Description
মিজানুর রহমান রানা । জন্ম : ৬ জানুয়ারি ১৯৭৫ খ্রি.। জন্মস্থান : চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার রামপুর গ্রামে। পিতা : মৃত মো. ছিদ্দিকর রহমান বেপারী। মাতা : নূরজাহান বেগম। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ৬ষ্ঠ।
শিক্ষা : বিএসএস, ডিইউএমএস।
কর্ম : তিনি একজন ডিপ্লোমা ইউনানী হাকীম হিসেবে ইবনে সীনা হেলথ কেয়ারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের বিভাগীয় সম্পাদক, দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদের যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক মেঘনাবার্তার বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও অনলাইন নিউজ পোর্টাল চাঁদপুর টাইমস-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে চাঁদপুর রিপোর্ট ডট কম ও প্রিয় সময় ডট কম-এর প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অর্জন : ২০১১ সালে golpokobita.com-এ লেখালেখির জন্যে পুরস্কার অর্জন করেন। ২০২৩ সালে প্রিয় চয়েস পাণ্ডুলিপি পুরস্কার, চতুরঙ্গের ৩য় ইলিশ উৎসব-২০১১-এ লেখালেখির জন্যে প্রথম পুরস্কার অর্জন করেন। বর্তমানে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় তার গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
প্রকাশিত উপন্যাস : নীল জোছনা (একুশে বইমেলা ২০১২), রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন (একুশে বইমেলা ২০২৪), এই জনমে (একুশে বইমেলা ২০২৫)। সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ : গর্হণ (একুশে বইমেলা ২০১২)।


































‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’









নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?

There are no reviews yet.