Description
ধর্মের ভিক্তিতে গড়ে ওঠা রাষ্ট্র পাকিস্তানে বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালির জাতি সত্তা যে সংকটগুলো অতিক্রম করেছিলো, সেই একই সংকটের ঘূর্ণাবর্তে যেনো আমরা ঘুরছি। এতো বড় মুক্তিযুদ্ধ, এতো প্রাণক্ষয়, এতো সম্ভ্রম-সম্পদ বিনষ্টির সেই ভূত আমাদের ওপর ভর করেই আছে। সাতচল্লিশের দেশভাগের পরে ‘বাংলাদেশের কথাসাহিত্য’ নামে যে ধারাটি চালু হয়েছিলো তা আবার বাঁক নেয়। এই বাঁক তৈরিতে সৈয়দ শামসুল হক, আল-মাহমুদ, আবদুল মান্নান সৈয়দ, সেলিনা হোসেন, হুমায়ূন আহমেদ, কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, মনিরা কায়েস, হাসান আজিজুল হক, হুমায়ূন আজাদ, জাকির তালুকদার সহ আরও অনেকেই ভূমিকা রেখেছেন। তাদের নিয়েই ‘এই সময়ের কথাসাহিত্য’ গ্রন্থটির পরিকল্পনা।
























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।







There are no reviews yet.