Description
হাবিবুল্লাহ রাসেল। মা দিলারা বেগম। বাবা মো. ওসমান গনি। মা, স্ত্রী ফারিয়া চৈতী, দুই পুত্র ফারহান অনুভব ও ফাহমি অনন্যকে নিয়ে পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলার সোহাগদল গ্রামে পিতৃভূমিতে বাস।
পেশা: সহকারী অধ্যাপক, ফজিলা রহমান মহিলা কলেজ, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর।
প্রকাশিত গ্রন্থ : –
পঞ্চবেকী (কবিতা) ২০১১, প্রকাশক: সাহিত্য বিকাশ; কান্না নিয়ে যাও ফেরিওয়ালা মেঘ (কবিতা) ২০১৪, প্রকাশক: আপন প্রকাশ; মুক্তিযুদ্ধের কিশোর ইতিহাস- পিরোজপুর জেলা (২০১৭), প্রকাশক: তাম্রলিপি; দহনধ্বনি (উপন্যাস) ২০১৮, প্রকাশক: আপন প্রকাশ; গয়নারোদের দিন (কবিতা) ২০২০, প্রকাশক: আপন প্রকাশ; বিষমায়া (উপন্যাস) ২০২১, প্রকাশক: অনুপ্রাণন; রাশিয়ার বোমা বনাম আছিয়ার উনুন (গল্প) ২০২৩, প্রকাশক: অনুপ্রাণন; হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ও অন্যান্য অণুগল্প (২০২৫), প্রকাশক: আপন প্রকাশ; ঝুলবারান্দায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন (গল্প) ২০২৫, প্রকাশক: অনুপ্রাণন
গবেষণা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির বিশেষ প্রকাশনা ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের জ্ঞানকোষ’ গ্রন্থমালায় মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা
পুরস্কার ও সম্মাননা : –
অনুপ্রাণন অনূর্ধ্ব-৪০ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৩; গল্পকার অনূর্ধ্ব-৪০ ছোটগল্প সম্মাননা ২০২৩।
E-mail: raselanuvab@gmail.com






































সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলাই কবির কাজ। কিন্তু এটা নেহায়েৎ সহজ কোনো কাজ নয়। এজন্য কবিকে সারা জীবন সাধনা করে যেতে হয়, হতে হয় দুঃসময়ের মখোমুখি আর কবি হয়ে ওঠেন সুন্দরের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং সৌন্দর্য ক্রমেই সংক্রামিত হয়ে মানুষের মনের মন্দিরে রূপ লাভ করে।





‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’






There are no reviews yet.