Description
মুহসীন মোসাদ্দেক
মূলত গল্পকার ও শিশুসাহিত্যিক। পাশাপাশি অনুবাদ করেন বিশ্বসাহিত্যের পছন্দের গল্পগুলো। জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮; রাজশাহী। ২০১০ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘন অন্ধকারের খোঁজে’ এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ঘি দেয়া গরম ভাত আর চিতল মাছের পেটি’। মাঝে ২০১৩ সালে কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘মগডাল বাহাদুর’ প্রকাশিত হয়। প্রকাশের অপেক্ষায় আছে কিশোর উপন্যাস ‘লাবুদের দস্যিপনা’ ও কিশোর গল্পসংকলন ‘রাজুর ভুতুড়ে ম্যাজিক’। অনুবাদ করেছেন হারুকি মুরাকামির বেশ কিছু গল্প।
প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষায়। জীবিকা অন্বেষণের স্রোতে ব্যস্তজীবন পেরিয়ে সাহিত্যপাঠের ফাঁকে ফাঁকে লিখেন খুব অল্পই। জীবনটাকে যেভাবে দেখেন, আগামীর সময় নিয়ে যা ভাবেন এবং অনুভূতিগুলো যেভাবে অনুভব করেন—লেখায় তা প্রকাশ করতে চেষ্টা করেন সবটুকু দিয়ে।
শিশু-কিশোরদের জন্য লিখতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে দুরন্তপনার গল্পগুলো। লেখকের কৈশোর জীবন তুমুল দুরন্তপনায় কেটেছে এমনটা নয়, তবু বেশ রঙিন এক কৈশোর কাটিয়েছেন মফস্বল শহরে। রঙিন সে জীবনে ফিরে যাবার সুযোগ না থাকায় খুব আফসোস হয়। এ আফসোস ঘোচাতেই লেখার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যান কৈশোরে আর দুরন্তপনায় মেতে ওঠেন ইচ্ছেমতো। প্রত্যাশা এতটুকুই, লেখাগুলো কেবল যথাযথ পাঠকের নাগালে পৌঁছে যাক, কিছু যথাযথ পাঠক সঙ্গী হোক লেখার এ দুরন্ত জীবনে।
গ্রন্থনা: জেসমিন জেবা


























প্রতিদিন নিজের নামে একটা করে গাছ লাগাই। সেচ করি, নিড়ানি দেই, হাওয়া লাগাই। ঋতুর বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের মতো করে ফুল ফোটাই। ফলের কাছে নত হয়ে থাকি। আর এভাবেই হেমন্ত পেরুতে গিয়ে শীতের কবলে পড়ে যাই। শীত পেরুতে গিয়ে গাছটি হারিয়ে ফেলে তার আয়ুর পালক।

নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?
















There are no reviews yet.