Description
আলোর বিপরীতে দাঁড়ালে ছায়া পড়ে
ছায়ার বিপরীতে দাঁড়ালে ছায়া উল্টো হয়ে যায়
প্রতিধ্বনির বিপরীতে দাঁড়ালে
মানুষের বিপরীতে দাঁড়ালে
রাস্তাকে উল্টো করে দাঁড় করাতেই
আকাশও উল্টো হয়ে যায়, মেঘও
কিন্তু, সমুদ্র, কিংবা পাহাড়
পাতালসুদ্ধ,
পৃথিবীর ছবি কাঁধে নিয়ে ফিরছি অনন্তকাল
উল্টো করে ধরে আছি বিষ, অমৃতের পেয়ালা
মন্থন শেষে ধরে আছি প্রেম, ঈর্ষা
ঝুরঝুর ভেঙে পড়ছে চাঁদ, অমাবস্যা
কিন্তু কেন যে তোমাকে পাচ্ছি না…!

















কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.