Description

লেখক পরিচিতি ::
কবির পূর্ববর্তী সৃষ্টিকর্মসমূহ-
ভগ্নাংশ ২০২৪
কুয়াশা ও কাশফুল ২০২০
নারীটি জ্যোৎস্না ছিলো ২০১৮
রাত এবং আমি ২০১৭
নীল গোধূলি ২০১৬
জলজ কামনা ২০১৫





$ 1.85 $ 2.47
বৃত্তের বাইরে কিছুই হলো না,
অতীত বিচ্ছুরিত রশ্মি
বিগত পাণ্ডুলিপির উন্মোচনে
বর্ণমালা পুড়ে আগুন আয়োজনে
বিষাদ লেগে থাকে চোখে।
দূরের কিছু মেঘ ঝলকে উঠে
বলে, রোদ আছে অদূরে
অনেক শূন্যতা আকাশ হয়ে
ছড়িয়ে পড়ে বুকের পাঁজরে।
বৃত্তের বাইরে হাত বাড়াই
বিষাদ লেগে থাকে নখে।

লেখক পরিচিতি ::
কবির পূর্ববর্তী সৃষ্টিকর্মসমূহ-
ভগ্নাংশ ২০২৪
কুয়াশা ও কাশফুল ২০২০
নারীটি জ্যোৎস্না ছিলো ২০১৮
রাত এবং আমি ২০১৭
নীল গোধূলি ২০১৬
জলজ কামনা ২০১৫
| Weight | 0.180 kg |
|---|---|
| Published Year |
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
নুরুল ইসলাম বাবুল কবিতা লেখেন। লেখেন শিশু-কিশোর সাহিত্য। দেশের শিশুসাহিত্য অঙ্গনে রয়েছে তাঁর বিশেষ পরিচিতি। ছড়া, কিশোর কবিতা, গল্প ছাড়াও কিশোর উপন্যাস রচনায় তিনি সিদ্ধহস্ত। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত তাঁর ছয়টি কিশোর উপন্যাস নিয়ে আমাদের এই আয়োজন। নানারকম পরিদের কাহিনী নিয়ে তার সুখপাঠ্য একটি উপন্যাস ‘জলপরি, স্থলপরি ও আকাশপরির গল্প’। স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটির অবসরে শিশুরা করে থাকে মজার মজার কাণ্ডকারখানা। সেসব ঘটনা নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘স্কুল ছুটির দিনে’ উপন্যাসটি। ‘বোবা গুপ্তচর’ উপন্যাসে দেখা যায়- হঠাৎ গ্রামে আগমন হওয়া একজন বোবা লোককে ঘিরে তৈরি হয় কৌতূহল, তারপর ঘটনা এগিয়ে যায় দারুণ এ্যাডভাঞ্চারের দিকে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লেখা উপন্যাস ‘একটি সোনালি ভোরের অপেক্ষায়’ পাঠে জানা যায় রক্তাক্ত একাত্তরের কিছু প্রামাণ্য চিত্র। ভূত নিয়ে বিচিত্র উপন্যাস ‘রাতে রাতে ভূত আসে’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে উপন্যাস ‘রাসেলের বাবা’ পাঠে কিশোররা সমৃদ্ধ হবে। সর্বোপরি বলা যায়, এই গ্রন্থে সংকলিত নুরুল ইসলাম বাবুলের ছয়টি উপন্যাস অনবদ্য সৃষ্টি, যা পাঠে শুধু শিশু-কিশোর নয়; বড়োও পাবে সাহিত্য পাঠের দারূণ আনন্দ।
Chayti Kishor Uponyas by Nurul Islam Babul
সুখানন্দের চেয়ে জীবনের বড়ো প্রাপ্তি আর কিছু থাকতে পারে না। সুখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে হাসিতে। হাসি প্রাণশক্তি বৃদ্ধির এক প্রকার নির্ভেজাল নিয়ামক, যা সবার ভাগ্যে জোটে না। ঊষর নির্বিকার ও নিরানন্দ জীবনকে সুন্দর ও রসময় করে তোলার জন্য হাসির বিকল্প আর কিছু আছে বলে আমার জানা নেই। আর এই হাসি ও আনন্দের যোগানদুয়ার খুলতে পারে রম্য লেখা। রম্য লেখকদের দাপটে সাহিত্যের একটি শাখাই হয়ে গেল রম্য বলে।
রম্যগল্পকারদের নাম করতে গেলে প্রথমেই বনফুল (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়) ও সৈয়দ মুজতবা আলির কথা মনে পড়লেও বাংলা সাহিত্যে আরও অনেক রম্যলেখক রয়েছেন যাঁদের সাহিত্যে রয়েছে হাসির ত‚ণে সমাজের নানা রকম অসঙ্গতি ও নিগূঢ় সত্যকে তীর্যক বাণে বিদ্ধ করার কৌশল। তফিলুদ্দিন মÐলের রম্য গল্পের বাতাবরণেও হাসির আড়ালে সমাজের অনেক অসঙ্গতি ও কুসংস্কারের বিষকাঁটা লক্ষ করা যায়। ইতোমধ্যে তাঁর ‘সেই সব মজার মানুষ’ ও ‘বাহিরে যার হাসির ছটা’ গল্পগ্রন্থ দুটি পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
তফিলু উদ্দিন মণ্ডলের তৃতীয় গল্পগ্রন্থে মোট ২৯টি রম্য গল্প মলাটবন্দি হয়েছে। এই বইয়ের গল্পগুলো ক্লান্তিহীনভাবে পড়ে শেষ করা যায় গল্পের বুনন ও ন্যারেশনের কারণে। কোনো কোনো গল্প সাধু ভাষায় রচিত হওয়াতে ভিন্নমাত্রা পেয়েছে এবং মনে হয়েছে সাধু ভাষার জন্যই গল্পের বুনন মজবুত হয়েছে। কল্পনা ও বাস্তবতার মিশেল, বাক্যগঠনে বিভিন্ন মাত্রা, ভাষার মাধুর্য ও সাবলীলতা এবং বিচিত্র শব্দ চয়নে গল্প নির্মাণে লেখকের অকৃত্রিম আন্তরিকতা ও দরদ লক্ষ করা যায়। সুখপাঠ্য বইটি পাঠনন্দিত হোক এই প্রত্যাশা করি।
মোজাম্মেল হক নিয়োগী
কথাসাহিত্যিক।
AMLOMODHUR by Tafil Uddin Mondol
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.










There are no reviews yet.