Description
গাজী সাইফুল ইসলাম কবি, কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক। জন্ম ০৭ জানুয়ারি ১৯৬৫, ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার পিকা গ্রামে, নানার বাড়িতে। বেড়ে উঠেন নিজ গ্রাম ফুলপুরের পুরাননগরে। পড়াশোনা করেন বওলা উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ও আনন্দ মোহন কলেজে। অর্থনীতি বিষয়ে মাস্টার্স করে ১৯৯০-এ প্রবেশ করেন সরকারি চাকরিতে। চাকরিতে থেকেও দেশের প্রধান পত্রিকা ও সাহিত্য ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখেছেন তিনি। এরিমধ্যে অর্জন করেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডিএইচএমএস ডিগ্রি। একসময় স্বাধীন জীবন যাপনের তাগিদে ২০১৭’তে চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে ফুল টাইম লেখালেখি ও চিকিৎসা সেবার সঙ্গে জড়িত হন।
দর্শন ও বিশ্বসাহিত্য তাঁর আগ্রহের প্রধান বিষয় হলেও বাংলা সাহিত্যের সকল শাখা যেমন ছোট গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, গান ইত্যাদিতে স্বচ্ছন্দ বিচরণ তাঁর। বিশ্বখ্যাত কবি লেখকদের বহু কবিতা, গল্প ও উপন্যাস অনুবাদ করছেন তিনি। এছাড়া অনুবাদ করেছেন শতাধিক বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বের জীবনী ও সাক্ষাৎকার।
বর্তমানে স্ত্রী ও দু’সন্তান নিয়ে বসবাস করেন ময়মনসিংহের ফুলপুরে।
লেখকের অন্যান্য বই :
উপন্যাস : ভালোবাসার উত্তরাধিকার ও স্বপ্ন শেষের রাত্রি। কিশোর উপন্যাস: স্বাধীনতা, রক্তঝরা সময়ের গল্প, ছেলেধরা।
কিশোর কবিতা ও গল্প সংকলন : পাতায় পাতায় আনন্দ।
অনুবাদ গল্প : প্রেমের সেরা গল্প(ম্যাগনাম ওপাস ২০০৪), বিশ্বসাহিত্যের প্রেমের গল্প (অ্যাডর্ন ২০০৮)।
সাক্ষাৎকার : মহাকালের মুখোমুখি (কথাপ্রকাশ ২০০৫), বিশ্বের ৮৫ ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি (অ্যাডর্ন- ২০০৮)
মৌলিক গল্পগ্রন্থ : আঁচলভরা আঁধার ও অন্যান্য গল্প (শব্দসম্প্রীতি ২০১২),
মৌলিক কবিতা : প্রেম কিছু না মায়ার জাল (শব্দসম্প্রীতি ২০১২)।
অনুবাদ কবিতা : মাহমুদ দারবিশের কবিতা (বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ২০১৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০২০)।
মায়ার বাঁশি ও অন্যান্য গল্প (অনুপ্রাণন প্রকাশন ২০২২)। বিশ্ব সাহিত্যের প্রেমের গল্প ও বিশ্বের ৮৫ ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি বই দু’টি পাওয়া যায় অ্যামাজন.কম-এ।



























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।




There are no reviews yet.