Description
…………………………………………..
$ 1.13 $ 1.88
আব্দুল্লাহ জামিল পেশায় একজন হৃদরোগ চিকিৎসক। ১৯৬১ সালের ২৬ জুলাই নরসিংদী জেলার রায়পুরার নোয়াবাদ গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহন করেন শ্রাবন মাসের এক তুমুল বর্ষার দিনে। ছোটবেলায় গ্রামে কাটিয়েছেন কিছুদিন যার স্মৃতি আজো তাঁর কবিতায় দেখা যায়। তিনি SSC (১৯৭৯) ও HSC (১৯৮১) পাস করেন ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে। ১৯৮৮ সালে শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়, বরিশাল থেকে গইইঝ পাস করেন। তারপর FCPS (Internal Medicine) ও MD (Cardiology) ডিগ্রী অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৯৭ ও ২০০১ সালে। বর্তমানে Consultant –Interventional Cardiology হিসেবে একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত আছেন।
ছাত্র জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। পেশাগত প্রতিষ্ঠা অর্জন করতে গিয়ে লেখালেখি থেকে বহু বছর দূরে ছিলেন। গত চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে নিয়মিত লেখালেখি করেছেন। এটা উনার সপ্তম কাব্যগ্রন্থ।
প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ:
কাব্যনাট্য:
পুনরাবৃত্তি (ই-বই, অক্টবর, ২০১২)
কাব্যগ্রন্থ:
অরণ্যে যাবো গৌরী (একুশে বইমেলা, ২০১৩)
স্বপ্নের ফানুশ পুড়ে (একুশে বইমেলা, ২০১৪)
চলো অসম্ভবে যাই (একুশে বইমেলা, ২০১৫)
কোলাজ কার্টুন (একুশে বইমেলা, ২০১৫)
আড়মোড়া ভাঙে ঘুমন্ত শহর (একুশে বইমেলা, ২০১৬)
অতল মন (জুন, ২০১৬)
…………………………..
…………………………………………..
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
আত্মমুগ্ধ শিকল
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
মা ঘুমপাড়ানি গান শোনায়। মাসিপিসির ছড়া শোনায়। দৈত্যদানবের গল্প শোনায়। তবুও ঘুম আসে না মিতুর। ঘুমোতে একটুও ভালো লাগে না তার। শুধু খেলাতে ইচ্ছে করে। হঠাৎ একদিন কী যেন হয়। খুব ঘুম পায় তার। চোখের পাতা মেলতেই পারে না। ঘুমের কোলে ঢলে পড়ে সে। কত কথা হয় ঘুমের সাথে ওর। মিতু বলে, তুমি এতোদিন আসোনি কেন? ঘুম বলে, আমি তো তুমি চাইলেই আসতে পারি। তোমার মনের ভেতরেই আমি থাকি। আমার বোনের নাম স্বপ্ন। সে তোমার কথা বলে আমায় চুপি চুপি। তারপর আমি তোমার কছে চলে আসি। স্বপ্ন? সে কোথায়? এই তো তোমার কাছেই। দেখতে পাচ্ছো না তুমি? মিতু এবার ঘুম আর স্বপ্নের সঙ্গে উড়ে উড়ে মেঘপরিদের দেশে যায়। তারপর! তারপর তো অনেক অনেক মজা। আরো অনেক মজা আছে। নিসর্গ ও কুনোব্যাঙ কী বন্ধু হতে পেরেছিল? মেঘের ভেলায় চড়ে সেদিন কে এসেছিল? পুষি টুসি দুবোন কাশবনে কী শুধুই মজা করছিল? কু ঝু কেমন করে লোভী সাপকে শিক্ষা দিল? সন্টিমন্টি কীভাবে ভিনদেশি একটি দোয়েল পাখির বন্ধু হলো? কবুতর ছানা পারি কীভাবে বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা পেল? আর ভূতের রেলগাড়ি! খুব ভয়ের ব্যপার! গা ছমছম করবে! ছোট্ট বন্ধুরা, সবকিছু জানতে হলে তো মজার মজার গল্পগুলো পড়তে হবে!
ঘুমের যদি হতো ছুটি - Ghumer Zodi Hoto Chuti
নাফিস যেদিন তাকে প্রোপোজ করেছিলো সেদিন তার চোখে-মুখে দারুণ সুন্দর আশ্চর্য এক নরম-কোমল আলোর দীপ্তি ছিলো, যা এর আগে কখনও তুলি দেখেনি। কী আশ্চর্য সেই প্রেমময় মুখ, কী আবেগময় সে অবয়ব, কী বিপুল আকুতি সেই চোখে, তুলি সে মুখের আশ্চর্য কোমলতায়, সেই সুগভীর কালো চোখের চাহনি থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলো না। নাফিসকে সে কখনও এই রূপে ভাবেনি। কখনও তাকে এভাবে দেখেনি। সে এক আশ্চর্য মোহময় প্রেমময় মুখ। যে রূপ এজীবনে তুলি কারো মুখে খুঁজে পায়নি। আচ্ছা প্রেমিক-পুরুষের মুখ বুঝি এমনই হয়? সব সময় রাগী মুখের শক্ত চেহারার মানুষের মুখের ওপরও রেখাগুলো কোমল আর নরম হয়ে সারা চোখে-মুখে কোমলতার প্রলেপ ছড়িয়ে দেয়! চোখের মায়ায় হৃদয় তরল করে দেয়। সেই মুখখানি মনে পড়লেই তুলির বুক কেমন যেন দুরুদুরু ভয়ে কাঁপতে থাকে। এক আশ্চর্য ভালোলাগায় তার দেহ-মন অবশ হয়ে আসে। মনে মনে তুলি ভাবেÑ নাফিস, তুমি আমায় এ কী বললে? একি নিষ্ঠুর খেলা তুমি আমায় নিয়ে শুরু করলে। আমি তো এ চাইনি। তবে কেন আমার পাথরের মতো শক্ত এ হৃদয়ে প্রেমের শীতল হিম করে দেওয়া বাতাসে কাঁপন ধরিয়ে দিলে?
তুলির সেদিনের কথা একে একে আবার ভাবতে বসলো। সেদিনের কথা ভাবতেও তার খুব ভালো লাগে। বারবার সে সেদিনের প্রতিটি ক্ষণের স্মৃতি মনে করে দারুণ এক প্রেমময় সুখের সাগরে ভাসতে লাগলো। আহা কী মধুর ছিলো সে সাক্ষাৎ! কী যেন ছিলো সেদিন নাফিসের চোখে-মুখে। তুলি বুঝতে পারে না। তবে সেটা যে একেবারে অন্যরকম একটা কিছু তা তুলি বোঝে। কী শান্ত, কোমল আর কমনীয় দেখাচ্ছিলো সেদিন নাফিসের মুখখানি! কী মায়াময়! তুলির গত পাঁচ-ছয় রাত শুধু সে মুখটাকেই মনে পড়েছে। মনে মনে সে মুখটাকে ভেবেই বহুক্ষণ নির্ঘুম কাটিয়েছে। তারপর এক সময় কখন ঘুমিয়ে গেছে সে জানে না। ঘুমের ঘোরেও সেই কোমল-সুন্দর প্রেমময় মুখখানি তার পিছু ছাড়ে না। আচ্ছা ছেলেদের প্রেমে পড়া চেহারা বুঝি এমনই হয়? এমনই মায়াময় আর প্রেমময়?
ShobdohIn by Kamrun Nahar
তিরিশ বছর ধরে মিনুকে দেখছি। ও আদ্যপান্ত কবি। মার্কসবাদী বলা যাবে? সমাজবাদী তো বটেই! গল্পে ওর ক্যারিশমা সত্বেও ওকে আমি কবিই বলি। হ্যা, কবিতা নিয়েই ওর বেড়ে ওঠা, যে কোন আদর্শবাদীতা খারিজ করে, হাইপাররিয়ালিস্ট দার্শনিকতার আবহে, একাগ্র ঔদ্ধত্যে। এই কবিতাগুলো সামগ্রিকভাবে মিনু মৃত্তিকের ‘ষষ্ট’ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। পূর্বের কাব্যগ্রন্থগুলোর সঙ্গে এর মৌলিক পার্থক্য খুঁজতে গেলে বড় আকারের উল্লম্ফন অনুভূত হবে না। তবে রূপের বৈচিত্রে ও গন্ধে আলাদা এক ভাললাগা পাঠকের ইন্দ্রিয়ে নিশ্চিত সঞ্চারিত হবে, একথা বলা যায়। মিনু ক্রমাগত নিজেকে আবিস্কার করে চলেছেন, নাস্তিতে অথবা অধিবিদ্যক প্রেতাত্মার বিকর্ষণে! নিজেকে নিয়ে সর্বগ্রাসী ঠাট্টা আর নিজেকে ভেঙে চলেছেন তীব্র সংরক্ষণহীনতায়, অস্বীকারও করছেন নিজেকে। এভাবে তৈরি হচ্ছে তথাকথিত আধুনিকতার প্রভাববলয়ের বাইরে ওর নিজস্ব আগুনপথ, যে বিষম আর উদ্ভট মাল্টিকালচারাল পথে নেমে আমরা হতবাক হয়ে যাচ্ছি, হোঁচট খাচ্ছি, বিরক্ত হচ্ছি। আলটিমেটলি মিনু এটাই চান হয় তো–এই অরাজকতায় উশকানি দেওয়া, ‘সত্যে’র প্রতি চোরা অবিশ্বাস তৈরি করা! অমরত্ব মিনুর কাছে তাচ্ছিল্যের ব্যাপার। কিন্তু যে ভাষা-ভায়োলেশান মিনু আমাদের কবিতায় চারিয়ে দিয়েছেন সেটাকে পাঠক সম্ভবত ইগ্নোর করতে পারবেন না।
শিশির আজম, কবি
০৫-০৭-২০২২ খ্রীঃ
প্যারাডাইস এক্সপ্রেস - Paradise Express
Ekti Khuner Prostuti Boithok
উপন্যাসটি যখন আরম্ভ করি তখন মনে এই ইচ্ছে ছিল যে, মহেশখালীর ট্রলারের মালিকদের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে শামুক ও ঝিনুকের শুঁটকি বানিয়ে একজন ব্যবসায়ী কিভাবে কোটিপতি হতে পারে সেটি নিয়ে গল্প সাজাব। গল্প যে লেখককে তার ইচ্ছে থেকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসটি লিখতে গিয়ে আমি টের পেলাম যখন আমি ধীরে ধীরে আমার অভিজ্ঞতা, পঠন, ভ্রমণ ও কল্পনা মিশিয়ে লিখতে লিখতে যেন নিজেকেই লিখে ফেললাম। এখন পর্যন্ত যতটুকু লিখেছি, হাজার পৃষ্ঠা ছাড়িয়ে যাবে। তাই আরেকটি উপন্যাসের জন্যে কিছু রেখে ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসে অনেক সম্পাদনা করে এটুকু আপনাদের সামনে হাজির করলাম। উপন্যাসে সময় এবং ঘটনার বিস্তার এতোটাই ঘটেছে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে পরবর্তী অনেক ঘটনা এসে গেছে। এভাবে ভারত, থাইল্যান্ড, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, আলজেরিয়াসহ মালয়েশিয়া, সৌদি আরবের মানুষ ও রাজনীতি ও অর্থনীতিও উপন্যাসে ঢুকে গেছে।
বর্ণিত বিষয়গুলো আমার স্মৃতি, ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। আমি লেখা থামাতে পারিনি। ফলে একালে এতো বড় ঘটনাবহুল একটি উপন্যাস আপনাদের সামনে হাজির করতে হল। স্বপ্ন, প্রেম, আশ্রয় ও প্রয়োজন মানুষের জীবনে আসলে কী হতে পারে, মানুষের অসীম শক্তি কী করতে পারে কিন্তু করে না, সেটাই ভাবনার বিষয়। এই উপন্যাসের মূলকথা সেটিই।
পাঠকের বিচারের অপেক্ষায় কাঠগড়ায় দাঁড়ালাম।
বইটি প্রাণ লাগিয়ে যিনি সম্পাদনা করেছেন, শুধু কৃতজ্ঞতা দিয়ে তাঁর ঋণ শোধ হবে না। আর প্রকাশক আমাকে উপন্যাসটি প্রকাশের সাহস না দিলে আমি এটি লিখতে পারতাম না। প্রকাশক ও সম্পাদকের কাছে ঋণী রইলাম।
শুভকামনা রইল।
ভাস্কর চৌধুরী।
অমিয়ধারা
শ্যামলী, ঢাকা।
Shopnojal
প্রতিরাতে ঘুমাতে যাবার সময় মায়ের কাছে রাজকন্যা রাজপুত্র আর দেওদৈত্যর কিসসা কাহিনী শুনতো না মেয়েটি। শুনতো মায়ের ছোটবেলার প্রকৃতিঘেঁষা স্মৃতিময় সব সত্য গল্পগুলো। এসব শুনতে শুনতে ঢাকা নামক ইট কাঠ কংক্রিটের শহরে বড় হয়ে ওঠা অথচ প্রকৃতির সঙ্গলিদায় বিভোর এক বাংলাদেশী কিশোরীর পৃথিবীবিখ্যাত গবেষক হয়ে উঠার গল্পের শুরু। সে মেতে উঠে টাইম মেশিন আবিষ্কারের নেশায়। টাইম মেশিনে চড়ে যাবে মায়ের ছোটবেলায়, ভোরের হালকা আলো ফুটতে না ফুটতেই ছুটে যাবে শেফালিতলায়, পেয়ারা বাগানের অন্ধকারে বাঁদূরঝোলা দেখবে, পাহাড় জঙ্গলে খুঁজবে সবুজ পেয়ারা, ধানক্ষেতের আইলে দেখবে সাদা বকের অলস দাঁড়িয়ে থাকা। ভরা বর্ষায় পুকুর উপচে ওঠা পানিতে ভরে গেলে ঘাসের মাঠ থেকে ছোটমাছ ধরবে নিজের হাতে-এই তার স্বপ্ন। সময় বয়ে যায়। বিয়ে সংসার করা হয় না। জীবনের মাঝবেলাতে এসে বিপুল পরিশ্রম আর গভীর মায়ায় তৈরি করতে পারে টাইম মেশিন। তাতে চড়েও বসে। টাইম মেশিনে সফল ভ্রমণের মাধ্যমে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় এই বাংলাদেশী নারী। কিন্তু ২০৩৭ সাল থেকে ভ্রমণ করে ২০০৭ সালের পর আর পিছে যেতে পারে না টাইম মেশিন? কেন যেতে পারে না? ঐখানেই যে পড়ে আছে মায়ের। প্রকৃতি ঘেঁষা অতীত। যা ছুঁয়ে দেখবে বলেই টাইম মেশিনের আবিষ্কার। আসলে কি সে যেতে পেরেছিল মায়ের ছোটবেলাটাতে? পেয়েছিলো কি সেই বিপুল রহস্যময় সুন্দর প্রকৃতির সঙ্গ? যুগান্তকারী আবিষ্কারের পিছনে মানুষের প্রকৃতিলগ্ন হবার যে একাগ্র ও নিবিড় ধ্যান তারই গল্প নিয়ে ‘টাইম মেশিন’।
Time Machine - Shapla Shawparjita
সৌন্দর্য আশ্রিত ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদী চেতনার মানবিক স্বাধীনতার নাম রোমান্টিসিজম। যেখানে ক্রিয়াশীল থাকে উদ্বেগ ও ভয় : সেইসাথে অসম্ভবের গোয়ার্তুমি : একাধারে মনোরোগ ও প্রশান্তি। এই মনোরোগ আর প্রশান্তির নাম ‘মাথার এপ্রোন’- যে এপ্রোন নিজেই নিজের সাথে কথা বলছে স্বন্মোচিত আবেগ আর স্বগতকথনের আড়াল থেকে। প্রকৃত প্রস্তাবে এইগুলান হইল সানাউল্লাহ সাগরের ভাষিক ‘প্ররোচনা’ : এমনকি ইহা হয় ‘প্যারাডক্স’ : এইগুলান বাদ দিয়া একজন জন্মজাত কবি স্ফূর্তি লাভ করতে পারে না : পারে না রাজকীয় নকশার আড়ালে আউশের বাক্য গুছিয়ে নিয়ে হাতে হাতে কৈশোর বিলানো ব্যথা উচ্চারণ করতে।
‘ওই যে এপ্রোনগার্ল
তার চশমা
ওখানে ঢেউ জমা রেখেছ
– এই জমা রাখা ঢেউয়ের মর্মপাঠই তার কবিতা : যাকে ঠিক ভাষার ভিতর আটকিয়ে রাখা যায় না : যা এতটাই সূক্ষ্ম প্ররোচনা যে যাকে চিন্তা ও শব্দ দিয়ে ধরতে গেলে ফাঁক ফোকর গলে পালিয়ে যায়। ভাষা-অতিরিক্ত এই পালিয়ে যাওয়া অনুভবের প্রিফেক্স ‘মাথার এপ্রোন’।
শিমুল মাহমুদ
Mathar Apron by Sanaullah Sagor
সোলায়মান সুমন। জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন এর সম্পাদনা পরিষদের সদস্য।
ভগ্ন সময়ের কোলাজ
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.













There are no reviews yet.