Description








$ 1.85 $ 2.47



| Weight | 0.211 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | ২০২৪ |
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
আত্মমুগ্ধ শিকল
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
জীবনের প্রতিচ্ছবি-প্রতিবিম্বই তো গল্প অর্থাৎ জীবন ও সমাজই গল্পের আকর। গল্পকারের অন্তর্দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা ও গভীরতা দিয়ে জীবন ও সমাজকে ব্যবচ্ছেদ করে কল্পনাশক্তির বিচিত্র বর্ণে এবং শব্দের ব্যঞ্জনায় তিনি চিত্রিত করেন চরিত্র। সৃষ্টি হয় গল্প, উপন্যাস, নাটক। সাহিত্য মানেই শব্দের ছবি, শব্দের শিল্প।
পনেরোটি গল্পের বিন্যাসে ‘ক্যানপিতে রোদের মায়া’ গল্পগ্রন্থটি মলাটবন্দি হয়েছে। সঙ্গীতা ইয়াসমিন অত্যন্ত দরদ ও যত্ন সহকারে গল্পগুলো নির্মাণ করেছেন। তাঁর নির্মাণশৈলীতে রয়েছে নৈপুণ্য ও বৈদগ্ধের ছাপ।
সবগুলো গল্পের ভরকেন্দ্রে রয়েছে নারী চরিত্র। এই চরিত্রগুলো আমাদের চারপাশের, চেনা মুখ, পরিচিত যারা পর্দার আড়ালে থেকে আজীবন ধর্ষকামী ও নিষ্ঠুর পুরুষের যাঁতাকলে পিষ্ট হওয়ার অব্যক্ত যন্ত্রণার দগদগে ক্ষত আজীবন বয়ে চলে। এ-রকম অব্যক্ত যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি নিপুণভাবে চিত্রিত করেছেন কথাশিল্পী ও কবি সঙ্গীতা ইয়াসমিন। গল্পের ন্যারেশন ডিটেইল এবং পাঠের শুরুতেই গল্পের গভীরে টেনে নেওয়ার মতো চুম্বকীয় আকর্ষণ গল্পগুলোতে সৃষ্টি করতে গল্পকার সফল হয়েছেন। তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পেরেছেন সমাজের মানুষের চরিত্র। গ্রন্থটি পাঠশেষে পাঠকের মনে নারী জীবনের প্রেম-বিরহ-নির্যাতনের ধ্বনি করোটিতে অনুরণিত হয় দীর্ঘ সময়।
মোজাম্মেল হক নিয়োগী
কথাসাহিত্যিক
—————————————————-
লাইটার, পার্সেল, আয়না, আফিম, বেলফুল ও একটি মৃত্যু এরকম বেশ কয়েকটি হার্দ্য গল্পের ঝাপি মেলে ধরেছেন সম্পূূর্ণ নতুন ভাবনার আলোকে বাংলা সাহিত্যের আঙিনায় সঙ্গীতা ইয়াসমিন তার প্রথম গ্রন্থ ‘ক্যানোপিতে রোদের মায়া’ গল্পগ্রন্থে। মনকাড়া প্রচ্ছদসহ সুদৃশ্য মলাটের এ গ্রন্থটি হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখার মতো।
সর্বমোট ১৫টি গল্পের এই সংকলনে গল্পের প্রেক্ষাপট কখনো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তো আবার কখনো বিদেশের চরাচর। আবার মনে হবে দুই ভুবনেরই যেন মিশেল। চরিত্রগুলো আমাদের চারপাশের, অতি চেনা ছকের। পাঠকের মনে হতে পারে, এ যেন আমারই জীবনকথা।
লেখক সঙ্গীতা ইয়াসমিন প্রায় দেড় দশক কানাডায় বসবাসরত। সেকারণে বিদেশের প্রেক্ষাপট আর সেখানকার ছায়াচিত্রও রয়েছে ঘটনাক্রমে কিছু গল্পের উঠোনে।
মানুষ হিসেবে তো বটেই, নারী যে একটা পরিপূর্ণ জীবনের অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গও- তা তিনি সুনিপুণ দক্ষতায় তুলে এনেছেন জীবন্ত গল্পের পরতে পরতে।
বাবলু রহমান
প্রাবন্ধিক ও গবেষক
Canopyte Roder Maya by Sangeeta Yeasmin
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.









There are no reviews yet.