Description
আদ্যনাথ ঘোষ
পিতা : বীরমুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার ঘোষ
মাতা: নিভা রানী ঘোষ
জন্ম : ০২ জানুয়ারি ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দ
নেশা : লেখালেখি






$ 2.12 $ 2.82
কাব্যস্বরের নিজস্বতা একজন কবির জন্য বড়ো বেশি প্রয়োজন। আদ্যনাথ ঘোষ কবিতায় সেই চিরায়ত কাব্যস্বরের পরিবর্তন ঘটিয়ে আলাদা ইমেজ, উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অনুপ্রাস, প্রতিমা ব্যবহারে পাঠকচিত্তে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। শব্দ ও চিত্রকল্পের ক্ষেত্রে আদ্যনাথ ঘোষের কবিতার স্বতন্ত্রধারা পরিলক্ষিত হয়। কবিতার শরীরসজ্জা গদ্যাত্মক হলেও আদ্যনাথ ঘোষের কবিতা আত্মাকেই ধারণ করে। তাঁর কবিতার শিল্পভাষা, কল্পনার উচ্ছ্বাস, কাব্যিক ঢং অন্যান্য কবিদের থেকে অনেকটাই আলাদা। আদ্যনাথ ঘোষ মূলত স্বতন্ত্রস্বরের রূপকাশ্রয়ী লিরিকধর্মী ও ব্যঞ্জনাধর্মী কবি। কবিতার ভেতরে ঘোর, আত্মমগ্নতা ও পরাবাস্তবতা নির্মাণে ঈর্ষণীয় কারিগর। ইমেজের ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় এ-কবিকে ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে উন্নীত করেছে। তাঁর কবিতার আত্মা কাব্যপাঠকচিত্তে আলাদা অনুরণন সৃষ্টি করে। উত্তরাধুনিক যুগের এ-কবির কবিতার বাঁকবদল সত্যিই অনন্য।
প্রকাশক
আদ্যনাথ ঘোষ
পিতা : বীরমুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার ঘোষ
মাতা: নিভা রানী ঘোষ
জন্ম : ০২ জানুয়ারি ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দ
নেশা : লেখালেখি
| Weight | 0.207 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
কাব্যস্বরের নিজস্বতা একজন কবির জন্য বড়ো বেশি প্রয়োজন। আদ্যনাথ ঘোষ কবিতায় সেই চিরায়ত কাব্যস্বরের পরিবর্তন ঘটিয়ে আলাদা ইমেজ, উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অনুপ্রাস, প্রতিমা ব্যবহারে পাঠকচিত্তে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। শব্দ ও চিত্রকল্পের ক্ষেত্রে আদ্যনাথ ঘোষের কবিতার স্বতন্ত্রধারা পরিলক্ষিত হয়। কবিতার শরীরসজ্জা গদ্যাত্মক হলেও আদ্যনাথ ঘোষের কবিতা আত্মাকেই ধারণ করে। তাঁর কবিতার শিল্পভাষা, কল্পনার উচ্ছ্বাস, কাব্যিক ঢং অন্যান্য কবিদের থেকে অনেকটাই আলাদা। আদ্যনাথ ঘোষ মূলত স্বতন্ত্রস্বরের রূপকাশ্রয়ী লিরিকধর্মী ও ব্যঞ্জনাধর্মী কবি। কবিতার ভেতরে ঘোর, আত্মমগ্নতা ও পরাবাস্তবতা নির্মাণে ঈর্ষণীয় কারিগর। ইমেজের ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় এ-কবিকে ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে উন্নীত করেছে। তাঁর কবিতার আত্মা কাব্যপাঠকচিত্তে আলাদা অনুরণন সৃষ্টি করে। উত্তরাধুনিক যুগের এ-কবির কবিতার বাঁকবদল সত্যিই অনন্য।
প্রকাশক
Dukkho Nodir Dharapat - Adyanath Ghosh
গ্রামের পাশে যে বিশাল বাদাম ক্ষেত আর ক্ষেতের পাশে যে ছোট নদী, সে নদীতে মাঝারি সব ঢেউ ওপার থেকে এপাড়ে আসে খড়কুটো মুখে নিয়ে। আর কত কিছু ভেসে আসে আর চলেও যায়—সারা দিনভর ছোটনেরা সেইসব দেখে পাড়ে বসে বসে।
ছোটনেরা মানে হলো—হাবিবুল, রতন, মোবারক, শেফালি বকুল এরা। কালিয়াখোল গ্রামের ছোটরা। তারা প্রতিদিন নদীতে আসে আর কাঁচা বাদাম খেতে খেতে লক্ষ করে নদীটাকে। নদীর ভেতরে কত কিছু। কাদাখোঁচা একটি দুটি। বালিয়া হাঁসের সাদা পাখনা উড়তে থাকে। আর ওপারের মেঘ যখন উড়তে উড়তে এপারে আসে তখন জলিল কাকার সময় হয় জোয়ালের গাই দুটাকে গোসল দেয়ার। গাই দুটার গোসল দেখতে দেখতে আর বাদাম খেতে খেতে দলের মধ্যে মোবারক নামে যে আছে, সে একটা প্রস্তাব দিল। প্রস্তাব দেয়ার আগে বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভাব নিয়ে কয়েকটা জানাশোনা তথ্যও দিল। যেমন—এই নদীতে কিছুই ডোবে না।

বাকিরা মাথা নাড়ে—হুম।
গরু ডোবে না, খড় ডোবে না। নাও-লঞ্চ কিছুই ডোবে না। ভেলা ডোবে না।
সবাই মাথা নাড়ে। কাঁচা বাদাম খায়।
—চল আজকে একটা খেলা খেলি। মিনুরে ডুবাই দেই। দেখি ডোবে কি না?
ছোটনরা একজন আরেকজনের দিকে তাকায়। প্রস্তাবে জোর সমর্থন দেয় নুরু। প্রস্তাব সমর্থন নিয়ে নুরু কারো দিকে তাকায় না। নদীর পেটে জলের প্রবাহ দেখতে দেখতে তারা স্কুলঘর দেখে। দূরের আকাশছোঁয়া মিনার মসজিদ দেখে।
—মিনুও ডুবত না। এই নদীতে কিছুই ডোবে না–বলে সাহস দেয় নুরু। ততক্ষণে মিনুকে নিয়ে এসেছে মোবারক।
মিনু জল দেখে ভয় পায়। বলে—মিঁউ!
বিশাল নদী। বিশাল চর। মিনু ভয় পায়। ডাকাডাকি শুরু করে দেয়—মিঁউ মিঁউ।
মিনুকে কোলে নেয় হাবিবুল। হাবিবুল থেকে নেয় রতন। রতন থেকে নেয় শেফালি। শেফালি থেকে নেয় রাজন। রাজন থেকে নেয়া নুরু। নুরু থেকে কেউ নেয় না। কারণ নুরু কাউকে দেয় না। সে মিনুকে ছুড়ে দেয় নদীতে।
সবাই হাসে। মিনু সাঁতার কাটে। ঠিকমতো পারে না। নদীতে ঢেউ। তলিয়ে যায়। ছোট্ট মাথা। ডোবে ভাসে। সবাই হাসে–খুশিতে হাততালি দেয়।
দুই ঢেউয়ের চাপে পড়ে মিনু ডাকে—মিঁউ মিঁউ।
প্রাণপণ চেষ্টা করে মিনু কচি পা দিয়ে পাড়ে আসতে পারে না। দূরে সরে যায়। আবার আসে। পাড়ের কাছে আসেও। কিন্তু নুরুরা ঢিল ছোড়ে। হি হি করে হাসে। হাত তালি দেয়।
মিঁউ মিঁউ করতে করতে নদীর ভেতরে চলে যায় মিনু। ঢেউয়ের ভাঁজের ভেতরে চলে যায়। ডুবে যায়। পাড়ে বসে রাজন শিস দেয়।
…………
রাতের বেলায় বিছানায় শুয়ে শুয়ে পুরো ব্যাপারটা আবার দেখে ছোটন। মিনু ডুবে যাচ্ছে। ভেসে উঠছে। চিৎকার করে ওঠে ছোটন। ঘামে নেয়ে ওঠে সে। কিন্তু তার ঘুম ভাঙে না। ঘুমের মধ্যেই ছোটন বোঝে ঘুম না ভাঙলে সে নদী থেকে আর মিনুকে উঠাতে পারবে না।
সকালবেলা তাড়াতাড়ি মিনু যে কাজটি করে তা হলো ছোটনের বাবা-মাকে নিয়ে নদীর পাড় চলে এলো। তারা দেখল—নদীর ভেতরে একটা লাল জামা ভাসছে ছোটনের।
২৪১৯
কালিয়াখোল গ্রামের ছোটরা
সময়ের কঙ্কালগুহা পেরিয়ে যে পথ ধুলো জমে নিথর হয়ে আছে, সেই পথে একদিন শব্দ জাগবে, নীরবতা কেঁপে উঠবে, ফিরবে মানুষ—ফিরে আসবে তারা, যাদের চোখে হারিয়ে যাওয়ার অতল রেখা আঁকা ছিল। ‘একদিন ফেরার পথ জেগে উঠবে’—এই পাণ্ডুলিপি কেবল কবিতার সংকলন নয়, এটি প্রতিটি অনুচ্ছেদে হারিয়ে যাওয়া শৈশব, ঝরে পড়া প্রেম, ভাঙা স্বপ্ন আর তীব্র আশার এক অস্পষ্ট মানচিত্র।
এখানে প্রতিটি শব্দ যেন কুয়াশায় লেখা চিঠি, পাঠকের হৃদয়ে এসে খুলে যায়। একাকিত্ব, যুদ্ধ, প্রতিবাদ, অপেক্ষা আর অদৃশ্য ফেরার টান—সব মিলিয়ে কবি বুনেছেন এক গভীর মানবিক আবেগের জাল, যা ছিঁড়ে ফেলাও যায় না, ফেলে রাখাও যায় না।
এই কবিতাগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, থমকে দাঁড়াবার জন্য। মনে রাখার জন্য। এবং শেষে একবার হলেও বলার জন্য—হ্যাঁ, আমিও সেই ফেরার পথের যাত্রী। ‘একদিন ফেরার পথ জেগে উঠবে’— জেগে উঠবে আমাদের ভেতরের নিভে যাওয়া আলো, যেখানে অপেক্ষা করে আছে ফেরা, পরিশুদ্ধ হয়ে।
Ekdin Ferer Path Jage Uthbey - Abu Maksud
‘সহজ কথা যায় না বলা সহজে- রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন। সহজ কথা আসলে বুদ্ধিবৃত্তিক আর সংবেদনার ভাষা, দর্শনের একরকম উন্মোচনই তো!
লীনা ফেরদৌস কবি এবং তার এই কবিতাগুলোর ভেতর শৈশবস্মৃতি, একাকীত্ব, নৈঃসঙ্গ্য-স্বরূপ আর দেশ-ভাবনা ডুব-সাঁতারের মতোই পাঠকের কাছে ধরা দেয়।
‘নদী আসলে নরম নয়-অভিমানের স্রোতে সব ভাসায়।‘
কিংবা-
‘নারীরাই হয়তো নীল আকাশ, প্রতিটি মেঘে লুকিয়ে আছে একটি অপেক্ষমান জন্ম।’
দুটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে লীনার এর আগে, এটি তৃতীয় বই-সম্ভাবনার একরাশ পাপড়ি ছড়ানো লীনার কবিতা। বইটির পাঠক-মনোযোগ আকৃষ্ট হোক প্রভূত পরিমাণে-এই প্রত্যাশা করাই যায় অনায়াসে।
Ataler Padmapuran - Lina Ferdows
বাউল শিরোমণি লালন শাহ্
দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী রমণীদের বসবাস এখানে। ওই সুন্দরীদের রূপের সাথে পাল্লা দেয় যৌবন আর যৌবনের সাথে পাল্লা দেয় রূপ কিন্তু সেটা এক রক্ত নহর বহা একনগরী… স্ত্রীর জন্য ৭ পুরের (গ্রামের) জল ও মাটি সংগ্রহ করে পুব্যা এক যুবক। তবে শর্ত ছিল পথিমধ্যে কারো সাথে কথা-টথা বলতে পারবে না সে। যুবকটি কেন বলছে, হায় নারী! হায় স্ত্রী আমার! তুমি আমার অর্ধেক নও, তুমি আমার পুরো পৃথিবী… এরকম অসংখ্য মজাদার কথামালায় রচিত এই দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা উপন্যাসটি। শরীফ শামিলের লেখনী শক্তি ও কল্পনা শক্তি প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁর প্রথম উপন্যাস দীর্ঘ রাত্রির বিরুদ্ধে জেগে থাকা এর ব্যাপারে লিখেছিলাম, ওটি বাংলা উপন্যাসে এক নতুন সংযোজন। আর এ ‘দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা’ উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসে আরেক (সম্পূর্ণ) নতুন সংযোজন।
আবু এম ইউসুফ
প্রকাশক
দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা
হুমায়ুন কবির।
জন্ম ১৯৫৯ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দেউটি গ্রামে। বাবা জালাল আহমেদ ও মা জফুরা বেগম। লেখালেখির শুরু ছাত্রাবস্থায়। মাঝে দীর্ঘ বিরতি। আবারও ফিরে এসেছেন লেখালেখিতে। কবিতা, উপন্যাস, গল্পগ্রন্হসহ তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আটটি। ইতোপূর্বে প্রকাশিত তার উপন্যাস ‘ কানফুল, আনছার আলীর গৃহত্যাগ এবং কবিতা অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য জিগীষা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ তাকে জিগীষা সাহিত্য সম্মাননা -২০১৯ প্রদান করেছে।
সাবেক সরকারি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বর্তমানে দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক। তিনি সালমা ফৌজিয়া সুমি, ডা. শারমিন ফৌজিয়া ও সাইফুল কবির সোয়েবের বাবা। স্ত্রী নাজমুন নাহার লক্ষ্মী গৃহিণী।
প্রকাশিত বই সমুহঃ-
কবিতা-
আমি তাকে ফিরছি খুঁজে
অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস
উপন্যাস-
দায়
কানফুল
মেঘনাপারের শেফালী
আনছার আলীর গৃহত্যাগ
গল্পগ্রন্থ-
শাহজাদী উপাখ্যান
আমিও ডিকশনারি দেখেছি কিন্তু পাইনি।
জ্বিনকন্যা নার্গিসের প্রেম
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.
















There are no reviews yet.