Description
এমরান কবির জন্মেছেন ০৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ বগুড়ার কৃষ্ণপুরে। সার্টিফিকেটে লেখা ০৯ নভেম্বর, ১৯৮০। বাবা- হাফেজ আশরাফ আলী, মা- মিসেস সফুরা খাতুন। অধুনালুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজে সাব এডিটর হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন তিনি। এখন একটি অসরকারি ব্যাংকে কাজ করেন। সম্পাদনা করেছেন ছোটকাগজ থার্ডম্যাগ, সেন্ট্রাল জেল ও পরিধি। পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০১০, পাঠকপণ্য পাঠশালা সম্মাননা ২০১২, অক্ষরবৃত্ত পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০১৯, অপরাজিত সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩। কাব্য, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস মিলিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা নয়। শীর্ষস্থানীয় সবগুলো দৈনিক, ছোটকাগজ, সাহিত্য পত্রিকা ও অন্তর্জালে নিয়মিত লিখে থাকেন। বৃষ্টি ও নাকফুলের গল্প তাঁর দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ।
emrankabir81@gmail.com
































পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।
There are no reviews yet.