Description
লেখকের কথা
‘ধলপহরের আগে’ উপন্যাসটি প্রকাশ হওয়ার পেছনে প্রথমেই যার উদ্যোগ, পরিশ্রম ও আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করতে হয় সে আমার কন্যাসম স্নেহভাজন চামেলী, যে আমার হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিটাকে ছাপার উপযোগী করেছে। দ্বিতীয়জন আরেক স্নেহভাজন স্বস্তি, স্বল্পসময়ের মধ্যে এতো সুন্দর প্রচ্ছদ এঁকে বইটাকে পাঠকের কাছে উপস্থাপনযোগ্য করেছে। ওদের দু’জনের প্রতি আমার স্নেহ কৃতজ্ঞতা।
‘ধলপহরের আগে’ আমার লেখা চতুর্থ ও সর্বকনিষ্ঠ উপন্যাস। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উপন্যাসগুলো আকারে বেশ বড়। তাই কাউকে বেশি পরিশ্রম বা ঝামেলায় না ফেলে সর্বকনিষ্ঠকে প্রথমে স্থান দিয়েছি। করোনার এই দ্রোহকালে শ্রদ্ধেয় আবু এম ইউসুফ ভাইয়াকে আমার উপন্যাসটি নিতে অনুরোধ করলে তিনি বেশ আগ্রহ নিয়ে রাজি হয়ে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। যার জন্য আমার বইটি আলোর মুখ দেখতে পেলো। এজন্য আমি অনুপ্রাণন প্রকাশনের সকল কলাকুশলীবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
হাসিন আরা






















দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…
There are no reviews yet.