Description
র
বিউল ইসলাম রম্যগল্পের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য রচনার সূচনা করেন। হাস্যরসের প্রতি তার গভীর অনুরাগ। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রসিক আর আড্ডাপ্রিয়। হাস্যরসিক বন্ধুপ্রিয় এ মানুষটির জন্ম ১৯৭৭ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন গোমস্তাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী শিবরামপুর গ্রামে। লেখাপড়া করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে। পিএইচ.ডি করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর গবেষণার শিরোনাম ‘আবদুশ শাকুরের সাহিত্য: বিষয়-বিন্যাস ও নির্মাণকৌশল।’
রবিউল ইসলাম ২৬তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি ২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজে প্রভাষক বাংলা পদে যোগদানের মাধ্যমে চাকুরিজীবন শুরু করেন। ইতোপূর্বে তিনি সহকারী অধ্যাপক, বাংলা পদে চাকুরি করেছেন- রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী, বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ, বদলগাছী, নওগাঁ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজে ও সরকারি শাহ এয়তেবারিয়া কলেজ, বগুড়া। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগেসহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন।
ইতোপূর্বে লেখকের ‘কই মাছটি এখনো নড়ছে’ (২০১৯), ‘বিরুদ্ধ বাতাসে বালক’ (২০২০) শিরোনামে দুটি রম্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ‘জানালায় দেখা হলদে পরী’(২০২৩) লেখকের তৃতীয় প্রকাশিত রম্যগ্রন্থ। তাঁর গল্পের ভাষা প্রাঞ্জল এবং গল্পের বিষয় সরস ও উপভোগ্য। প্রতিটি গল্প যাপিত জীবনের বাস্তবতা থেকে উৎসারিত।
‘চেরাগ আলীর ফুটবল কাল (২০২০)’ শিরোনামে লেখকের একটি শিশুতোষ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের বিচিত্র বিষয়ের তিনি একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক। লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত আছেন ছাত্রজীবন থেকেই। হাস্যরস মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ‘জানালায় দেখা হলদে পরী’ (২০২৩) গ্রন্থে লেখক হাস্যরসকে বিচিত্র বর্ণনারসে তুলে ধরেছেন। প্রত্যাশা করি গল্পগুলো সাধারণ পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
[ ড. মো. রবিউল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক, বাংলা ]



























মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।










তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।
There are no reviews yet.