Description
রীতা রায় মিঠু
জন্মঃ ২১শে সেপ্টেম্বার, ১৯৬৪, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ
পিতাঃ শ্রী সুনীল কুমার দাস
মাতাঃ স্বর্গীয়া শঙ্করী দাস
স্বামীঃ ড: জীবেন রায়
তিন কন্যাঃ ঋত্বিকা, ঋজয়া, ঋষিজা
আদি নিবাসঃ নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ
বর্তমান নিবাসঃ মিসিসিপি, আমেরিকা
শিক্ষাঃ বিএসসি অনার্স মাস্টার্স ( কেমিস্ট্রি, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়), বিএড ( ঢাকা বেসরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ)
পেশাঃ অবসরপ্রাপ্ত অয়্যারলেস এসোসিয়েট, ওয়ালমার্ট সুপার সেন্টার
ভালো লাগেঃ প্রকৃতি, লোকালয়, মানুষ, ফেসবুক, আড্ডা, লেখালেখি
ভালোবাসিঃ অতিথি, বাগান করা, রান্না বান্না, ভ্রমণ, বন্ধুত্ব,
ধ্যানঃ জীবনের শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতাগুলো ছাপার অক্ষরে সাজিয়ে বইয়ের মোড়কে বাঁধিয়ে রেখে যাওয়া।
প্রকাশিত বইঃ ঠাকুরবাড়ির আঁতুড়ঘরে, মুহূর্তে দেখা মানুষ, তুমি বন্ধু তুমি সখা, সাগর ডাকে আয়, পারমিতার চিঠি, চোখ যায় যদ্দুর ।
পুরস্কারঃ অনুপ্রাণন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘চোখ যায় যদ্দুর’ ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা আয়োজিত অষ্টম ‘সাহিত্য দিগন্ত লেখক পুরস্কার ২০২৩’-এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস নির্বাচিত হয়েছে।
প্রত্যাশাঃ লিখতে লিখতেই কোনো একদিন লেখক হয়ে ওঠা






































মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।













তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।
There are no reviews yet.