Description
উত্তম পুরুষের বাচন শৈলিতে রচিত ‘গন্তব্যহীন দুঃখবিলাস’ উপন্যাসটি ব্যক্তিগত জীবনের পাওয়া না পাওয়ার এই লেখার নায়ক শোভন যাকে চারপাশের সহস্র জ্বালা-যন্ত্রণা জমাট পাথরের মতো আঁকড়ে ধরে। বাবা-মা হারিয়ে বিরহের বিষাক্ত স্রোতে ভেসে যায় গন্তব্যহীন পথে। বিখ্যাত ধনীর একমাত্র মানসিক বিকারগ্রস্ত কন্যাকে সুস্থ্য করার দায়িত্ব নিয়ে ভালোবেসে ফেলে। ছোট ভাই বিধর্মী এক মেয়েকে ভালোবাসে কিন্তু মরণব্যাধি ক্যান্সার তাকে মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যায়। মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়েটি ও এক পর্যায়ে সুস্থ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু সে ভুলে যায় পেছনের সব কথা। ভুলে যায় নায়কের প্রেমও। জীবন আবারো হয়ে পড়ে গন্তব্যহীন। বেকার জীবনের উপর ভিত্তি করে লিখা হয় এই উপন্যাসটি।













কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.