Description
জ্যোৎস্নালিপি’র অনেকগুলো পরিচয়- ছোটোগল্পকার, গবেষক, তথ্যচিত্র নির্মাতা এবং শিশুসাহিত্যিক। বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানায়। কৈশোরের আঙিনা থেকেই কথাশিল্পের সঙ্গে তাঁর সখ্য। শিশুসাহিত্যিক হিসেবে ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। শিশুসাহিত্য ও গবেষণায় পেয়েছেন পুরস্কার। লেখাপড়া করেছেন বাংলা সাহিত্য নিয়ে। ছোটোগল্প নিয়ে গবেষণা করে অর্জন করেছেন পিএইচ.ডি ডিগ্রি। এছাড়া সাংবাদিকতায় উচ্চতর ডিগ্রিসহ রয়েছে তাঁর কয়েকটি ফেলোশিপ। দৈনিক দেশবাংলার শিশুসাহিত্য পাতা ‘ডানপিটেদের আসর’ ও সংবাদের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্য পাতা ‘খেলাঘর’ দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেছেন তিনি। এছাড়া, ‘ধ্রুব’ নামে একটি লিটল ম্যাগাজিনও সম্পাদনা করেছেন। গণমাধ্যমবিষয়ক ত্রৈমাসিক ‘মুক্তপ্রকাশ’-এর সম্পাদক, ‘দৈনিক সংবাদ’-এর ফিচার সম্পাদক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এ সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জ্যোৎস্নালিপি বর্তমানে ‘প্রান্তজন’-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থ: ‘রাখাল ছেলে ও সাতপরি’, ‘কাঠবিড়ালীর বিয়ে’, ‘চরকা কাটা বুড়ি’, ‘ভালোদাদু’, ‘প্রকৃতির আঁকিবুঁকি’,‘চাঁদমামার জামা’ ‘ডিমের ছানা’,‘মেঘপরিদের সোনার নূপুর’ , ‘হাতি ও পিঁপড়ের চাঁদ দেখা’, ‘এমন যদি হতো’, ‘জাদুর মুড়ি’, মিমিন ও বেড়ালছানা ‘মিঠির জাদুর কলম’, ‘তিতি ও প্রেত্নি মিস’, ‘ঢাকা শহরে ভূত এলো’, ‘এক থলে ভূত’, ‘বঙ্গবন্ধু ও আমার মায়ের হাতপাখাটি’, ‘পাকসেনা ও সাদা ভূত’, ;
গল্পগ্রন্থ: ‘অথবা বিমূর্ত অন্তর্দাহ’; সম্পাদনা গ্রন্থ: ‘খবরের খোঁজে’, ‘সংবাদের তালাশে’, যৌথ সম্পাদনা: ‘আলতাফ মাহমুদ স্মারকগ্রন্থ’, ‘ক্রীড়া সাংবাদিকতা’,
গবেষণা গ্রন্থ: ‘গ্রামীণ সাংবাদিকতায় মোনাজাতউদ্দিন: জনসাংবাদিকতার রূপকল্প অনুসন্ধান’ এবং ‘সাংবাদিকদের জন্য গণমাধ্যম সহায়িকা: নারীর ক্ষমতায়ন’।


























‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’









নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?

There are no reviews yet.