Description
ভূমিকা :
সৈয়দ ওয়ালী প্রচলিত ধারার বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা একজন কবি। দেশ ও মানুষের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার মোটেও প্রচ্ছন্ন নয়। অলীক উন্মার্গগামী উচ্চারণের বাইরেই তাঁর কবিতার স্পর্ধিত বিস্তার। কবিতায় চিরায়ত স্বরের পাশাপাশি সমকালীন সংকটের চিহ্নগুলো তিনি তুমুল নৈপুণ্যে তুলে আনেন। তিনি জানেন, অশিক্ষিতপটুত্বের দিন শেষ, এ কারণেই কবিতার শরীর নির্মাণে তিনি যতœবান। রূপদক্ষ কবির কবিতাযানের ভ্রমণ আমরা সবিস্ময়ে চেয়ে দেখি। বাংলা কবিতার বিশ্বে থেকে যাওয়ার সংকল্প নিয়েই তিনি লিখে যাচ্ছেন একের পর এক অবিস্মরণীয় পঙক্তি।
















দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…
There are no reviews yet.