Description

আয়শা আক্তার শাপলা, লেখক নাম শাপলা সাদিঃ জন্ম শিক্ষা নগরী রাজশাহী বিভাগের রাজশাহীর প্রাণকেন্দ্র লক্ষ্মীপুর এলাকায় । এই লেখকের জন্ম ১৯৮২ সালের ১৬ ই অক্টোবর । জাতক হিসাবে তিনি একজন তুলা রাশির জাতক । স্বভাবে তিনি ডানপিটে এবং ছোটবেলা থেকেই খুব চঞ্চল প্রকৃতির । লেখক তার ছেলেবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি নেশা গ্রস্থ হয়ে পরে । তিনি এই নেশা পেয়েছিলেন তার দাদীর কাছে থেকে । তিনি তার দাদীকে দেখতেন সব ধরনের বই এবং সব ধর্মের ধর্ম গ্রন্থ গুলো নিয়ে পড়তে এবং সেগুলোর জ্ঞান নিয়ে গবেষণা মূলক জ্ঞান নিয়ে কথবার্তা বলতে । লেখক তার দাদির কাছে থেকেই শিখেছেন বই পড়ার মাধ্যমে কিভাবে বইয়ের জ্ঞান গুলো কে নিয়ে গবেষণা করে সত্যিকারের জ্ঞানী ব্যাক্তিতে পরিণত হওয়া যায় । লেখক আয়শা আক্তার শাপলার বই পড়ার প্রতি নেশা থাকলেও , তিনি ছিলেন স্কুল কলেজের চলিত ধারা রীতির পাঠদানের প্রতি উদাসীন এবং অমনোযোগী । ছোটো বেলাতেই লেখক তার দাদির কাছে জেনেছিলেন যে , মুখস্থ কারি জ্ঞান হলো অজ্ঞানতার সমান । কারণ যে জ্ঞান মস্তিষ্কে পৌঁছায় না এবং যে জ্ঞান নিয়ে গবেষণা করা হয় না সেই জ্ঞান দিয়ে কখনো কেউ জ্ঞানী এবং সমৃদ্ধশালী হতে পারে না । লেখক আয়শা আক্তার শাপলা তার দাদী কে অনুসরণ করেই বড়ো হয়েছেন । স্কুল কলেজের পড়াশোনায় তিনি মোটেও কোনো কৃতিত্বও দেখাত পারেন নি শুধু তার পাঠ্য বই ছেড়ে নতুন ধারার জ্ঞান অন্বেষণ এর জন্য । তিনি স্কুল কলেজের পাঠদানের রীতিকে প্রশ্ন বিদ্ধ করতেন এই বলে যে , সব সময় কেনো একই ধরনের জ্ঞান অর্জন এবং পড়াশোনা আমাদের কে করতে হবে ? এগুলোর বাইরে কি নতুন কিছু আর জানার নেই ? লেখক এর নতুন ধরনের জ্ঞান আহরণের আকাংখা এর কারণেই তিনি শুরু করেছিলেন বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন জ্ঞানের বই সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান অর্জনের পথচলা ।
লেখকের অর্জন করা সেই জ্ঞান গুলোয় আজ তিনি বিতরণ করতে চান সকলের মাঝে , যা তিনি বিগত দিন , মাস এবং বছর গুলিতে অর্জন করেছেন ।



















নিলীয়মান পৃথিবীর শরীর থেকে রাতের আঁচল খসে গেলে তার জন্ম মুহূর্তের শুরু। সেই সাথে শুরু অনন্তদিনের গোলকধাঁধাময় যাত্রা। যাত্রাপথের অলিগলি ঘুরে শেষ অবধি ঘরের চৌকাঠে পৌঁছাতে পারা তাই সহজ কিছু নয়। ফেরার পথে কতো অগুনতি গল্পের হাওয়া মনের শরীর ছুঁয়ে যায়! সেই হাওয়াগুলো কখনো হয় কেবল পকেট বন্দি, আবার কখনো তারা বেমালুম ফসকে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনার মতো দু:সাধ্য কিছু নেই। যদিও বা ফেরে, তখন হয়ত বদলে যায় তাদের অবয়ব। কখনো স্বেচ্ছায় মুঠোবন্দি হলে তাদের নাম দেয়া যায় ‘প্রজা কাহিনি’।




কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।



There are no reviews yet.