Description
পারভেজ আহসান
জন্ম ১৯৬৮ সালের ১০ অক্টোবর।
মো. আলী আফজল খান ও খন্দকার হামিদা খাতুনের জ্যেষ্ঠ সন্তান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সমূর্ত্ত জাহান মহিলা কলেজে ইংরেজির প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন । পরবর্তীতে শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ নান্দাইলে প্রায় আট বছর অধ্যাপনা করেন । বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর শেরে বাংলা নগর আদর্শ মহিলা কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। স্ত্রী মাহমুদা সিদ্দিকা সেবা, পুত্র আলী মাহির দাইয়ান খান আদৃত ও কন্যা সুবাইতা আশরীনকে নিয়েই তাঁর সংসার ।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: পৃষ্ঠার ধূলি হীরকদানা (২০২২) ও পারদদেয়াল ( ২০২৩)।





























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।






There are no reviews yet.