Description
প্রতিবাদ করা কি কবি-লেখক-শিল্পীর ধর্ম নয়? প্রবহমান স্রোতে গা ভাসিয়ে যাপিত জীবনে নেই কোনো মনুষ্যত্বের বোধ! তাই বলে শিল্পী স্বধর্মচ্যুত নন। তারও ক্ষুধা ও তৃষ্ণা থাকে সুন্দর জীবনের জন্যে, মানুষের জন্যে এবং এই হাহাকার অস্তিত্বের জন্যে। এই স্বপ্ন বিঘিœত হলেই জাগে ক্ষোভ ও প্রতিবাদÑ তাই শব্দে শব্দে কবি বলতেই পারেন, ‘দারুণ ঘা খেয়ে আমারও মুখে বোল ফুটে ঘাঘু বিদ্যুতের!’ যার মূলে আছে কবির শান্তি ও সুন্দরের জন্য আকুতি। যেকোনো সৎ ও বিবেকবান কবি চান সুশৃঙ্খল, সুবিন্যস্ত, সুসভ্য সমাজ ও মানুষ। তাই এই গ্রন্থে মানুষ হয়ে উঠেছে কবিতার মুখ্য বিষয়।


















মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।

There are no reviews yet.