Description
লেখক পরিচিতি:
জন্ম ১৯৫৯। সাহিত্যচর্চার সূচনা ১৯৭৬। ১৯৮৪ সাল থেকে জাপান প্রবাসী।
কর্মকা-: বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখা গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা, বিলুপ্ত বাংলাদেশ সোসাইটি-জাপান এর সাংস্কৃতিক এবং প্রকাশনা সম্পাদক, সৃজনশীল পাঠচক্র: আড্ডা টোকিও এর পরিকল্পক, বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ফোরাম-জাপান এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ইত্যাদি।
সম্পাদনা: প্রকাশনা স্থগিত “মাসিক মানচিত্র” ও “মাসিক কিশোরচিত্র”।
প্রকাশিত গ্রন্থ: তালা, উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে, অবাক কাণ্ড, জানা অজানা জাপান (১.২.৩ খণ্ড), জাপানে গণিকা সংস্কৃতি, জাপানের নদী নারী ফুল, জাপান ও রবীন্দ্রনাথ: শতবর্ষের সম্পর্ক (১.২.৩ খণ্ড), রাহুল, জাপানে রবীন্দ্রনাথ (১.২ খণ্ড), জীবনস্মৃতির গল্প: সম্পর্ক, অপরাহ্ণে বৃষ্টি, অপরাজিত, প্রচ্ছায়া, প্রথম সূর্য, সূর্যোদয়ের দেশে সত্যজিৎ রায়, জাপানি ব্যবসায়ীদের মননে রবীন্দ্রনাথ, কলকাতার স্মৃতিকথা, নিহোন গা আজিয়া অ মেজামে সাসেতা (জাপান এশিয়াকে জাগ্রত করেছে), ক্রান্তি, জাপানে বাঙালি: অজানা ইতিহাস, প্রভৃতি।
বর্তমানে জাপান-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সভাপতি, Asian Solidarity Council for Freedom and Democracy (Free Asia) অন্যতম পরিচালক এবং গিফু মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় জাপান এর দক্ষিণ এশিয়া গবেষণা কেন্দ্রের বিশেষ অতিথি গবেষক।













































সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলাই কবির কাজ। কিন্তু এটা নেহায়েৎ সহজ কোনো কাজ নয়। এজন্য কবিকে সারা জীবন সাধনা করে যেতে হয়, হতে হয় দুঃসময়ের মখোমুখি আর কবি হয়ে ওঠেন সুন্দরের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং সৌন্দর্য ক্রমেই সংক্রামিত হয়ে মানুষের মনের মন্দিরে রূপ লাভ করে।

‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’
There are no reviews yet.