবিতা, জসিম চরিত্র যেভাবে পাঠককে ভাবাবে- সাদিয়া, সাইদ, জব্বার চরিত্রও পাঠককে নাড়া দেবে।
শাহবাগের গণজাগরণ নিয়ে লেখা উপন্যাস বিষমায়া।
বিষমায়া
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে লেখকের নাম হাসান মাহবুব। তিনি নাড়–গোপাল দত্ত অথবা ইসমাইল আহমেদ নন। তিনি রবীন্দ্রনাথ বা আগাথা ক্রিস্টি নন। তিনি দূর আকাশের নীল নক্ষত্র, ধোঁয়া ওঠা কফির মগ, বাজারে মেয়েটির অপরিচ্ছন্ন অন্তর্বাস, ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল বাঁশি অথবা লোম কাটার মওসুমের ভেড়ার দীর্ঘশ্বাসও নন। তিনি লেখেন। তবে ‘তিনি’ই লেখেন কি-না এই নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ লেখার মতো পরিশ্রমের কাজে বছরের পর বছর এত শ্রম দিয়েছেন, দুটো বইও বের করেছেন (প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত এবং আনন্দভ্রম) তার সাথে এসব ঠিক যায় না। এত সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি হাসান মাহবুব হবার চেষ্টা করছেন এবং তারই ফলশ্রুতিতে আরো একটি বই প্রকাশ করে ফেললেন। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী!
নরকের রাজপুত্র
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.











There are no reviews yet.