Description
প্রথাভাঙার ঘোষণা না দিয়েও প্রচলের বাইরে গিয়ে নির্মিত হয়েছে অনেক চিত্রকল্প, নতুন ব্যাখ্যায় নবায়ন ঘটেছে পুরাণের। নতুন বিষয় ও চরিত্র প্রথমবারের মতো পুরাণের মর্যাদায় ব্যবহৃত হওয়ার মধ্য দিয়ে এই গ্রন্থ তার স্বাতন্ত্র্যতা প্রকাশ করেছে। শতাব্দীর শেষ দশকের এই বাঙালি কবির কবিতাগুলো বেশ শাণিত, অনেক বেশি প্রাজ্ঞ, অনেক বেশি পরিণত। কবিতার নামে যে যুক্তিহীন বাগবিস্তারের অপচেষ্টা চলছে, এই কবিতাগুলো হতে পারে তার বিরুদ্ধে প্রথম কাব্যিক প্রতিবাদ।
















কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.