Description

লেখক পরিচিতি ::
কবির পূর্ববর্তী সৃষ্টিকর্মসমূহ-
ভগ্নাংশ ২০২৪
কুয়াশা ও কাশফুল ২০২০
নারীটি জ্যোৎস্না ছিলো ২০১৮
রাত এবং আমি ২০১৭
নীল গোধূলি ২০১৬
জলজ কামনা ২০১৫





$ 1.85 $ 2.47
বৃত্তের বাইরে কিছুই হলো না,
অতীত বিচ্ছুরিত রশ্মি
বিগত পাণ্ডুলিপির উন্মোচনে
বর্ণমালা পুড়ে আগুন আয়োজনে
বিষাদ লেগে থাকে চোখে।
দূরের কিছু মেঘ ঝলকে উঠে
বলে, রোদ আছে অদূরে
অনেক শূন্যতা আকাশ হয়ে
ছড়িয়ে পড়ে বুকের পাঁজরে।
বৃত্তের বাইরে হাত বাড়াই
বিষাদ লেগে থাকে নখে।

লেখক পরিচিতি ::
কবির পূর্ববর্তী সৃষ্টিকর্মসমূহ-
ভগ্নাংশ ২০২৪
কুয়াশা ও কাশফুল ২০২০
নারীটি জ্যোৎস্না ছিলো ২০১৮
রাত এবং আমি ২০১৭
নীল গোধূলি ২০১৬
জলজ কামনা ২০১৫
| Weight | 0.180 kg |
|---|---|
| Published Year |
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
‘মুজিবের ছড়া মুক্তির ছড়া’ গ্রন্থটি আবেদীন জনী’র রচিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিবেদিত ছড়া-কবিতাগুলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এক কথায়, এটি বঙ্গবন্ধুর অনবদ্য কীর্তিগাথা। আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজয়, ও বাংলাদেশের কথা লিখতে লিখতে লেখক ছড়া-কবিতাগুলোতে বার বার প্রবলভাবে বঙ্গবন্ধুর কথাই উচ্চারণ করেছেন। কোমলমতি সন্তানেরা গ্রন্থটি পাঠ করে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।
ছোটোদের উপযোগী সাহিত্য রচনা করতে হয় প্রাঞ্জল ভাষায়। নরম মনের স্বপ্নসাঁকো শাব্দিক ঝড়-ঝাপটায় যেন নড়ে না ওঠে। ওদের মনস্তাত্ত্বিক পরিমণ্ডলে যেন বিরূপ প্রভাব না পড়ে। বিকাশমান সৃষ্টিশীল চেতনার পথগুলো যেন রুদ্ধ না হয়। মগজের কোষে যেন বিরুদ্ধ বাতাস আঘাত করতে না পারে। তবে হ্যাঁ, যে সমাজে শিশু-কিশোররা বেড়ে উঠছে, সেই সমাজের কুসংস্কার থেকে মুক্ত করতে, স্বপ্নখেকো অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ফিরিয়ে আনতে ওদের মানসজগতে মৃদু শাব্দিক টোকা দেওয়া বা জাগরণের মৃদু স্পন্দন তোলা যায়। তবে সেটাও করতে হবে অত্যন্ত সচেতনভাবে। নিখাদ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিশ্লেষণের মাধ্যমে। কাঁচা মস্তিষ্কের কতটুকু ধারণক্ষমতা এবং হাসতে হাসতে, খেলতে খেলতে, নাচতে নাচতে কতটুকু গ্রহণ করতে পারবে- সেসব বিষয়ে সুচারু মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সচেতনভাবে ‘মুজিবের ছড়া মুক্তির ছড়া’ গ্রন্থের ছড়া-কবিতাগুলো রচনা করা হয়েছে। প্রত্যেকটি লেখার মধ্যে ছোটোদের মনোবিকাশের জন্য কোনো না কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপাদান রয়েছে, যা নির্মল আনন্দের মধ্য দিয়ে শিশুকে নিয়ে যাবে আলোর জগতে। লেখাগুলো পাঠ করতে বড়োদেরও ভালো লাগবে।
Mujiber Chora Muktir Chora by Abedin Jony
অনুভবের রক্তাপ্লুত প্রতিটি নির্ণীত ফোটাই কবিতা। কবিতা রহস্যের অনুসন্ধানে নিয়োজিত থেকে অন্ধকারে আলোর কণায় সোনার প্রতিমা গড়ে। অথৈ জলের তোড়ে জ্বলে যে কৌণিক বিন্দু, কবিতা সেই বিন্দুর জ্যা।
কবিতার এইসব নিগুঢ় নিপুণ রহস্যে মহাবিশ্বের পথিক মিলি রায়। মিলি রায় কবিতার মগ্ন শরীরে আঁকেন জলডুবুরীর কুহক, বাজান প্রেমের খোল করতাল। জমে জমে কবিতার অশ্বত্থ ছায়া শরীর হয়ে ওঠে হাজার বছরের দুগ্ধ সংস্কৃতির ক্ষীর।
মিলি রায় কবিতার শরীরে অযথা বা অকারণ কাঠিন্য আরোপ করেন না। প্রতিদিনের পান সুপারী বাটার মতো সরল নিক্তিতে কবিতা বয়ন করেন কবিতার উষ্ণ চাদরে।
মিলি রায়ের কবিতার প্রেম আসে অনিবার্য তিথি ও করতলের পরম কামনার একান্ত ঐশ্বর্যে।
প্রত্নতাত্ত্বিক প্রেম কবিতার শেষ দুটি লাইন, প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাসের পথ ধরে জানা গেছে
আলোকবর্ষ আগে প্রাণ ছিলো ভালোবাসার।
প্রেম যেমন সংহারী উল্টোপথে প্রেম কামনায় মাখা মধুর অমাবস্যাও। মিলি রায়ের কবিতা পাঠে প্রেম যমুনার জলে ঘুঙুরের ছলে ডুব সাঁতার খেলে।
তোমার প্রেমিকারা আমার একান্ত শহরে কাব্যনামের কবিতায় তিনি শব্দ আর হৃদ চেতনার অনুবাদে অনন্য এক সুন্দর সাজিয়েছেন, শূন্য উঠোনে।
মিলি রায় তোমার প্রেমিকারা আমার একান্ত শহরে কাব্যে প্রেমের পাশে প্রকৃতি, সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের আশা ও হতাশার মানচিত্র এঁকেছেন নিজস্ব চৈতন্যর রসায়নে।
মিলি রায়ের কবিতার ঘর গেরস্থালীর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ুক বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের মধ্যে।
মনি হায়দার
কথাসাহিত্যিক
বাংলা একাডেমি, ঢাকা।
তোমার প্রেমিকারা একান্ত শহরে
তোর সাথে কথার তসবিহ আর জপবো না
তাই কুফুরি-কালাম দিয়ে তাবিজ করে
বড় হুজুরের পানিপড়া এনে,
উতার পানি ছিটিয়ে দিয়ে
তোর দেহমনের বাইরাগ, চৌকাঠ, উষারা
সব বেঁধে দেব।
তুই কোথাও যেতে পারবি না আমাকে ছেড়ে
অন্য কাউকে প্রেমিকের মতো আসতেও
দেব না তোর চৌহদ্দিতে।
তুই হবি আমার সর্বনাশের ফুলতোলা রুমাল
আমিও হব তোর দু:খনাশী কৃষ্ণচূড়ার ডাল!
Ami Tar Upekkhar Vasha
রবিউল ইসলাম। হাস্যরসের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রসিক আর আড্ডাপ্রিয়। হাস্যরসিক বন্ধুপ্রিয় এ মানুষটির জন্ম ১৯৭৭ সালেÑ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন গোমস্তাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী শিবরামপুর গ্রামে। লেখাপড়া করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। বিভিন্ন গবেষণা পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও সাহিত্য পত্রিকায় তাঁর অনেক প্রবন্ধ, কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। ইতোপূর্বে লেখকের ‘কই মাছটি এখনো নড়ছে’ (২০১৯) এবং ‘বিরুদ্ধ বাতাসে বালক’ (২০২০) শিরোনামে দুটি রম্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। যাপিত জীবনের বাস্তবতা থেকে উৎসারিত তাঁর রম্যগল্পগুলো। গল্পগুলোতে ভারত সীমান্তের কোল ঘেঁষে বিরাজমান শিবরামপুর গ্রামের প্রকৃতি ও মানুষের সহজাত ঘটনা বর্ণিত হলেও এটি মূলত আবহমান গ্রামবাংলার রসময় চিত্র ।
রবিউল ইসলাম ২৬তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি ২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজে প্রভাষক বাংলা পদে যোগদানের মাধ্যমে চাকুরিজীবন শুরু করেন। ইতোপূর্বে তিনি সহকারী অধ্যাপক, বাংলা পদে চাকুরি করেছেনÑ রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী, বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ, বদলগাছী, নওগাঁ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজে। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পি-এইচ.ডি গবেষণারত।
বাংলা সাহিত্যের বিচিত্র বিষয়ের তিনি একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক। লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত আছেন ছাত্রজীবন থেকেই।
‘চেরাগ আলীর ফুটবল কাল’ লেখকের প্রথম শিশুতোষ গ্রন্থ। এ গ্রন্থে তিনটি গল্প রয়েছে। গল্পগুলো শিশুদের উপযোগী করে লেখা হলেও যে কোনো বয়সের পাঠক এর গল্পরস থেকে বঞ্চিত হবেন না। গল্পগুলোতে লেখকের শৈশবকালীন স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা শিশুমনের উপযোগী করে ব্যক্ত করা হয়েছে। কাহিনি বর্ণনায় হালকা রসের আশ্রয় নেয়া হয়েছে Ñ যা শিশুমনে অফুরান আনন্দ জোগাবে।
এ গ্রন্থে লেখকের শৈশব কৈশোরের দুরন্ত ও ঘটনাবহুল দিনগুলোর ছবি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
চেরাগ আলীর ফুটবল কাল
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.













There are no reviews yet.