Description
কাদের পলাশ। জন্ম ১৯৮৬ সালের ১৫ নভেম্বর, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসাবাড়িয়া গ্রামে। তিনি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৭ সালে স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে লেখালেখি শুরু। তবে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত সাংবাদিকতা শুরু করেন ২০১০ সালে। ওই বছরেই রেডিও টুডে’র চাঁদপুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১১ সালে দৈনিক চাঁদপুরজমিনের বার্তা সম্পাদক ও চাঁদপুর দর্পণের যুগ্ম বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর দৈনিক আলোকিত চাঁদপুরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ২০১২ সালে নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর এবং পরিবর্তন ডটকম-এ যুক্ত হন। ওই বছর একাত্তর টিভির মাধ্যমে শুরু করেন টেলিভিশন সাংবাদিকতা। এরপর জাতীয় দৈনিক আমাদের অর্থনীতির চাঁদপুর প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের ডাকের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন।
বর্তমানে দৈনিক শপথ সম্পাদনার পাশাপাশি যমুনা টেলিভিশন, দৈনিক খোলা কাগজ-এর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন। ইংরেজি দৈনিক নিউ নেশন-এর সাথে যুক্ত আছেন।
বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতাও করেছেন কাদের পলাশ।
বর্তমানে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম, চাঁদপুরের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১০ সাল থেকে ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, চাঁদপুরের সদস্য।
সাহিত্যচর্চা ও সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
গল্পগ্রন্থ : দীর্ঘশ্বাসের শব্দ (২০১৭), ইচ্ছেরা উড়ে গেছে (২০১৯)
কাব্যগ্রন্থ : স্মৃতির স্লোগান (২০২১)
উপন্যাস : রোদে পোড়া পালিশ (২০২২)
গবেষণা/সম্পাদনা : যাপনে উদ্যাপনে ইলিশ (২০১৯), বিরুদ্ধ স্রোতের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (২০২০), বিস্মৃতির চাঁদপুর (২০২০), দেড়শ বছরের সাংবাদিকতা ও চাঁদপুর (২০২৩),
facebook : kader.palash
email : kaderpalash@gmail.com














সংস্কৃতির জগৎ অমূল্য। জাতি হিসেবে যাঁরাই সংস্কৃতির কদর করেছে তাদের খ্যাতি হয়েছে বিশ্বজোড়া। কেবল খ্যাতি নয়, এসেছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ ফ্রান্স। পৃথিবীর শিল্পচর্চার সুবর্ণভূমির কথা বললে এ দেশটির নাম-উচ্চারণ অনিবার্য হয়ে ওঠে।

















‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’











There are no reviews yet.