Description
প্রবীর বিকাশ সরকারের জন্ম ১৯৫৯ সালে।
জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন চাঁদের হাট এর সদস্য হিসেবে সাহিত্যচর্চার শুরু ১৯৭৬ সালে। জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার্থে জাপান গমন ১৯৮৪ সালে। বাংলাদেশ সোসাইটি জাপানের সাংস্কৃতিক ও প্রকাশনা সম্পাদক ১৯৮৭-১৯৯০ পর্যন্ত। সৃজনশীল পাঠচক্র আড্ডা টোকিওর প্রতিষ্ঠাতা পরিকল্পক ১৯৯৪ সালে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখা গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ১৯৯০ সালে। মাসিক মানচিত্র কাগজ প্রকাশ ও সম্পাদনা ১৯৯১-২০০২ সাল পর্যন্ত। ত্রৈমাসিক মিনি কাগজ অন্যচিত্র সম্পাদনা ২০০৩ সালে। মাসিক কিশোরচিত্র কাগজ প্রকাশ ও সম্পাদনা ২০০৭-২০১৩ সাল পর্যন্ত। প্রাক্তন বিশেষ অতিথি গবেষক তাকুশোকু বিশ্ববিদ্যালয় এবং গিফু মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান। One of the vice-presidents of the Asian Solidarity Council for Freedom and Democracy, Japan.
প্রকাশিত গ্রন্থ: উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে (রাজনৈতিক ছড়া / মানচিত্র, জাপান, ১৯৯৫), অবাক কাণ্ড (শিশু-কিশোর ছড়া / বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, ঢাকা, ২০০২), তালা (উপন্যাস / স্বরব্যঞ্জন, ঢাকা, ২০০৫), জানা অজানা জাপান (প্রবন্ধ সংকলন, ১ম খণ্ড / মানচিত্র, ঢাকা, ২০০৮), জানা অজানা জাপান (২য় খণ্ড / মানচিত্র, জাপান, ২০০৯), জানা অজানা জাপান (৩য় খণ্ড / অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০১৫) জানা আনজানা জাপান (হিন্দি, দেশ প্রকাশন, দিল্লি, ২০০৮), জাপানের নদী নারী ফুল (প্রবন্ধ / দশদিক, জাপান, ২০০৯), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাপান: শতবর্ষের সম্পর্ক (ইতিহাস / বিবেকবার্তা, জাপান, ২০১১), Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspectives (Essay Collection / India Center Foundation, Japan, 2011), জাপানে গণিকা সংস্কৃতি (প্রবন্ধ / চৈতন্য, সিলেট, ২০১৫), জাপানে রবীন্দ্রনাথ (ইতিহাস সংকলন / হাতেখড়ি, ঢাকা, ২০১৬) এবং রাহুল (উপন্যাস / চৈতন্য, সিলেট, ২০১৬), রবীন্দ্রনাথ ও জাপান: শতবর্ষের সম্পর্ক (প্রবন্ধ / আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০১৬), জাপানে রবীন্দ্রনাথ (প্রবন্ধ / বলাকা প্রকাশন, ঢাকা, ২০১৭), অপরাজিত (উপন্যাস / সাহিত্য বিকাশ, ঢাকা, ২০১৭), জাপানি ব্যবসায়ীদের মননে রবীন্দ্রনাথ (প্রবন্ধ / আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০১৮), প্রচ্ছায়া (উপন্যাস / তিউড়ি প্রকাশন, ঢাকা, ২০১৮), সূর্যোদয়ের দেশে সত্যজিৎ রায় (প্রবন্ধ / আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০১৯), অতলান্ত পিতৃস্মৃতি (আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা / অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০১৯), অপরাহ্ণে বৃষ্টি (উপন্যাস/ অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০২০), রবীন্দ্রনাথ ও জাপান: শতবর্ষের সম্পর্ক (প্রবন্ধ / একত্রিত ৩ খণ্ড, আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০২০), কলকাতার স্মৃতিকথা (ভ্রমণ সাহিত্য / অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০২০), প্রথম সূর্য (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস/ জিনিয়াস পাবলিকেশন্স, ঢাকা, ২০২০), নিহোন গা আজিয়া অ মেজামে সাসেতা (জাপান এশিয়াকে জাগ্রত করেছে) (ইতিহাস)/ হার্ট পাবলিকেশন্স, জাপান, ২০২০), জাপানে বাঙালি: অজানা ইতিহাস (প্রবন্ধ / আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০২২), জানা অজানা জাপান (৪র্থ খণ্ড / প্রবন্ধ সংকলন, অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০২২), ক্রান্তি (উপন্যাস / অনুপ্রাণন প্রকাশন, ঢাকা, ২০২২), জাপানি শিল্পে ভারতীয় পুরাণ ও জনসংস্কৃতির প্রভাব (প্রবন্ধ/ আত্মজা পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০২৪)।
পুরস্কার ও পদক:
চট্টগ্রামের অধুনালুপ্ত দৈনিক জমানা থেকে ছড়ার জন্য পুরস্কার; কলকাতার ছন্দচয়ন শিশুপত্রিকার সম্মাননা পদক; নিপ্পন-বাংলা.কম সম্মাননা পদক; বিবেকবার্তা সম্মাননা পদক; সাইতামা-গুনমা-তোচিগি প্রবাসী সম্মাননা পদক; ঢাকার এন আর বি ফাউন্ডেশন সম্মাননা পদক।
































‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’









নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?
There are no reviews yet.