Description
কবি জহুরুল ইসলাম ১৯৮১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পাবনা সদর উপজেলার অন্তর্গত দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাহাদিয়াড় গ্রামে তার মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন । পৈত্রিক নিবাস একই ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে। পিতা- মোঃ ফয়েজ উদ্দীন, মাতা- জোসনা বেগম। শৈশব থেকেই তিনি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। কবিতার প্রতি তার বিশেষ দুর্বলতা থাকলেও প্রবন্ধ ও গল্পের প্রতিও তিনি অনুরাগী। এখনও তার লেখা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা প্রকাশের পাশাপাশি বর্তমানে তার লেখা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে এবং সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হচ্ছে। তার প্রথম কবিতা বই- ‘জলের আগুনে জ্বলে’।






























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.