Additional information
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.24 $ 2.06
মাথার ওপর ছাদ না থাকলেও বাঁচা যায়
ছিন্নবীণা নিয়ে কত মানুষেরতো পথই ছাদ…তারপরও
পৃথিবীতে আছে কতো নানারকম মাথা রাখার ঠাঁই
একবার এক ট্রেনে মাথাগুঁজে অচেনা স্টেশনে নেমে
যাত্রাপালায় কাটালাম পুরোরাত… খড়ের গাদায় ভোর
কেউ নেই চলে গেছে সবাই, একা বসে আছি
যাত্রার নর্তকী এসে বললো চল তাঁবুর ভেতর,
দু’জনা মরি
এই মরণ মরণ খেলায় ভালোই ছিলাম বেশকিছু দিন
একরাতে নর্তকী তার নাভিভূমে শিশুমুখ এঁকে বললো
Ñচল পালিয়ে বাঁচি অন্যকোনো মদির ছাদের নিচে
কী হতো এমন মরণে বাঁচলে…
অথচ পালিয়ে এলাম ভোরের দুয়ার ঠেলে
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
“ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট দুঃখ ছোট কথা… অন্তরে অতৃপ্তি রবে সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হয়ে হইল না শেষ।।” -কথাগুলো ছোট গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রবিন্দ্রনাথ তাঁর ‘বর্ষাযাপন’ কবিতায় বলেছিলেন।
ইংরেজি সাহিত্য অধ্যায়নের শুরুর দিকে পড়া জেমস জয়েসের অনবদ্য ছোট গল্প ‘এরাবি’। রবিন্দ্রনাথের কথার মতই গল্পের ছোট ছোট ব্যথাগুলো ছোট করে গভীর দাগ কেটে গিয়েছিল মনে। তখনও ভাবিনি কোনদিন এমন গল্প অনুবাদ করার সাহস করতে পারব। বেশ কয়েক বছর পর ছোট গল্পের প্রতি তীব্র টান আর অদ্ভুত এক তাড়নায় গল্প অনুবাদ শুরু করলাম প্রিয় গল্প ‘এরাবি’ দিয়ে। অতঃপর একে একে আরও অনেক বিদেশী ছোট গল্প যোগ হতে লাগল প্রিয় গল্পের তালিকায়। এর মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত ছোট গল্পকার মান্টো, প্যাট্রিক ওয়াডিংটন, কেইট শোপেন, শার্লি জ্যাকশন আর গারশিনের মত লেখকের কিছু গল্প মাতৃভাষায় রূপান্তরের লোভ সামলানো গেল না। চমৎকার ১১ টি গল্পের অনুবাদ নিয়েই তৈরি এই নির্বাচিত ভিনদেশী গল্প গ্রন্থ।
নির্বাচিত ভিনদেশী গল্প
পলিয়ার-এর কবিতায় দার্শনিকতা, নান্দনিকতার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তাছাড়া উপমাশ্রয়ী চিত্রকল্প অভিনব ও অসাধারণ। যেসব পাঠক কবিতায় আবেগের তারল্য এড়িয়ে চলতে চান, দর্শন খুঁজতে চান-বোধে ভাবনায় জীবনের সারাংশের শিল্পরূপ খুঁজতে চান, তারা তার কবিতায় কল্পনা ও প্রজ্ঞার যোগসূত্রে মেজর কবিতা খুঁজে পাবেন।
-খালেদ রাহী
পলিয়ারের কাব্যভাষা একেবারে নিজস্ব। স্বতন্ত্র সুর তৈরিতে সে সার্থক। একই সাথে তার কবিতা পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
-শঙ্খচূড় ইমাম
পলিয়ার সবল ও দৃঢ়প্রত্যয়ী, তার দীর্ঘস্থায়ী বয়ান মাটি ও প্রেমিকাসংলগ্ন। কবি যেন তার ইংলিশ প্যান্টের পকেটে করে সেই কত আগে নিয়ে এসেছেন মাঠ ও উঠোন গড়ানো সোনালি কিছু ধান, সুযোগ পেলে তিনি এই ধান পাঠককে বের করে দেখান, এই ধান তার কবিসত্ত্বার স্মারক যেন, কবিতা তার কাছে কৃষিজ। কবি তার জন্মগ্রাম থেকে নিয়ে এসেছেন কিছু নিজস্ব শব্দও, যা পরিমিতভাবে নৃত্যরত ও সুমিষ্ট আবরণযুক্ত গাঢ় চিত্রকল্পময়।
-মোসাব্বির আহে আলী
পলিয়ার ওয়াহিদের কবিতা মানে নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া। নিজস্ব উপলব্ধির এক গভীর উপস্থাপন। নিজেকে ক্রমাগত অনুবাদ করে যাওয়া।
-মাহফুজ পাঠক
দোআঁশ মাটির কোকিল
কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (১৯৬৩-২০১৫)। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একাডেমিক পড়াশুনা করেন চট্টগ্রামে। লেখালেখি ছিল তার কাছে অফুরন্ত সর্ব আনন্দ ব্যাকুল এক জীবনপ্রবাহের নাম। কথাসাহিত্যের ছোটকাগজ ‘কথা’র সম্পাদক ছিলেন। তার অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে স্বপ্নবাজি, পদ্মাপাড়ের দ্রৌপদী, গল্পের গল্প ইত্যাদি।
হৃদমাজার
সাঁওতাল ভাষায় ‘দিকু’ মানে বহিরাগত। সমাজ-সংসার-রাষ্ট্রে একজন বহিরাগত মানুষের আলেখ্য নিয়েই এই উপন্যাস। একদিকে আছে কোন এক প্রাক্তন বিপ্লবী ও কবির অধঃপতনের উপাখ্যান, অন্যদিকে তার ছিন্নবিচ্ছিন্ন স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষ্যা আর ভালোবাসার বিচিত্র জলছবি।
দিকু - Diku
প্রবন্ধ এমন এক সাহিত্যকর্ম, যার রস পাঠকমনে তীরের মতো অথবা বুলেটের মতো বিদ্ধ হয়। হেঁয়ালিহীন এই সাহিত্যকর্ম পাঠককে চালিত করে জ্ঞানের পথে। ক্রমশ পেছনের দিকে হাঁটতে থাকা বর্তমান বাংলাদেশে প্রবন্ধ-সাহিত্য খানিকটা শক্তিহীন। লেখকরা অজ্ঞাত কারণে সাহিত্যের এই শাখার প্রতি উদাসীন। ফলে এর পাঠকও কমেছে আগের তুলনায়। মানবিক পৃথিবী নির্মাণে মূর্খতার অন্ধকার তাড়াতে যাঁরা শিল্পের প্রদীপ জ¦ালিয়েছেন, যাঁরা নিজ নিজ কর্মে হয়ে উঠেছেন প্রদীপতুল্য, তাঁদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, হকিং, মেরি শেলী, নাইপল, বব ডিলান, ইশিগুরো প্রমুখ নিঃসন্দেহে অগ্রগামী। তাঁদের শিল্পকর্মের গভীরে ডুব দিয়ে অবগাহন করেছেন প্রাবন্ধিক উদয় শংকর দুর্জয়। দক্ষ ডুবুরির মতো তুলে এনেছেন তাঁদের বহুমাত্রিক চিন্তার নির্যাস। টুকরো টুকরো সব নির্যাসকে একত্র করে তিনি যে মালা গেঁথেছেন, তার নাম দিয়েছেন প্রবন্ধ সংগ্রহ। এসব প্রবন্ধে কঠিন বিষয়ের মর্মভেদ করতে তাঁর সরল বয়ান পাঠককে আকৃষ্ট করে, আন্দোলিত করে; জন্ম দেয় এক নতুন চিন্তার। প্রবন্ধ-সাহিত্যের এই দুর্দিনের দুর্জয়ের প্রবন্ধ সংগ্রহ হয়ে উঠবে সুখপাঠ্য, ফিরিয়ে আনতে পারে এই সাহিত্যের সুদিন।
স্বকৃত নোমান
২০.১১.২০২০
প্রবন্ধ সংগ্রহ
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.









There are no reviews yet.