Description
হাফিজ রশিদ খান ১৯৮২ সালে আত্মপ্রকাশ করেন কবিতার নিধুবনে। উত্তাল হৃদয়-সংবেদিতা ও প্রাতিস্বিক সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সময়প্রবাহের সংসর্গে কখনও সংযুক্তি, কখনওবা বিযুক্তি রচিত হয়েছে তাঁর লেখমালায়। সংযুক্তি– জীবনের অপার, বিস্তৃত সম্ভাবনার দিকে আর বিযুক্তি জীবনকে কুঞ্চিত, কুণ্ঠিত ও বিবিক্ত করার সামাজিক ও রাজনৈতিক দুঃশীলতার বিপক্ষে। তাঁর কবিসত্তা প্রভাতের অরুণিমার স্নিগ্ধতা, খরদুপুরের রুক্ষতা, সাঁঝবেলাকার মেদুরতা আর নিশীথিনীর সম্ভ্রান্ত মৌনতার মতো জীবনের রঙে রঞ্জিত, বিকশিত ও নিঃসঙ্গ হতে চায়।
শিল্পকলা ও সাহিত্যকেন্দ্রিক তত্ত্বতালাশের নানামুখী সন্দর্ভ-পাল্টাসন্দর্ভে যথাসম্ভব অভিনিবিষ্ট থেকে নিজস্ব মন্ময় ধ্যান ও তন্ময় কথকতার সপক্ষে বরাবরই ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন তাঁর বঙ্গীয় মৃত্তিকাজাত সহজিয়া সত্তাকে। নব্বই দশকের গোড়ার দিক থেকে কাব্যে ও প্রবন্ধে বাংলাদেশের পার্বত্য আদিবাসী জাতিসমূহের তৃণমূল সংস্কৃতি ও জীবনাচরণকে অনন্যমাত্রিক বৈশিষ্ট্যে উপস্থাপন করছেন। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত ‘আদিবাসী কাব্য’ তাঁকে পরিচিতি দিয়েছে আদিবাসী জীবনের প্রথম কাব্যকাররূপে।
হাফিজ রশিদ খান এ পর্যন্ত প্রকাশিত ২৮টি কবিতা ও গদ্যগ্রন্থের নিলয়ে বাইরে থেকে দৃষ্টিপাতের ভূমিকায় না-থেকে ভেতরের একজন হয়ে ওঠার স্বাক্ষর বহন করেন।



































মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।


















কবিতা মানুষের চেতনকে জাগায়, প্রতিবাদকে উসকে দেয় এবং সত্যকে তুলে ধরার সাহস জোগায়। একজন কবি তার কলম দিয়ে যেমন শিল্প সৃষ্টি করেন, তেমনি একটি সমাজের মানসিকতাকেও বদলাতে পারেন।
There are no reviews yet.